Home •ইসলাম

Article comments

•ইসলাম
তাবলিগ জামাতের ইসলাম কি কোরআনের ইসলাম? PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Saturday, 25 January 2014 01:51

শুরুটি কীভাবে?

তাবলিগ জামাতের শুরু ১৯২৬ সালে উত্তর ভারতের মেওয়াত নামক এলাকা থেকে। মেওয়াত হলো দিল্লির দক্ষিণে হরিয়ানার একটি এলাকা। পূর্বে এলাকাটি পূর্ব পাঞ্জাবের অন্তর্ভূক্ত ছিল। তাবলিগ জামাতের ধারণা,লক্ষ্য-উদ্দেশ্য ও কর্মপদ্ধতি রচনা করেন মাওলানা মুহাম্মদ ইলিয়াস। ইনি ছিলেন উত্তর ভারতের শাহরানপুরের মাযহারুল উলুম মাদ্রাসার শিক্ষক। তিনি ধর্মীয় শিক্ষা লাভ করেন দেওবন্দ মাদ্রাসায়। এদিক দিয়ে বলা যায়,তাবলিগ জামাত হলো দেওবন্দী আন্দোলনের একটি শাখা। ঔপনিবেশিক ব্রিটিশের হাতে রাজনৈতিক ক্ষমতা হারানোর পর মুসলমানগণ শুধু শক্তিহীনই হয়নি,ধর্মীয়,সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক ভাবে প্রাণহীনও হয়ে পড়ে। লোপ পায় তাদের আত্মবিশ্বাস;চেপে বসে নিদারুন হতাশা,বিভক্তি ও বিশৃঙ্খলা। অপর দিকে প্রাণশক্তির নবজোয়ার শুরু হয় হিন্দুদের মাঝে। ব্রিটিশ শাসকদের পার্টনার রূপে তারা শাসকশক্তির কাছাকাছি পৌঁছার সুয়োগ পায়,ফলে শিক্ষা,অর্থনীতি,রাজনীতি ও প্রশাসনে তারা দ্রুত এগিয়ে যায়। পায় নবশক্তি।

Last Updated on Saturday, 25 January 2014 10:18
Read more...
 
পরিশুদ্ধ মানব ও রাষ্ট্র গড়ায় রোযার ভূমিকা PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Saturday, 03 August 2013 08:47

যে ভাবনাটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ

এ পৃথিবীতে মানুষের ব্যস্ততা আমৃত্যু। বিরামহীন ব্যস্ততাটি ভোগের আয়োজনে লাগাতর বৃদ্ধি আনার।কবরে পৌছা পর্যন্ত মানুষ সে ভাবনা ও সে ব্যস্ততার মধ্যেই ডুবে থাকে। পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহতায়ালা সে ব্যস্ততাটি চিত্রিত করেছেন এভাবেঃ “প্রাচুর্যের প্রতিযোগিতা তোমাদেরকে ডুবিয়ে রাখে যতক্ষণ না তোমরা কবরে গিয়ে পৌঁছো।”–(সুরা তাকাছুর আয়াত ১-২)। বেশী বেশী পাওয়ার ক্ষুধা এতই তীব্র যে নবীজী (সাঃ) বলেছেন, একমাত্র মাটিই অর্থাৎ মাটির গর্ভে ফিরে যাওয়াই এ পেট পূর্ণ করতে পারে। সে বিরামহীন ব্যস্ততার মাঝে মানুষ ভুলে থাকে জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি। সেটি পরকালের কল্যাণ। প্রশ্ন হলো,এরূপ তাড়াহুড়ায় মানুষের কল্যাণ কতটুকু? শান্তিই বা কতটুকু?। পার্থিব এ জীবন তো স্বল্পকালীন, আসল বাসস্থান পরকালে। সেখানে মৃত্যু নাই,আছে এক অনন্ত অসীম কালের জীবন। সে পরকালীন জীবনের সাফল্যটি অর্জন করতে হয় এ পার্থিব জীবনে বসে। সমাজ সংসারের মধ্যে থেকেও প্রতি পদে আখেরাতের কল্যাণে বিপুল বিনিয়োগ বাড়ানো যায়। এবং সেটি সিরাতুল মোস্তাকীমের পথ বেয়ে। মহান আল্লাহতায়ালার নির্দেশ তো সেটাই। শহীদগণ তো জীবনটাই বিলিয়ে দেয় জান্নাতের লক্ষ্যে। তাদের প্রাপ্তিটাও ফলে বিশাল। কিন্ত এ জীবনের সবটুকু সময়, শ্রম ও মেধার বিনিয়োগ যদি স্বল্পকালীন এ জীবনের আনন্দ বাড়াতেই শেষ হয়ে যায় তবে তা আখেরাতে কি কল্যাণটি আনবে? এমন ব্যস্ততা পরকালে শুধু ব্যর্থতাই বাড়ায়,এবং নিশ্চিত করে জাহান্নামে পৌঁছানোটি। সে ঘোষণাটি পবিত্র কোরআনে বার বার এসেছে। ক্ষুদ্র পার্থিব জীবনের কোন সফলতাই জান্নাত হারানোর সে ব্যর্থতা দূর করতে পারে না। তাই এ ব্যস্ততা কোন চিন্তাশীল সুস্থ্য মানুষের প্রায়োরিটি হতে পারে না।

 

Last Updated on Saturday, 03 August 2013 08:57
Read more...
 
আখেরাতের ভয়ঃ যা অনিবার্য করে রাষ্ট্রীয় বিপ্লব PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Saturday, 24 November 2012 00:11

আখেরাতে ভাবনা ও বিনিয়োগ

শুধু পাওয়ার আশাতেই নয়,ভয়েও মানুষ প্রচণ্ড সৃষ্টিশীল ও বিপ্লবী হয়। ঈমানদারের জীবনে তেমনি এক সৃষ্টিশীল ও বিপ্লবী ভূমিকা রাখে আখেরাতের ভয়। সে ভয় মু’মিনকে তাড়িত করে অর্থ,শ্রম,রক্তের বিনিয়োগে। সে তাড়নায় বিপ্লব আসে শুধু ব্যক্তি-জীবনে নয়,বরং সমাজ ও রাষ্ট্র জুড়ে। তখন মু’মিনের জানমালের বিনিয়োগের সাথে যোগ হয় মহান আল্লাহতায়ালার বিনিয়োগ। আল্লাহর ফেরেশতাগণ তখন দলবেঁধে জিহাদের ময়দানে হাজির হয়। মুসলিম ইতিহাসে অতীতে সেটি বার বার ঘটেছে। উত্তাল সমুদ্র,ঝড়ো হাওয়া,ক্ষুদ্র পাখি,মশা-মাছি এমনকি প্রানহীন পাথরও তখন আল্লাহর সৈনিকে পরিণত হয়। নমরুদ,ফিরাউন ও আবরাহার বিশাল সেনাবাহিনী বিধ্বস্ত হয়েছে সেসব সৈনিকদের হাতে। মুসলিম বাহিনী তো এভাবেই অপরাজেয় হয়,এবং বিজয় আসে আল্লাহর দ্বীনের। নবীজী (সাঃ) ও তাঁর সাহাবাদের আমলে শুধু যে আরবের কাফেরদের উপর বিজয় এসেছিল তা নয়,বিজয় এসেছিল রোমান ও পারসিক –এ দুই বিশ্বশক্তির বিরুদ্ধেও। বিজয়ের কারণ ছিল মহান আল্লাহর সাহায্য। মুসলমানগণ সে সাহায্যের বলেই অতি অল্পসময়ে বিশ্বশক্তিতে পরিণত হয়েছিল।

 

Last Updated on Saturday, 24 November 2012 00:39
Read more...
 
আধ্যাত্মীক ও রাষ্ট্রীয় বিপ্লবে রোযার কাঙ্খিত ভূমিকা ও মুসলমানদের ব্যর্থতা PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Sunday, 28 July 2013 09:54

আধ্যাত্মীক ও রাষ্ট্রীয় বিপ্লব কীরূপে?

মানব জাতির ইহলৌকিক ও পারলৌকিক সাফল্যের জন্য আধ্যাত্মীক বিপ্লব যেমন জরুরী,তেমনি অপরিহার্য হলো রাষ্ট্রীয় বিপ্লব। পাখির দুটি ডানা সবল না হলে যেমন উড়তে পারে না তেমনি আধ্যাত্মীক বিপ্লব ও রাষ্ট্রীয় বিপ্লব –এ দুটি বিপ্লব একত্রে না হলে উচ্চতর সভ্যতাও নির্মিত হয় না। অর্জিত হয় না ইসলামের মূল লক্ষ্য।রাষ্ট্রের বুকে শয়তানের অধিকৃতি মেনে নিয়ে কি ইসলাম পালন হয়? আসে কি আধ্যাত্মীক উন্নয়ন? নবীজী এ দুটি বিপ্লব একত্রে পরিচালিত করে সমগ্র মানব জাতির সামনে অনুকরণীয় সূন্নত রেখে গেছেন। দ্বিমুখি এ বিপ্লবের পথ বেয়ে তিনি যেমন সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ অসংখ্য মানব গড়ে গেছেন,তেমনি সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ সভ্যতাও গড়ে গেছেন। যারা রাজনীতি ও রাষ্ট্র পরিচালনার কাজ থেকে নিজেদেরকে দূরে রেখে স্রেফ মসজিদ-মাদ্রাসা,পীরের মাজার¸সুফী খানকা বা হুজরায় বসে আধ্যাত্মীক বিপ্লব ও সে সাথে দুই জাহানের কল্যাণ ভাবেন তারা কি নবীজী (সাঃ)র সে সূন্নত থেকে আদৌ শিক্ষা নিয়েছে? তাদের দ্বারা কোথাও কি আল্লাহর শরিয়তি বিধান বিজয়ী হয়েছে? নির্মিত হয়েছে কি ইসলামি রাষ্ট্র ও সভ্যতা? এসেছে কি আধ্যাত্মীক উন্নয়ন? বরং তাতে আধ্যাত্মীকতার নামে মুসলিম জীবনে এনেছে নবীজী (সাঃ)র প্রদর্শিত সিরাতুল মোস্তাকীম থেকে বিশাল বিচ্যুতি ও ভ্রষ্টতা। অপর দিকে আধ্যাত্মীক বিপ্লবকে গুরুত্ব না দিয়ে যারা শুধু ইসলামের নামে রাজনৈতীক দল ও রাজনৈতীক বিপ্লব নিয়ে ভাবেন তাদের দ্বারাই বা ইসলামি রাষ্ট্র নির্মানে কতটুকু সফলতা এসেছে? এবং কতটুকু এসেছে চারিত্রিক বিপ্লব? তারাও কি নবীজী(সাঃ)র সূন্নতকে পুরাপুরি আঁকড়ে ধরতে পেরেছে?

Read more...
 
আখেরাতের ভয়ঃ মানবকে যা মহামানব করে PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Saturday, 10 November 2012 13:38

বিপ্লব আনে চেতনায়

ঈমানের অর্থ স্রেফ আল্লাহতায়ালা,তাঁর রাসূল,তাঁর কিতাব ও ফেরেশতাদের উপর বিশ্বাস নয়,বরং অতি গুরুত্বপূর্ণ হলো আখেরাতের উপর ঈমান।আখেরাতে জবাবদেহীতার ভয় আমূল বিপ্লব আনে মু’মিনের সমগ্র অস্তিত্ব জুড়ে। মক্কার কাফেরদের মূল সমস্যাটি আাল্লাহর উপর বিশ্বাস নিয়ে ছিল না।আল্লাহকে তারা নবীজী (সাঃ)র জন্মের পূর্ব থেকেই বিশ্বাস করতো।হযরত ইব্রাহীম (আাঃ)এবং হযরত ইসমাঈল (আাঃ)যে আল্লাহর নবী ছিলেন -তা নিয়ে তাদের বিন্দুমাত্র সন্দেহ ছিল না। সন্দেহ ছিল না ক্বাবা যে আল্লাহর ঘর -তা নিয়েও। কিন্তু বিশ্বাস করতো না আখেরাতকে। তাদের মনে ভয় ছিল না আল্লাহর কাছে জবাবদেহীতার। তারা বিশ্বাস করতো না যে,মৃত্যুর পর মাটিতে মিশে যাওয়া হাড্ডি-গোশতে আবার প্রাণ সঞ্চার হবে। মক্কার কাফেরগণ যে আল্লাহর উপর বিশ্বাস রাখতো সে সাক্ষ্যটি দিয়েছেন আল্লাহতায়ালা।পবিত্র কোরআনে তিনি বলেছেন,“বল!এ পৃথিবী এবং এর মধ্যে যা কিছু আছে সেগুলি কার জন্য,জানলে জবাব দাও। তারা বলবে,“আল্লাহর”। জিজ্ঞেস করো (হে নবী),“কে সপ্ত আকাশ এবং মহা আরশের অধিপতি?” ওরা বলবে,“আল্লাহ”।--জানলে বল,“সকল কিছুর কতৃত্ব কার হাতে -যিনি আশ্রয় দেন এবং যাঁর উপর কোন আশ্রয়দাতা নেই? ওরা বলবে,“আল্লাহর”। বল,তবুও কি তোমরা এ নিয়ে মোহগ্রস্ত?” –(সুরা মু’মিনুন আয়াত ৮৪-৮৯)।

 

Last Updated on Sunday, 11 November 2012 07:11
Read more...
 
<< Start < Prev 1 2 3 4 5 6 7 8 Next > End >>

Page 4 of 8
Dr Firoz Mahboob Kamal, Powered by Joomla!; Joomla templates by SG web hosting
Copyright © 2017 Dr Firoz Mahboob Kamal. All Rights Reserved.
Joomla! is Free Software released under the GNU/GPL License.