Home •ইসলাম

Article comments

•ইসলাম
আধ্যাত্মিক বিপ্লবে রোযা PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Monday, 29 June 2015 20:04

আয়োজন সর্বশ্রেষ্ঠ প্রশিক্ষণের

আধ্যাত্মিকতার অর্থ সংসারত্যাগী বৈরাগ্য নয়,পানাহার পরিত্যাগও নয়। বরং সর্বাবস্থায় মহান আল্লাহতায়ালার স্মরণ ও পরকালে জবাবদেহীতার ভয়।স্মরণ এখানে মহান আল্লাহতায়ালার প্রতি ঈমানি দায়বদ্ধতার। ইসলামে এটিই যিকর। জবাবদেহীতা হলো নিজের আমলনামাহ নিয়ে মহান আল্লাহতায়ালার দরবারে খাড়া হওয়ার।ভয় সিরাতুল মুস্তাকীম থেকে বিচ্যুতি ও জাহান্নামের আগুণে পড়ার। এরূপ ভয়ই ব্যক্তিকে প্রতিপদে পাপাচার থেকে বাঁচায় এবং জান্নাতমুখি করে। তখন তার চথচলাটি সবসময় সিরাতুল মুস্তাকীমে হয়।মানব জীবনের এটিই সর্বশ্রেষ্ঠ অর্জন।ঈমান ও আমলের ক্ষেত্রে সর্বশ্রেষ্ঠ বিপ্লবও। এরূপ আধ্যাত্মিক বিপ্লবে রোযার ভূমিকাটি বিশাল ও অনন্য। সমগ্র মানব ইতিহাসে এটিই সর্বশ্রেষ্ঠ প্রশিক্ষণ।মাসব্যাপী এ প্রশিক্ষণের মূল আয়োজক এখানে খোদ মহান আল্লাহতায়ালা।লক্ষ্য,মানব মনে তাকওয়া বৃদ্ধি।তাকওয়ার অর্থ ভয়। মানব চরিত্রের এটিই সর্বশ্রেষ্ঠ গুণ। ভয় এখানে মহান আল্লাহতায়ালার হুকুমের বিরুদ্ধে অবাধ্যতার এবং সিরাতুল মুস্তাকীম থেকে বিচ্যুত হওয়ার। ভয়,মহান আল্লাহতায়ালার দরবারে জবাবদেহীতার।

Last Updated on Monday, 29 June 2015 20:13
Read more...
 
মুসলিম জীবনে রোযার সফলতা কতটুকু? PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Saturday, 20 June 2015 00:25

কতটুকু অর্জিত হচ্ছে তাকওয়া?

রোযার লক্ষ্য কি শুধু এটুকু, রোযাদার ব্যক্তিটি সকাল থেকে সন্ধা অবধি পানাহার বন্ধ রাখবে? মাসভর তারাবিহ পড়বে এবং কোরআন তেলাওয়াত করবে? এবং রমযান শেষে মহা ধুমধামে ঈদ উদযাপন করবে? কত হাজার মাইল পথ অতিক্রম করা হলো -সেটিই কি পথচলায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ? বরং গুরুত্বপূর্ণ হলো, কাঙ্খিত গন্তব্যস্থলে পৌঁছা হলো কিনা। রোযার মূল লক্ষ্য, তাকওয়া অর্জন। মহান আল্লাহতায়ালা সে লক্ষ্যটি ব্যক্ত করেছেন এভাবেঃ ‘‘হে ঈমানদারগণ! তোমাদের উপর রোযা ফরয করা হয়েছে, যেরূপ ফরয করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তী লোকদের উপর, যেন তোমরা তাকওয়া অর্জন করতে পার।’’ (সুরা বাকারা, আায়াত ১৮৩)। উপরুক্ত আয়াতে সুস্পষ্ট করা হয়েছে,তাকওয়া অর্জনই রোযার মূল কথা। এক মাসের রোযায় রোযাদারের জীবনে কতটা তাকওয়া সৃষ্টি হলো সেটিই রোযার সফলতা মাফকাঠি। আগুনের উত্তাপ গোপন থাকার বিষয় নয়। তেমনি গোপন থাকে না তাকওয়ার উত্তাপও। সেটি প্রকাশ পায় ব্যক্তির চরিত্র, কর্ম ও আচরণে;এবং বিপ্লব আনে রাজনীতি,সভ্যতা ও সংস্কৃতিতে। তাকওয়ার গুণেই মানুষ মহামানবে পরিণত হয়।এমন মহা মানবদের সংখ্যাবৃদ্ধিতে দেশ তখন নেককর্ম, শিক্ষাদীক্ষা, মানবতা ও উচ্চতর সংস্কৃতিতে এক মহান সভ্যতা গড়ে তোলে। যেমনটি হয়েছিল ইসললামের প্রাথমিক যুগে।অপর দিকে যে মুসলিমেরা দুর্বৃত্তিতে বিশ্ব রেকর্ড গড়ে এবং শরিয়তের আইনের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ও অবজ্ঞা যাদের রাজনীতি -তখন কি বুঝতে বাঁকি থাকে এমন মুসলিমের দেশে মসজিদ-মাদ্রাসা ও রোযাদারের সংখ্যা বিপুল ভাবে বাড়লেও জনজীবনে তাকওয়া বাড়েনি? তখন কি গোপন থাকে, এমন মুসলমানদের জীবনে রোযা তেমন সফলতা আনেনি?

Read more...
 
খেলাফত প্রতিষ্ঠার জিহাদ ও সাম্রাজ্যবাদি শক্তির কোয়ালিশন PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Monday, 22 September 2014 17:10

নতুন সম্ভাবনার পথে

ইসলামের সর্বশেষ নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) শুধু পবিত্র কোরআনের প্রচারই করেননি বরং কোরআনী বিধানগুলির প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে একটি শক্তিশালী রাষ্ট্র এবং সে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি ও মজবুত অবকাঠামোও প্রতিষ্ঠা করে যান। সে রাষ্ট্রীয় অবকাঠামোটিই পরবর্তীতে তাঁর মহান সাহাবীদের হাতে খেলাফত নামে পৃথিবীর বিশাল ভূখন্ড জুড়ে প্রতিষ্ঠা পায়।খোলাফায়ে রাশেদার শাসকগণ ছিলেন মূলত নবীজী (সাঃ)র প্রতিষ্ঠিত রাষ্ট্র পরিচালনায় নবীজী (সাঃ)র রাজনৈতীক ও আধ্যাত্মীক প্রতিনিধি তথা খলিফা।খেলাফতী রাষ্ট্রীয় পদ্ধতির উদ্ভব হয়েছে তাই নবীজীর প্রতিনিধিত্বের দায়বদ্ধতা থেকে। মুসলমান যেমন নামাযের সময় হলে নবীজী (সাঃ)র অনুকরণে নামায পড়ে, মাহে রামাদ্বান এলে নবীজী (সাঃ)র ন্যায় রোযা রাখে, তেমনি কোন দেশ বা রাষ্ট্রের উপর দখল জমাতে পারলে সেখানে খেলাফতের আদর্শে রাষ্ট্রও গড়ে। নবীজী (সাঃ)র এ সুন্নত পালন মুসলমানদের জীবনে এক ধর্মীয় দায়ব্ধতা।নবীজী (সাঃ) নিজে রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা না করলে মুসলমানদের সামনে রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সুন্নতই থাকতো না। শরিয়ত, জিহাদ, জিজিয়া, আ’মিরু বিল মারূফ ওয়া নেহীয়ানুল মুনকার তথা ন্যায়ের প্রতিষ্ঠা ও অন্যায়ের নির্মূলের ন্যায় মহান আল্লাহতায়ালার বহু কোরআনী হুকুমই সমাজে পালিত হতো না। ফলে প্রতিষ্ঠা পেত না মহান আল্লাহতায়ালার দ্বীন। তাছাড়া নবীজী (সাঃ)র এ সুন্নতের আনুগত্য ছাড়া কি আল্লাহর হুকুম পালিত হয়? তাতে কি মুসলমান হওয়া যায়? সাহাবাগণ নিজেদের অর্থ,শ্রম,মেধা ও প্রাণ দিয়েছেন তো সে খিলাফত প্রতিষ্ঠা ও সেটিকে প্রতিরক্ষা দেয়ার কাজে। খিলাফত প্রতিষ্ঠা না পেলে খৃষ্টানদের ন্যায় মুসলমানদের সংখ্যা বাড়লেও ইসলাম পরিচিতি পেত এক অপূর্ণাঙ্গ দ্বীন রূপে।ফলে মহান আল্লাহর নির্দেশিত পথে কোথাও শান্তি প্রতিষ্ঠা পেত না। ইসলামি ন্যায়নীতির উপর সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ সভ্যতাও নির্মিত হতো না।

Last Updated on Thursday, 25 September 2014 08:41
Read more...
 
হজ্বঃ মানব সভ্যতার সর্বশ্রেষ্ঠ অনুষ্ঠান PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Sunday, 28 September 2014 08:53

হজ্ব কেন সর্বশ্রেষ্ঠ অনুষ্ঠান?

মানব সমাজে বহুবিধ ধর্ম। প্রতি ধর্মে রয়েছে ভিন্ন ভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠান। কিন্তু হজ্ব কেন সকল ধর্মের সর্বপ্রকার অনুষ্ঠান থেকে অনন্য ও শ্রেষ্ঠতর? কোন অনুষ্ঠানই শুধু ধর্মীয় হওয়ার কারণে শ্রেষ্ঠতর হয় না। সেসব অনুষ্ঠানে লক্ষ লক্ষ মানুষের জমায়েত হওয়াতেও তা কল্যাণকর বা শ্রেষ্ঠতর হয় না। উলুধ্বনি,শঙ্খা ধ্বনি, আলোক সজ্জা,আতশবাজি ও বিচিত্র বেশধারনেও ব্যক্তির জীবনে কল্যাণ আসে না। ভারতে লক্ষ লক্ষ মানুষ প্রতিবছর গঙ্গাস্নানে হাজির হয়।পাহাড়-পর্বত অতিক্রম করে বহুমানুষ মন্দিরে যায়।মুর্তির পদতলে ভেট দেয়। ক্যাথলিক খৃষ্টানদের বিশ্বাস, শিশুর জন্মই পাপ নিয়ে। তাই বাপ্টিটিজমের নামে শিশুকে গোছল দিয়ে পবিত্র করে।কিন্তু পানিতে কি পাপ দূর হয়? পরিষ্কার হয় কি চেতনা ও চরিত্রের ময়লা? পবিত্র হয় কি মন? বিপ্লব আসে কি আচরনে? চারিত্রিক বিপ্লব তো দেহ ধৌত করায় আসে না।বিচিত্র বেশধারণ বা দেব-দেবী,সাধুসন্নাসী ও ভগবানের নামে নানারূপ রূপকথা,লোককথা বা অলৌলিক কিচ্ছাকাহিনী পাঠেও আসে না।সে জন্য তো চাই এমন এক বিপ্লবী দর্শন যা মানব মনের গভীরে প্রবেশ করে এবং আঘাত হানে চিন্তা-চেতনার মূল ভূমিতে। এবং বিলুপ্ত করে ধর্ম,সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের নামে জমে উঠা অশিক্ষা, কুশিক্ষা ও কুসংস্কারের বিশাল আবর্জনাকে। এভাবেই তো পরিশুদ্ধি ও বিপ্লব আসে চেতনা ও চরিত্রে। তখন বিপ্লব আসে রাষ্ট্রজুড়ে। এভাবেই তো উচ্চতর সভ্যতা নির্মিত হয়।

Read more...
 
Comments (1)
Welcome
1 Wednesday, 01 October 2014 04:00
Dr. Samiul hAQUE

Dear Dr. Firoz


Salam. I am proud of you for continuing defending the Islamic dignity. I have posted this article in my web site by your permission. May you be shining in this world and in the resurrection day with all of your relatives, By the grace of Allah SWT, Hazrat Muhammad peace be upon you & his Ahlebait. Thanking regards. - Dr. Md. Samiul Haque, Almustafa international University, Iran.

ঈদঃ মানব সভ্যতার সর্বশ্রেষ্ঠ উৎসব PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Friday, 25 July 2014 18:37

উৎসবটি মহান আল্লাহতায়ালা-প্রদত্ত

পৃথিবীর নানা দেশে নানা ধর্মের ও নানা জাতির মানুষের মাঝে শত শত বছর ধরে চলে আসছে বিচিত্র উৎসব। কিন্তু সে সব উৎসব থেকে ঈদ যে অনন্য ও শ্রেষ্ঠতর তা নিয়ে কি সামান্যতম সন্দেহ আছে? সামান্যতম সন্দেহ চলে কি মহান আল্লাহতায়ালার হিকমত,প্রজ্ঞা ও তাঁর প্রদত্ত বিধানগুলির কল্যাণধর্মীতা নিয়ে? আল্লাহতায়ালার প্রতিটি সৃষ্টির মধ্যেই তাঁর অসীম কুদরতের পরিচয়। ধরা পড়ে মানব কল্যাণে মহান আল্লাহর মহা আয়োজন। ঈদ সর্বশ্রেষ্ঠ উৎসব হওয়ার কারণ,এটি কোন মানুষের আবিস্কৃত উৎসব নয়। এটি এসেছে মহান আল্লাহতায়ালা থেকে।মানব সভ্যতার সর্বশেষ্ঠ উৎসব হওয়ার জন্য এই একটি মাত্র কারণই যথেষ্ঠ। ঈদের সে সর্বাঙ্গ সুন্দর বিধান,সেটি যে কোন বিবেকবান ও সুস্থ্য চেতনার মানুষের চোখে ধরা পড়তে বাধ্য। আলোচ্য নিবন্ধের সেটিই আলোচ্য বিষয়। কিন্তু তা নিয়ে অবিশ্বাস থাকতে পারে একমাত্র তাদের যাদের অবিশ্বাস আল্লাহতায়ালার অস্তিত্ব, তাঁর প্রজ্ঞা ও তার অপার সৃষ্টি ক্ষমতা নিয়ে। এখানে সমস্যা তাদের অসুস্থ্য বিবেকের,ঈদ উৎসবের নয়।এমন মানসিক অসুস্থ্যতার কারণে তারা যেমন ইসলামের ইবাদতের বিধানের মধ্যে কোন শ্রেষ্ঠত্ব খুঁজে পায়না তেমনি পায়না মুসলমানদের ঈদ উৎসবের মাঝেও।

Last Updated on Friday, 25 July 2014 18:52
Read more...
 
<< Start < Prev 1 2 3 4 5 6 7 8 Next > End >>

Page 2 of 8
Dr Firoz Mahboob Kamal, Powered by Joomla!; Joomla templates by SG web hosting
Copyright © 2017 Dr Firoz Mahboob Kamal. All Rights Reserved.
Joomla! is Free Software released under the GNU/GPL License.