Home •ইসলাম

Article comments

•ইসলাম
হিযবুল্লাহ ও হিযবুশ্শায়তান চতুর্থ পর্ব PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Sunday, 06 July 2014 13:19

যুদ্ধ আল্লাহতায়ালার বিরুদ্ধে

লাগাতর যুদ্ধাবস্থা প্রতিটি মুসলিম দেশে। কোথাও সেটি রক্তঝরা প্রাণনাশী যুদ্ধ। কোথাও বা সেটি আত্মবিনাশী ও ঈমানবিনাশী স্নায়ুযুদ্ধ বা কোল্ড ওয়ার। কোথাও বা একত্রে চলছে উভয় যুদ্ধই। প্রতিটি মুসলিম জনপদই এখন রণাঙ্গন। ফলে শুধু রক্তই ঝরছে না,অবিরাম ঈমানও ঝরছে। প্রাণনাশে ব্যবহৃত হচ্ছে বন্দুক,গোলা-বারুদ,ট্যাংক,বোমারু বিমান,হেলিকপ্টার গানশিপ,মিজাইল ও ড্রোন।আর আত্মনাশ ও ঈমাননাশে ব্যবহৃত হচ্ছে শিক্ষাব্যবস্থা,প্রচার ব্যবস্থা ও সংস্কৃতি। ঈমানধ্বংসী শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে কাজ করছে মুসলিম দেশগুলির হাজার হাজার স্কুল-কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়। ব্যবহৃত হচ্ছে বই-পুস্তক,পত্র-পত্রিকা ও রেডিও-টিলিভিশন।ফলে অবিরাম এ মিথ্যাচার অসম্ভব করছে পরিপূর্ণ ঈমান নিয়ে বেড়ে উঠা। ইরাক,সিরিয়া,ইয়েমেন,সোমালিয়া,আফগানিস্তান,মালি,নাইরিজিয়া,মধ্য আফ্রিকায় চলছে রক্তঝরা যুদ্ধ। এবং শীতল যুদ্ধ বা কোল্ড ওয়ার থেকে মুক্ত নয় কোন মুসলিম দেশই। যদিও এ উভয় যুদ্ধের যোদ্ধারা মুসলিম নামধারি,তবে তাদের এ যুদ্ধ কোন আগ্রাসী অমুসলিম শক্তির বিরুদ্ধে নয়। যুদ্ধের লক্ষ্য কোন বিদেশী কাফের শত্রুর সামরিক বা সাংস্কৃতিক দখলদারি থেকে মুক্তিলাভও নয়। বরং যুদ্ধ এখানে খোদ মহান আল্লাহতায়ালার বিরুদ্ধে। লক্ষ্য,মহান আল্লাহতায়ালার শরিয়তি বিধানকে পরাজিত রাখা। লক্ষ্য,খেলাফতের প্রতিষ্ঠা রোধ। লক্ষ্য,মুসলিম উম্মাহর মাঝে বিভক্তির দেয়াল ভাঙ্গার কাজকে প্রতিহত করা। এবং যারা আল্লাহর পথে জিহাদ নিয়ে বাঁচতে চায় এবং শরিয়তের প্রতিষ্ঠা চায় তাদের নির্মূল।

Last Updated on Monday, 07 July 2014 20:02
Read more...
 
হিযবুল্লাহ ও হিযবুশ্শায়তান (তৃতীয় পর্ব) PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Saturday, 07 June 2014 23:39

দুটি পরিভাষা ও দুটি এজেন্ডা

পবিত্র কোরআনে মহাজ্ঞানী মহান আল্লাহতায়ালা যে দু’টি পরিভাষা বার বার ব্যবহার করেছেন তা হলো “মুসলিম” ও “শায়তান”। এ দু’টি পরিভাষা নিছক দু’টি শব্দ নয়,বরং এর মধ্য দিয়ে প্রকাশ পায় মানব জীবনে বাঁচার দু’টি ভিন্ন লক্ষ্য, দু’টি ভিন্ন দর্শন,দু’টি ভিন্ন এজেন্ডা, দু’টি ভিন্ন সংস্কৃতি ও রাজনীতি। মুসলিম জীবনে যুদ্ধ বিরামহীন। এবং যার বিরুদ্ধে ঈমানদারের সে আমৃত্যু যুদ্ধ,সে হলো এই শায়তান। মানবের বিরুদ্ধে শায়তানের ঘোষিত যুদ্ধটিরও শুরু মানব সৃষ্টির প্রথম দিন থেকেই। প্রথম মানব হযরত আদম (আঃ)র জন্ম হয়েছিল মহান আল্লাহর খলিফা রূপে। মানবসৃষ্ঠির সেটিই মূল লক্ষ্য। মানবকে ঘিরে মহান আল্লাহতায়ালার সে পরিকল্পনাটি ব্যর্থ করাই শায়তানের এজেন্ডা। সে এজেন্ডা পূরণে শায়তান চায়, মানবকে তার বাঁচার মূল লক্ষ্য ও মিশন থেকে বিচ্যুত করতে। ফলে সৃষ্টির প্রথম মানব হযরত আদম (আঃ) শত্রুমূক্ত ছিলেন না। তবে সে মিশনটি শুধু ইবলিসের ন্যায় একক কোন জ্বিন শয়তানের নয়, বরং সে অভিন্ন মিশন নিয়ে বাঁচে অসংখ্য মানব ও জ্বিন শয়তান। ফলে মুসলমানকে শুধু তার নিজেকে চিনলে চলে না,পরম এ শত্রুদেরকেও চিনতে হয়। “হিযবুল্লাহ” ও “হিযবুশ্শায়তান’ -এ দুটি বিষয় তাই পবিত্র কোরআনের অতি গুরুত্বপূর্ণ প্রসঙ্গ।

Last Updated on Saturday, 07 June 2014 23:51
Read more...
 
হিযবুল্লাহ ও হিযবুশ্শায়তান (প্রথম পর্ব) PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Saturday, 31 May 2014 17:58

আদি বিভাজন

হিযবুল্লাহ ও হিযবুশ্শায়তান –এ দুটি পরিভাষা মানুষের আবিস্কৃত নয়।এসেছে মহান রাব্বুল আলামীন আল্লাহতায়ালা থেকে।বার বার বর্নিত হয়েছে পবিত্র কোরআনে।বিজ্ঞান,চিকিৎসাবিজ্ঞান,অর্থশাস্ত্র,অংকশাস্ত্র,দর্শন তথা জ্ঞান-বিজ্ঞানের প্রতিটিই শাখাতেই রয়েছে এরূপ নিজ নিজ অসংখ্য পরিভাষা। ইংরাজিতে এরূপ পরিভাষাকে বলা হয় জার্গন (jargon)।জ্ঞান বিজ্ঞানের প্রতিটি বিভাগই এরূপ পরিভাষার মধ্য দিয়ে কথা বলে। সেগুলোর অর্থ না বুঝলে অসম্ভব হয় সে শাস্ত্রের সঠিক জ্ঞানার্জন। ইসলামি জীবনদর্শনের বাহকও হলো এরূপ কোরআনী পরিভাষা। এতে রয়েছে যেমন জ্ঞানের খোরাক,তেমনি রয়েছে হেদায়েতের উপকরণ। প্রতিটি মুসলমানের দায়িত্ব হলো,এরূপ কোরআনী পরিভাষার মধ্য দিয়ে মহাজ্ঞানী রাব্বুল আ’লামীন কি বুঝাতে চেয়েছেন তা নিয়ে গভীর চিন্তাভাবনা করা।এরূপ চিন্তাভাবনাকেই মহান আল্লাহতায়ালা পবিত্র কোরআনে তাফাহ্হুম,তাদাব্বুর ও তায়াক্কুল বলেছেন। যাদের মধ্যে এরূপ চিন্তাভাবনা নাই তাদেরকে তিনি শুধু গবাদী পশু নয়,তার চেয়েও নিকৃষ্ট বলেছেন।সত্য-মিথ্যা,ন্যায়-অন্যায়ের বিচারে এমন ব্যক্তিরাই চেতনাশূণ্য হয়।মহান আল্লাহতায়ালার অতি জ্ঞানপূর্ণ বানি গাধাঘোড়ার উপর যেমন আছড় করে না,তাদের কাছেও তেমন আবেদনই রাখে না। তারা যেমন ঈমানশূন্য হয়,তেমনি হয় হেদায়েতশূণ্যও। মহান আল্লাহতায়ালা তাদেরকে মূক,বধির ও অন্ধ রূপে আখ্যায়ীত করেছেন। পার্থিব জীবনে বাঁচাটি তাদের জন্য স্রেফ আযাবের আয়োজনই বাড়ায়। নবীজী (সাঃ)র আমলে পবিত্র কোরআনের এরূপ পরিভাষা ও বর্ণনা সাহাবাদের ধ্যান-ধারণা ও জীবনবোধে আমূল বিপ্লব এনেছিল। তাতে বিপ্লব এসেছিল তাদের জীবনদর্শন,চরিত্র,কর্ম ও সংস্কৃতিতে। ফলে নির্মিত হয়েছিল সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মানব ও সর্বশ্রেষ্ঠ সভ্যতা।সমগ্র মুসলিম ইতিহাসের শ্রেষ্ঠ গর্ব তো তাদের নিয়েই।

Last Updated on Saturday, 31 May 2014 18:44
Read more...
 
হিযবুল্লাহ ও হিযবুশ্শায়তান (দ্বিতীয় পর্ব) PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Saturday, 31 May 2014 18:49

হিযবুশ্শায়তানএর কোরআনী পরিচয়

সর্বজ্ঞানী মহান আল্লাহতায়ালার কাছে এ বিশ্বের কোন কিছুই গোপন নয়। শুধু জ্বিন ও ইনসানেরই নয়,সমগ্র বিশ্বজগতের প্রতিটি প্রকাশ্য ও অপ্রকাশ্য বিষয় তিনি জানেন।জানেন শয়তানের চরিত্রের অতি খুঁটিনাটি বিষয়ও।সেই মহাজ্ঞানী মহান আল্লাহতায়ালাই সমগ্র বিশ্ববাসীর সামনে মানবের সবচেয়ে বড় শত্রুটির পরিচয়ও অতি সুস্পষ্ট করে তুলে ধরেছেন -যাতে তাকে চিনতে কেউ ভূল না করে। আর ভূল হলে সে ভূলের খেসারতটি বিশাল। খেসারত দিতে হবে শয়তানের সাথে তাকেও জাহান্নামের আগুনে জ্বলে। ফলে পবিত্র কোরআনে এটিও আলোচনার অতি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। হেদায়াতের নানা গুরুত্বপূর্ণ উপদেশের পাশাপাশি শয়তানের কূটকৌশলকেও তিনি তুলে ধরেছেন। করুণাময় রাব্বুল আলামীন হিজবুশ্শায়তান তথা শয়তানের দলের বর্ণনাটি দিয়েছেন এভাবে,“তাদেরকে বশীভূত করেছে শয়তান,অতঃপর ভূলিয়ে দিয়েছে আল্লাহর স্মরণ।তারাই হলো শয়তানের দল।নিশ্চয়ই শয়তানের দল ক্ষতিগ্রস্ত।”-(সুরা মুজাদালা,আয়াত ১৯)।উপরুক্ত আয়াতে মহান আল্লাহতায়ালা শয়তানের দলকে সংজ্ঞায়ীত করতে গিয়ে যে আরবী শব্দগুলো ব্যাবহার করেছেন তা হলো “ইস্তাহ্ওয়াযা আলাইহুমুশ শায়তানু ফানসাহুম যিকরাল্লাহ,উলা’য়ীকা হিযবুশ্শায়তান,আ’লা ইন্না হিযবুশ্শায়তানি হুমুল খাসিসুরুন”।“ইস্তাহ্ওয়াযা” শব্দটির আভিধানিক অর্থ হলো কারো উপর দখল বা আধিপত্য জমানো,তাকে বশিভূত করা এবং তাকে পুরাপুরি নিয়ন্ত্রনে নিয়ে নেয়া।বশিভূত করাটি এখানে শুধু তার গলায় গোলামীর জিঞ্জির পড়ানো নয়,বরং তার জীবনবোধ,চিন্তাচেতনা,ধ্যান-ধারণা,কর্ম ও রুচিবোধ,রাজনীতি ও সংস্কৃতির উপর দখলদারি জমানো। শয়তান এমনই এক সার্বিক দখলদারি বা কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করে তার নিজ দলের লোকদের উপর।

Last Updated on Tuesday, 03 June 2014 17:12
Read more...
 
অনৈসলামি রাষ্ট্রের অকল্যাণ PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Saturday, 10 May 2014 15:52

কেন এ অকল্যাণ?

দুর্বৃত্ত মানুষ যখন হাতে লাঠি বা চাকু পায় তখনই সে অঘটন ঘটায়। তাদের লক্ষ্য যে শুধু মানুষের ধনসম্পদ লুন্ঠন -তা নয়। তারা তো সমাজ ও রাষ্ট্রে একচ্ছত্র প্রভু হতে চায়। লুন্ঠনের পরিধিকে এভাবে তারা সমগ্র রাষ্ট্রময় করতে চায়। রাষ্ট্র যখন পুলিশ, সেনাবাহিনী, আদালত ও প্রশাসনসহ তার প্রতিষ্ঠানগুলি নিয়ে এমন দুর্বৃত্তের হাতে অধিকৃত হয় তখন সমগ্র দেশবাসীর জীবনে মহা-অকল্যাণ নেমে আসে। হত্যা,ধর্ষণ, চুরিডাকাতির ন্যায় নানারূপ অপরাধকর্ম তখন রাষ্ট্রের নীতি বা সংস্কৃতি হয়ে দাঁড়ায়। ফিরাউন-নমরুদের ন্যায় দুর্বৃত্তরা যখন রাষ্ট্রের উপর তাদের দখলদারি প্রতিষ্ঠা করেছিল তখন নিজেদেরকে শুধু রাজা রূপে নয়,খোদা রূপেও প্রতিষ্ঠা করেছিল। এমন দুর্বৃত্তকবলিত রাষ্ট্রে সত্য,সুশিক্ষা ও সুবিচার মারা পড়ে। এমনকি হযরত ইব্রাহীম (আঃ) ও হযরত মূসা (আঃ)র মত মহা মানবগণও সে সমাজে ভাল আচরণ পাননি। বরং তাদেরকেও নির্মম হত্যা করার চেষ্টা হয়েছে। রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা যখনই হালাকু-চেঙ্গিজ-হিটলারদের ন্যায় দুর্বৃত্তদের হাতে গেছে তখনই লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবনে নির্মম নির্যাতন ও মৃত্যু নেমে এসেছে। মানব ইতিহাসের বড় বড় বিপর্যয়গুলো গ্রামগঞ্জে বাসকরা চোর-ডাকাতদের হাতে হয়নি। রোগ-ভোগ, মহামারি বা ঝড় তুফানের হাতেও হয়নি। বরং হয়েছে দুর্বৃত্তদের হাতে রাষ্ট্র যাওয়াতে। মানব জাতির সবচেয়ে বড় দুষমন হলো এসব দুর্বৃত্তরা।মহান আল্লাহতায়ালা তাই এরূপ দুর্বৃত্ত নির্মূলকেও বাধ্যতামূলক করেছেন। এবং নির্মূলের সে কাজকে পবিত্র জিহাদের মর্যাদা দিয়েছেন।

Last Updated on Saturday, 10 May 2014 21:52
Read more...
 
<< Start < Prev 1 2 3 4 5 6 7 8 Next > End >>

Page 3 of 8
Dr Firoz Mahboob Kamal, Powered by Joomla!; Joomla templates by SG web hosting
Copyright © 2017 Dr Firoz Mahboob Kamal. All Rights Reserved.
Joomla! is Free Software released under the GNU/GPL License.