Home •ইসলাম

Article comments

•ইসলাম
আধ্যাত্মিক বিপ্লব কেন ও কীরূপে? PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Friday, 10 July 2015 00:36

অপরিহার্য কেন আধ্যাত্মিক বিপ্লব?

“আধ্যাত্মিকতা” বলতে আমরা কি বুঝি? কেনই বা অপরিহার্য “আধ্যাত্মিক বিপ্লব”? এবং কীরূপে সম্ভব এ বিপ্লব? এরূপ বিপ্লব না হলেই বা ক্ষতি কি? এ প্রশ্নগুলো অতি গুরুত্বপূর্ণ।এবং অতিশয় গুরুত্বপূর্ণ হলো তাদের জন্য যারা কামীয়াব হতে চায় এবং মৃত্যুর পর জান্নাত পেতে চায়। “আধ্যান” শব্দের বাংলা আভিধানিক অর্থ হলো স্মরণ বা চিন্তন।“আধ্যাত্মিক” শব্দটির মাঝে “আত্মা”র সাথে মিশ্রণ ঘটেছে “আধ্যান” শব্দের।ব্যক্তির মনে মহান আল্লাহতায়ালার স্মরণে লাগাতর ধ্যানমগ্নতাই হলো আধ্যাত্মিকতা।আরবী ভাষায় মনের এরূপ অবস্থাকে বলা হয় যিকর। যিকরের মাঝেই আত্মার পুষ্টি। পশুর জীবনে সে যিকর থাকে না বলেই সে পশু। মানুষ পশু বা তার চেয়েও নীচু পর্যায়ে পৌঁছে যদি সে যিকর ও ফিকর না থাকে।এখানে ফিকরের অর্থ হলো গভীর চিন্তাশীলতা।আরবীতে এরূপ চিন্তাশীলতা বলা হয় তাফাক্কু,তায়াক্কুল ও তাদাব্বুর। নবীজী (সাঃ) চিন্তাশীলতাকে উচ্চমানের ইবাদত বলেছেন।পবিত্র কোরআনে আ’’ফালা তাফাক্কারুন,আ’’ফালা তাদাব্বারুন,আ’’ফালা তা’ক্বীলূন বলে সে চিন্তাশীলতায় বার বার তাগিদ দেয়া হয়েছে।

Last Updated on Friday, 10 July 2015 00:48
Read more...
 
আধ্যাত্মিক বিপ্লবে রোযা PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Monday, 29 June 2015 20:04

আয়োজন সর্বশ্রেষ্ঠ প্রশিক্ষণের

আধ্যাত্মিকতার অর্থ সংসারত্যাগী বৈরাগ্য নয়,পানাহার পরিত্যাগও নয়। বরং সর্বাবস্থায় মহান আল্লাহতায়ালার স্মরণ ও পরকালে জবাবদেহীতার ভয়।স্মরণ এখানে মহান আল্লাহতায়ালার প্রতি ঈমানি দায়বদ্ধতার। ইসলামে এটিই যিকর। জবাবদেহীতা হলো নিজের আমলনামাহ নিয়ে মহান আল্লাহতায়ালার দরবারে খাড়া হওয়ার।ভয় সিরাতুল মুস্তাকীম থেকে বিচ্যুতি ও জাহান্নামের আগুণে পড়ার। এরূপ ভয়ই ব্যক্তিকে প্রতিপদে পাপাচার থেকে বাঁচায় এবং জান্নাতমুখি করে। তখন তার চথচলাটি সবসময় সিরাতুল মুস্তাকীমে হয়।মানব জীবনের এটিই সর্বশ্রেষ্ঠ অর্জন।ঈমান ও আমলের ক্ষেত্রে সর্বশ্রেষ্ঠ বিপ্লবও। এরূপ আধ্যাত্মিক বিপ্লবে রোযার ভূমিকাটি বিশাল ও অনন্য। সমগ্র মানব ইতিহাসে এটিই সর্বশ্রেষ্ঠ প্রশিক্ষণ।মাসব্যাপী এ প্রশিক্ষণের মূল আয়োজক এখানে খোদ মহান আল্লাহতায়ালা।লক্ষ্য,মানব মনে তাকওয়া বৃদ্ধি।তাকওয়ার অর্থ ভয়। মানব চরিত্রের এটিই সর্বশ্রেষ্ঠ গুণ। ভয় এখানে মহান আল্লাহতায়ালার হুকুমের বিরুদ্ধে অবাধ্যতার এবং সিরাতুল মুস্তাকীম থেকে বিচ্যুত হওয়ার। ভয়,মহান আল্লাহতায়ালার দরবারে জবাবদেহীতার।

Last Updated on Monday, 29 June 2015 20:13
Read more...
 
ঈদঃ মানব সভ্যতার সর্বশ্রেষ্ঠ উৎসব PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Friday, 25 July 2014 18:37

উৎসবটি মহান আল্লাহতায়ালা-প্রদত্ত

পৃথিবীর নানা দেশে নানা ধর্মের ও নানা জাতির মানুষের মাঝে শত শত বছর ধরে চলে আসছে বিচিত্র উৎসব। কিন্তু সে সব উৎসব থেকে ঈদ যে অনন্য ও শ্রেষ্ঠতর তা নিয়ে কি সামান্যতম সন্দেহ আছে? সামান্যতম সন্দেহ চলে কি মহান আল্লাহতায়ালার হিকমত,প্রজ্ঞা ও তাঁর প্রদত্ত বিধানগুলির কল্যাণধর্মীতা নিয়ে? আল্লাহতায়ালার প্রতিটি সৃষ্টির মধ্যেই তাঁর অসীম কুদরতের পরিচয়। ধরা পড়ে মানব কল্যাণে মহান আল্লাহর মহা আয়োজন। ঈদ সর্বশ্রেষ্ঠ উৎসব হওয়ার কারণ,এটি কোন মানুষের আবিস্কৃত উৎসব নয়। এটি এসেছে মহান আল্লাহতায়ালা থেকে।মানব সভ্যতার সর্বশেষ্ঠ উৎসব হওয়ার জন্য এই একটি মাত্র কারণই যথেষ্ঠ। ঈদের সে সর্বাঙ্গ সুন্দর বিধান,সেটি যে কোন বিবেকবান ও সুস্থ্য চেতনার মানুষের চোখে ধরা পড়তে বাধ্য। আলোচ্য নিবন্ধের সেটিই আলোচ্য বিষয়। কিন্তু তা নিয়ে অবিশ্বাস থাকতে পারে একমাত্র তাদের যাদের অবিশ্বাস আল্লাহতায়ালার অস্তিত্ব, তাঁর প্রজ্ঞা ও তার অপার সৃষ্টি ক্ষমতা নিয়ে। এখানে সমস্যা তাদের অসুস্থ্য বিবেকের,ঈদ উৎসবের নয়।এমন মানসিক অসুস্থ্যতার কারণে তারা যেমন ইসলামের ইবাদতের বিধানের মধ্যে কোন শ্রেষ্ঠত্ব খুঁজে পায়না তেমনি পায়না মুসলমানদের ঈদ উৎসবের মাঝেও।

Last Updated on Friday, 25 July 2014 18:52
Read more...
 
খেলাফত প্রতিষ্ঠার জিহাদ ও সাম্রাজ্যবাদি শক্তির কোয়ালিশন PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Monday, 22 September 2014 17:10

নতুন সম্ভাবনার পথে

ইসলামের সর্বশেষ নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) শুধু পবিত্র কোরআনের প্রচারই করেননি বরং কোরআনী বিধানগুলির প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে একটি শক্তিশালী রাষ্ট্র এবং সে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি ও মজবুত অবকাঠামোও প্রতিষ্ঠা করে যান। সে রাষ্ট্রীয় অবকাঠামোটিই পরবর্তীতে তাঁর মহান সাহাবীদের হাতে খেলাফত নামে পৃথিবীর বিশাল ভূখন্ড জুড়ে প্রতিষ্ঠা পায়।খোলাফায়ে রাশেদার শাসকগণ ছিলেন মূলত নবীজী (সাঃ)র প্রতিষ্ঠিত রাষ্ট্র পরিচালনায় নবীজী (সাঃ)র রাজনৈতীক ও আধ্যাত্মীক প্রতিনিধি তথা খলিফা।খেলাফতী রাষ্ট্রীয় পদ্ধতির উদ্ভব হয়েছে তাই নবীজীর প্রতিনিধিত্বের দায়বদ্ধতা থেকে। মুসলমান যেমন নামাযের সময় হলে নবীজী (সাঃ)র অনুকরণে নামায পড়ে, মাহে রামাদ্বান এলে নবীজী (সাঃ)র ন্যায় রোযা রাখে, তেমনি কোন দেশ বা রাষ্ট্রের উপর দখল জমাতে পারলে সেখানে খেলাফতের আদর্শে রাষ্ট্রও গড়ে। নবীজী (সাঃ)র এ সুন্নত পালন মুসলমানদের জীবনে এক ধর্মীয় দায়ব্ধতা।নবীজী (সাঃ) নিজে রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা না করলে মুসলমানদের সামনে রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সুন্নতই থাকতো না। শরিয়ত, জিহাদ, জিজিয়া, আ’মিরু বিল মারূফ ওয়া নেহীয়ানুল মুনকার তথা ন্যায়ের প্রতিষ্ঠা ও অন্যায়ের নির্মূলের ন্যায় মহান আল্লাহতায়ালার বহু কোরআনী হুকুমই সমাজে পালিত হতো না। ফলে প্রতিষ্ঠা পেত না মহান আল্লাহতায়ালার দ্বীন। তাছাড়া নবীজী (সাঃ)র এ সুন্নতের আনুগত্য ছাড়া কি আল্লাহর হুকুম পালিত হয়? তাতে কি মুসলমান হওয়া যায়? সাহাবাগণ নিজেদের অর্থ,শ্রম,মেধা ও প্রাণ দিয়েছেন তো সে খিলাফত প্রতিষ্ঠা ও সেটিকে প্রতিরক্ষা দেয়ার কাজে। খিলাফত প্রতিষ্ঠা না পেলে খৃষ্টানদের ন্যায় মুসলমানদের সংখ্যা বাড়লেও ইসলাম পরিচিতি পেত এক অপূর্ণাঙ্গ দ্বীন রূপে।ফলে মহান আল্লাহর নির্দেশিত পথে কোথাও শান্তি প্রতিষ্ঠা পেত না। ইসলামি ন্যায়নীতির উপর সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ সভ্যতাও নির্মিত হতো না।

Last Updated on Thursday, 25 September 2014 08:41
Read more...
 
হিযবুল্লাহ ও হিযবুশ্শায়তান চতুর্থ পর্ব PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Sunday, 06 July 2014 13:19

যুদ্ধ আল্লাহতায়ালার বিরুদ্ধে

লাগাতর যুদ্ধাবস্থা প্রতিটি মুসলিম দেশে। কোথাও সেটি রক্তঝরা প্রাণনাশী যুদ্ধ। কোথাও বা সেটি আত্মবিনাশী ও ঈমানবিনাশী স্নায়ুযুদ্ধ বা কোল্ড ওয়ার। কোথাও বা একত্রে চলছে উভয় যুদ্ধই। প্রতিটি মুসলিম জনপদই এখন রণাঙ্গন। ফলে শুধু রক্তই ঝরছে না,অবিরাম ঈমানও ঝরছে। প্রাণনাশে ব্যবহৃত হচ্ছে বন্দুক,গোলা-বারুদ,ট্যাংক,বোমারু বিমান,হেলিকপ্টার গানশিপ,মিজাইল ও ড্রোন।আর আত্মনাশ ও ঈমাননাশে ব্যবহৃত হচ্ছে শিক্ষাব্যবস্থা,প্রচার ব্যবস্থা ও সংস্কৃতি। ঈমানধ্বংসী শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে কাজ করছে মুসলিম দেশগুলির হাজার হাজার স্কুল-কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়। ব্যবহৃত হচ্ছে বই-পুস্তক,পত্র-পত্রিকা ও রেডিও-টিলিভিশন।ফলে অবিরাম এ মিথ্যাচার অসম্ভব করছে পরিপূর্ণ ঈমান নিয়ে বেড়ে উঠা। ইরাক,সিরিয়া,ইয়েমেন,সোমালিয়া,আফগানিস্তান,মালি,নাইরিজিয়া,মধ্য আফ্রিকায় চলছে রক্তঝরা যুদ্ধ। এবং শীতল যুদ্ধ বা কোল্ড ওয়ার থেকে মুক্ত নয় কোন মুসলিম দেশই। যদিও এ উভয় যুদ্ধের যোদ্ধারা মুসলিম নামধারি,তবে তাদের এ যুদ্ধ কোন আগ্রাসী অমুসলিম শক্তির বিরুদ্ধে নয়। যুদ্ধের লক্ষ্য কোন বিদেশী কাফের শত্রুর সামরিক বা সাংস্কৃতিক দখলদারি থেকে মুক্তিলাভও নয়। বরং যুদ্ধ এখানে খোদ মহান আল্লাহতায়ালার বিরুদ্ধে। লক্ষ্য,মহান আল্লাহতায়ালার শরিয়তি বিধানকে পরাজিত রাখা। লক্ষ্য,খেলাফতের প্রতিষ্ঠা রোধ। লক্ষ্য,মুসলিম উম্মাহর মাঝে বিভক্তির দেয়াল ভাঙ্গার কাজকে প্রতিহত করা। এবং যারা আল্লাহর পথে জিহাদ নিয়ে বাঁচতে চায় এবং শরিয়তের প্রতিষ্ঠা চায় তাদের নির্মূল।

Last Updated on Monday, 07 July 2014 20:02
Read more...
 
<< Start < Prev 1 2 3 4 5 6 7 8 Next > End >>

Page 2 of 8
Dr Firoz Mahboob Kamal, Powered by Joomla!; Joomla templates by SG web hosting
Copyright © 2018 Dr Firoz Mahboob Kamal. All Rights Reserved.
Joomla! is Free Software released under the GNU/GPL License.