Home •ইসলাম

Article comments

•ইসলাম
বিতর্ক ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা নিয়ে PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Sunday, 25 December 2011 21:02

বিদ্রোহ আল্লাহর বিরুদ্ধে

একটি জাতির পরাজয় এবং বিপর্যয়ের কারণ নানাবিধ। তবে শুরুটি হয় জনগণের চেতনায়। হাত-পায়ে যত শক্তিই থাক, মগজ হুশ হারালে দেহও শক্তিহীন হয়ে পড়ে। তেমনি অবস্থা একটি জাতির। অতীতে মুসলমানগণ যখন বিজয়ের পর বিজয় আনছিল এবং বিশ্বশক্তি রূপে দ্রুত প্রতিষ্ঠা লাভ করছিল তখন তাদের তেল-গ্যাস ছিল না, বিশাল জনশক্তিও ছিল না। হাজার হাজার মসজিদ-মাদ্রাসাও ছিল না। শত শত কলেজ বিশ্বাবিদ্যালও ছিল না। কিন্তু উম্মাহর জীবনে তখন পুর্ণ হুশ ছিল, নিজেদের বাঁচার মূল মিশন নিয়ে পরিপূর্ণ সচেতনতাও ছিল। সে হুশ এবং সে সচেনতার মূল ভিত্তিটি ছিল ঈমান এবং কোরআনী জ্ঞান। কিন্তু আজ সে হুশ নেই, জীবনের মিশন নিয়ে সে সচেতনতাও নাই। সে বোধ যে শুধু সাধারণ মুসলমানদের জীবন থেকে তা হারিয়ে গেছে তা নয়, আলেম রূপে যারা পরিচিত হারিয়ে গেছে তাদের জীবন থেকেও। ফলে ইসলামের পরিপূর্ণ অনুসারি রূপে বেড়ে উঠার বদলে নানা ভাষা, নানা দেশ, নানা মজহাব ও নানা ফেরকার পরিচয় নিয়ে বেড়ে উঠাটিই মুসলমানদের জীবনের মূল প্রায়োরিটি পরিণত হয়েছে। ফলে পৃথিবীতে আজ ৫৫টির বেশী মুসলিম দেশের জাতীয় পতাকা উড়ছে, কিন্তু কোথাও উড়ছে না ইসলামের পতাকা। কুফরি আইন-কানূন, সূদ-ঘুষ, মদ-জুয়া, পতিতাবৃত্তি এসবও মুসলিম দেশের অলংকারে পরিণত হয়েছে। মুসলিম রাষ্ট্রগুলিতে প্রতিষ্ঠা পেয়েছে স্বৈরাচার ও রাজতন্ত্র। পদদলিত হচ্ছে মানবিক অধিকার।

Last Updated on Thursday, 29 December 2011 19:07
Read more...
 
মুসলিম উম্মাহর ধারণা ও জাতিয়তাবাদের নাশকতা PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Sunday, 29 May 2011 12:57

মুসলামানদের বিরুদ্ধে আজকের বড় নাশকতাটি কাফের বা পৌত্তলিকদের সৃষ্ট নয়। ইহুদী বা খৃষ্টানদেরও নয়। বরং সেটি জাতিয়তাবাদীদের। বিগত একশত বছরে এ মতবাদের অনুসারীরা মুসলমানদের যে ভয়ানক ক্ষতিটি করেছে তা বিগত হাজার বছরে অন্য কোন মতবাদ বা ধর্মের অনুসারিরা করতে পারিনি। মুসলিম বিশ্ব আজ খণ্ডিত, পরাজিত এবং অপমানিত এদের কারণে। জাতিয়তাবাদ শুধু ভাষাভিত্তিক ভৌগলিক বিভক্তি নিয়ে খুশি নয়, বরং ধাবিত করছে ইসলাম-পূর্ব জাহেলী ট্রাইবালিজমের দিকে। এক অখণ্ড আরব ভূ-খণ্ড আজ ২২ টুকরায় বিভক্ত মূলত এসব ট্রাইবালদের কারণে। মুসলমানগণ যে আজ কতটা পথভ্রষ্ট ও নিজঘরের শত্রু -এ হল তার নজির। নামে মুসলমান হওয়া সত্ত্বেও এরাই মুসলামনদের চিহ্নিত ঘোরতর শত্রুদের পরম বন্ধুতে পরিনত হয়েছে। মার্কিন, ভারতীয় ও ইসরাইলী সাম্রাজ্যবাদীরা তো মুসলিম বিশ্বে প্রভুত্ব করছে এরূপ জাতিয়তাবাদী ট্রাইবালদের কাঁধে বন্দুক রেখেই। নিছক ভিন্ন ভাষা হ্ওয়ার কারণে অন্য মুসলমান ভাইয়ের প্রাণনাশ ও তার সম্পদ লুণ্ঠনের ন্যায় জঘন্য হারাম কাজটি জাতিয়তাবাদীরা জায়েজ ও উৎসবযোগ্য রাজনীতিতে পরিনত করেছে।

Last Updated on Saturday, 04 June 2011 08:19
Read more...
 
অধিকৃত মসজিদ ও বিপন্ন ইসলাম PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Sunday, 02 January 2011 11:31

দেশে দেশে ইসলাম যেমন প্রবল ভাবে বিজয়ী হতে পারে, তেমনি পরাজিত, অবহেলিত বা বিপন্নও হতে পারে। আল্লাহর দ্বীনের সবচেয়ে বড় বিজয় এসেছিল মহান নবী হযরত মহম্মদ (সাঃ) এর হাতে। সমগ্র ইতিহাসে সেটিই হল মানবের সবচেয়ে গৌরবময় কীর্তি। অপর দিকে মানব জাতির পথভ্রষ্টতা, পাপাচার ও আল্লাহর বিরুদ্ধে বিদ্রোহের ইতিহাসও বড্ড দীর্ঘ। অতীতে পথভ্রষ্ট মানুষেরা ইসলামকে বিপন্ন বা আল্লাহর দ্বীনের চর্চা অসম্ভব করেছে খোদ আল্লাহর ঘর -ক্বাবার অভ্যন্তরেও। সেখানে মুর্তি বসিয়ে সেগুলির পুঁজা করেছে। আল্লাহর ঘর এভাবে ব্যবহৃত হয়েছে আল্লাহর বিরুদ্ধে বিদ্রোহের পরিচর্যা বাড়াতে। আল্লাহর ঘর ও আল্লাহর জমিন শয়তানী শক্তির হাতে অধিকৃত হলে ইসলাম যে কতটা বিপন্ন হয় এবং ইসলামের বিজয় যে কতটা অসম্ভব হয় -এ হল তার নজীর। তবে আল্লাহর ঘর তাঁর অবাধ্যদের হাতে অধিকৃত হবার ঘটনা এই প্রথম নয়, শেষও নয়।   

Read more...
 
আল্লাহর অরক্ষিত দুর্গ ও প্রতিরক্ষাহীন মুসলমান PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Sunday, 02 January 2011 11:39

সুরক্ষিত দুর্গ ও সে দুর্গের লড়াকু সৈনিক ছাড়া কোন ধর্মের বা আদর্শের প্রচার ও প্রতিষ্ঠা বাড়ে না। এগুলি ছাড়া সার্বভৌমত্বও সুরক্ষা পায় না। তাই প্রতি শাসক রাজ্য-শাসনে শুধু প্রাসাদ গড়ে না, সুরক্ষিত দুর্গ, থানা,কোট-কাছারি,কারাগার, অস্ত্রাগার,বিদ্যালয়, সচিবালয়সহ অসংখ্য প্রতিষ্ঠানও গড়ে। এগুলি হল রাজ্যশাসনের অবকাঠামো। সার্বভৌমত্বের সুরক্ষায় অতি অপরিহার্য হল এগুলি। এগুলি হাতছাড়া হলে শাসন-কাজ চলে না, সরকারও বাঁচে না। এ বিশ্বে মানব সৃষ্টির পিছনেও মহান আল্লাহতায়ালার একটি মহান লক্ষ্য রয়েছে। তিনি শুধু এ বিশ্ব-জাহানের স্রষ্টাই নন, শাসকও। তিনি শুধু সর্বশক্তিমান প্রভুই নন, সর্বশ্রেষ্ঠ আইন প্রনেতাও। তাঁর সে প্রনীত আইনই ইসলামে শরিয়তরূপে পরিচিত। তিনি চান, সমগ্র বিশ্বজুড়ে সে আইনের পূর্ণাঙ্গ প্রতিষ্ঠা। যেমন তাঁর প্রিয় রাসূল হযরত মহম্মদ (সাঃ) প্রতিষ্ঠা  করেছিলেন।

Read more...
 
নিরপেক্ষতা যখন মহাঅপরাধ PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Saturday, 01 January 2011 21:11

ইসলাম-অনৈসলামের দ্বন্দ নিত্যদিনের। এ দ্বন্দের মাঝে কি নিরপেক্ষতা চলে? অন্যায়কে ন্যায়ের, অসত্যকে সত্যের সমকক্ষতা দিলে কি ন্যায়পরায়ণ বা সত্যবাদী বলা যায়? এমন নিরপেক্ষতা শুধু পক্ষপাতিত্বই নয়, প্রচন্ড প্রতারণাও। নিরপক্ষতার খোলসে সত্যকে পরাস্ত করার এটি ষড়যন্ত্র। মুসলিম বিশ্বে ধর্মরিপেক্ষ গোষ্ঠিটি এমন কর্মে লিপ্ত রয়েছে নিছক ইসলামকে পরাস্ত করার স্বার্থে। নিরপেক্ষতা এ লক্ষে বাহানা মাত্র। নিরপেক্ষতার গুরুত্ব রয়েছে ঘটনা বা তথ্যের বস্তুনিষ্ঠ বিচারে। এমনকি পবিত্র কোরআনেও নিরপেক্ষ নিরীক্ষণে তাগিদ দেয়া হয়েছে। কিন্তু ইসলামে কবুলের পর মুসলমান আর নির্দলীয় বা নিরপেক্ষ থাকে না, প্রবেশ করে ইসলামের পক্ষে। সে তখন আল্লাহর পক্ষের শক্তি, কোরআনী পরিভাষায় ‘হিযবুল্লাহ বা আল্লাহর দলভুক্ত’। ইসলাম ও মুসলামদের উপর হামলার মুখে নিরপেক্ষ থাকা তখন গোনাহই নয়, তার কাছে সেটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ গণ্য হয়।

Read more...
 
<< Start < Prev 1 2 3 4 5 6 7 8 Next > End >>

Page 6 of 8
Dr Firoz Mahboob Kamal, Powered by Joomla!; Joomla templates by SG web hosting
Copyright © 2017 Dr Firoz Mahboob Kamal. All Rights Reserved.
Joomla! is Free Software released under the GNU/GPL License.