Home •শিক্ষা ও প্রচার মাধ্যম

Article comments

•শিক্ষা ও প্রচার মাধ্যম
অশিক্ষা ও কুশিক্ষার নাশকতা (ষষ্ঠ পর্ব) PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Monday, 30 April 2018 00:32

অজ্ঞতা ইসলামের এজেন্ডা ও অবদান নিয়ে

শিক্ষাঙ্গণে মুসলিমদের ব্যর্থতা স্রেফ বিজ্ঞানের জ্ঞানে নয়, প্রচণ্ড ব্যর্থতা ইসলামের মূল এজেন্ডা ও মানব কল্যাণে মুসলিমদের শ্রেষ্ঠ অবদানগুলি জানাতেও। এ অজ্ঞতার জন্ম মুর্খদের বস্তিতে নয়, বরং মুসলিম দেশগুলির স্কুল, কলেজ, ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে। বিস্ময়ের বিষয়, মুসলিম বিশ্ব জুড়ে কয়েক লক্ষ স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও বিশ্ববিদ্যালয় সত্ত্বেও সে অজ্ঞতা দূর না হয়ে বরং দিন দিন গভীরতর হচ্ছে। এরই ফলে নবীজী (সাঃ)র যুগের ইসলাম অপরিচিত শুধু অমুসলিমদের কাছে নয়, অপরিচিত রয়ে গেছে খোদ মুসলিমদের কাছেও। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি ব্যবহৃত হচ্ছে ইসলাম ও মুসলিম প্রসঙ্গে অকথ্য মিথ্যার প্রচার ও পরিচর্যা দেয়ার কাজে। মিথ্যার জোয়ারে ইসলামের মূল শিক্ষাগুলো এতটাই বিলুপ্ত হয়েছে যে, নবীজী (সাঃ)র আমলের পূর্ণাঙ্গ ইসলাম ৫৭টি মুসলিম দেশের কোথাও বেঁচে নাই। মুসলিমগণ বেঁচে আছে এক বিকৃত ও অপূর্ণাঙ্গ ইসলাম নিয়ে যাতে শরিয়ত, হুদুদ, কেসাস, খেলাফত, মুসলমি ঐক্য ও শুরার ন্যায় মহান আল্লাহতায়ালা কর্তৃক  ফরজকৃত বিধানের কোন স্থান নেই। মিথ্যার স্রোতে ভাসার কারণে এমন কি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও  ডিগ্রিধারীগণও ভূল করে ইসলামের মূল এজেন্ডা ও মানব জাতির কল্যাণে মুসলিমদের শ্রেষ্ঠ অবদানগুলো বুঝতে। তাদের কাছে ইসলামের শ্রেষ্ঠ অবদান গণ্য হয় মুসলিম স্থাপত্য, অংক শাস্ত্র, ভূগোল শাস্ত্র, এ্যালজ্যাবরা, জ্যামিতিক শাস্ত্র, রসায়ন বিজ্ঞান, সমাজ বিজ্ঞান, চিকিৎসা বিজ্ঞান, সিভিল ইঞ্জিনীয়ারিং, ও জ্যোতিষ শাস্ত্রের ন্যায় নানা শাখায় অবদান। শ্রেষ্ঠ কর্ম গণ্য হয়, তাজমহল, আলহামরার ন্যায় অসংখ্য প্রাসাদ, দুর্গ ও মসজিদগুলি। অথচ মুসলিমদের মূল অবদানের কাছে এ অবদানগুলি অতি তুচ্ছ মাত্র।

Read more...
 
অশিক্ষা ও কুশিক্ষার নাশকতা (পঞ্চম পর্ব) PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Sunday, 15 April 2018 09:48

শুরুটি শিক্ষাঙ্গণে

মানুষ কেন পানাহার করে –তা নিয়ে কারো দ্বিমত নেই। এর গুরুত্ব বুঝার জন্য কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিগ্রি নেয়ার প্রয়োজন নেই; নিরক্ষরগণও সেটি বুঝে। এমন কি পশুও বুঝে। কারণ পানাহারের সাথে বাঁচা-মরার সম্পর্ক। কিন্তু কেন পড়বো, কেন শিখবো, কি শিখবো এবং কতটা শিখবো -তা নিয়ে বিভেদ প্রচুর। কারণ, জ্ঞানার্জনের এ বিষয়টি সম্পৃক্ত বাঁচার সাথে নয়, বরং ‘কেন বাঁচবো’ এবং ‘কীরূপে বাঁচবো’ সে বিষয়টির সাথে। ‘কেন বাঁচবো’ এবং ‘কীরূপে বাঁচবো’ -সে বিষয়ে সবার ধারণা যেহেতু এক নয়, ফলে ভিন্নতা আসে শিক্ষার উদ্দেশ্য ও বিষয় নিয়ে। আমরা সবাই একই উদ্দেশ্যে পানাহার করি বটে; কিন্তু সবাই একই উদ্দেশ্যে ও একই ভাবে বাঁচি না। বাঁচার উদ্দেশ্য ও ধরণ জনে জনে ভিন্ন হওয়ার কারণে জ্ঞানার্জনের উদ্দেশ্যটিও ভিন্নতর হয়। ঈমানদার ও সেক্যুলারিস্টদের মাঝে শিক্ষা নিয়ে বিরোধটি এজন্যই অতি বিশাল। সেক্যুলারিস্টদের শিক্ষানীতিতে যেমন ঈমান বাঁচেনা, তেমনি ঈমানদারদের শিক্ষানীতিতে পুষ্টি পায় না সেক্যুলারিস্টদের চেতনা। তাই উভয়ের বাঁচা-মরার লড়াইটি স্রেফ রাজনীতির অঙ্গণে সীমিত নয়, তার চেয়েও গুরুতর ও চুড়ান্ত লড়াইটি হয় শিক্ষাঙ্গণে। শিক্ষাঙ্গণের লড়াইয়ে পরাজিত হলে অনিবার্য হয় রাজনৈতীক পরাজয়। এজন্যই বাংলাদেশসহ সকল মুসলিম দেশের সেক্যুলিরস্টগণ শিক্ষাঙ্গণের উপর থেকে তাদের দখলদারি ছাড়তে রাজি নয়। তারা নানা দলে বিভক্ত হলেও শিক্ষাঙ্গণে কোরআন-হাদীসের পাঠদান বন্ধে তাদের অটুট কোয়ালিশনটি আন্তর্জাতিক কাফের শক্তির সাথে।

Last Updated on Sunday, 15 April 2018 09:56
Read more...
 
অশিক্ষা ও কুশিক্ষার নাশকতা (তৃতীয় পর্ব) PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Sunday, 25 March 2018 09:59

শিক্ষানীতিঃ ইসলামের ও ইসলামের শত্রুশক্তির

দেশের শিক্ষানীতিতেই প্রকাশ পায় সেদেশের শাসক চক্রের রাজনৈতীক এজেন্ডা। একটি দেশ ভবিষ্যতে কোথায় পৌঁছবে এবং সে দেশের জনগণই বা কীরূপ চেতনা ও চরিত্র নিয়ে বেড়ে উঠবে -সেটি শিল্পনীতি, কৃষিনীতি, ব্যবসা-বাণিজ্য বা প্রতিরক্ষা নীতিতে ধরা পড়ে না। বিষয়টি নির্ভূল ভাবে ধরা পড়ে দেশের শিক্ষানীতি থেকে। আজকে মুসলিম বিশ্ব যেরূপ বিভক্ত মানচিত্র, ভাতৃঘাতি যু্দ্ধ, বিদেশীদের অধিকৃতি, নৃশংস গণহত্যা, শহরের পর শহর ধ্বংস ও উদ্বাস্তুকরণ প্রক্রিয়ার শিকার তার শুরুটি আজ হয়নি। পরাজয়, অপমান ও ধ্বংসের পথে এ যাত্রাটির শুরু বহু আগে থেকেই। সেটি বেগবান হয়েছে ঔপনিবেশিক শক্তির হাতে অধিকৃত হওয়ার পর। কাফেরদের হাতে অধিকৃতির ভয়ানক কুফলটি শুধু রাজনৈতিক গোলামী ও অর্থনৈতিক শোষন নয়, বরং তাতে অসম্ভব হয় মুসলিমদের মুসলিম রূপে বেড়ে উঠা। গাড়ীর দু’টি চাকার ন্যায় শাসক শক্তির রাজনৈতিক এজেন্ডা ও শিক্ষানীতি সব সময়ই একত্রে চলে। ফলে যখনই কোন দেশ ঔপনিবেশিক শত্রুশক্তির হাতে অধিকৃত হয়, তখন সে দেশের শিক্ষানীতি দখলদার শক্তির আদর্শিক, রাজনৈতিক ও নৈতিক নাশকতামূলক স্ট্রাটেজী থেকে মুক্ত থাকে না। তখন স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলির মূল লক্ষ্য হয় দখলদার বিদেশী শাসনের সেবাদাস সৃষ্টি। দখলদার শক্তি নিজেদের সেনাবাহিনী, পুলিশ বাহিনী ও প্রশাসনিক দফতরে লোকবল পায় শিক্ষালয় কেন্দ্র থেকে। বিদ্যাশিক্ষা এভাবে ছাত্রদের স্বাধীনতা বিরোধী, ধর্মবিরোধী, নৈতিকতা বিরোধী অপরাধী এবং জাহান্নামের উপযোগী করে গড়ে তোলে। ভারতের বুকে ব্রিটিশদের হাতে প্রণীত শিক্ষানীতি তো সেটিই করেছে। ভারতের বুকে সাম্রাজ্যবাদী শাসন বাঁচাতে যে লক্ষ লক্ষ ভারতীয় নাগরিক দখলদার ব্রিটিশের প্রশাসন, সেনাবাহিনী ও পুলিশ বিভাগে কাজ করেছে এবং তাদের পক্ষে দু’টি বিশ্বযুদ্ধে প্রাণ দিয়েছে -তারা তো সৃষ্টি হয়েছে ব্রিটিশদের প্রতিষ্ঠিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি থেকেই। মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকায় ব্রিটিশ শাসনের সম্প্রসারণেও এরা যুদ্ধ করেছে এবং হতাহত হয়েছে। এভাবে প্রমাণিত করে, স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ব্যর্থ হয়েছে তাদের মাঝে ধর্মপ্রেম, দেশপ্রেম ও নৈতীকতার জন্ম দিতে। এবং ব্যর্থ হয়েছে ছাত্রদের গুরুতর অপরাধ কর্ম থেকে বাঁচাতে। তৎকালে ঔপনিবেশিক ব্রিটিশদের প্রণীত শিক্ষা বর্জনের পিছনে ধর্মপ্রাণ মুসলিমদের মূল যুক্তিটি ছিল শিক্ষানীতির এরূপ ঈমান, নৈতিকতা ও দেশপ্রেম বিধ্বংসী ব্যাপক নাশকতা। যে শিক্ষা সন্তানদের জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচাতে পারে সে শিক্ষায় কি কোন ঈমানদারের আগ্রহ  থাকতে পারে?

Read more...
 
অশিক্ষা ও কুশিক্ষার নাশকতা (চতুর্থ পর্ব) PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Sunday, 01 April 2018 06:46

শিক্ষাঙ্গণঃ বধ্যভূমি ঈমানের

মহান আল্লাহতায়ালার পক্ষ থেকে যে জ্ঞান সরাসরি মানুষকে দেয়া হয় সেটিই হলো ওহীর জ্ঞান সে জ্ঞানই লিপিবদ্ধ করা হয়েছে পবিত্র কোরআনে পূর্বে সে জ্ঞান দেয়া হয়েছিল তাওরাত, ইঞ্জিল ও যব্বুরে চারটি আসমানি কিতাবের বাইরেও ওহীর জ্ঞান লাগাতর দেয়া হয়েছে লক্ষাধিক নবী-রাসূলের মাধ্যমে সেটি মানব সৃষ্টির শুরু থেকেই তাই হযরত আদম (আঃ) শুধু প্রথম মানবই নন, প্রথম নবীও কারণ, মানব রূপে বেড়ে উঠার জন্য স্রেফ দেহ জরুরী নয়, অপরিহার্য হলো ওহীর জ্ঞান মানবজাতির জন্য মহান আল্লাহতায়ালার পক্ষ থেকে এ জ্ঞানই হলো সর্বশ্রেষ্ঠ দান পানাহার পশুপাখিও পায়; কিন্তু মানুষজাতির জন্য করুণাময় স্রষ্টার অতি বিশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ রহমত হলো ওহীর জ্ঞান মানুষ সর্বশ্রেষ্ঠ সৃষ্টিতে পরিণত হয় সে ওহীর জ্ঞানে, দৈহিক বল বা সৌন্দর্যে নয় এ জ্ঞানের বলেই মানুষ নিজেকে জান্নাতের উপযোগী করে গড়ে তোলে নইলে মানব সন্তান শুধু পশু নয়, পশুর চেয়েও নিকৃষ্টতর জীবে পরিণত হয় পশু জগতে গণনিধন নাই, জাতি বা প্রজাতি নির্মূল নাই, সমকামিতাও নাই অথচ পশু থেকেও যারা নীচে নামে তাদের জীবনে শুধু এরূপ পাপাচারই থাকে না, তার চেয়েও জঘন্য অপরাধ প্রবনতা থাকে মানুষ সে ইতর স্তরটিতে পৌঁছে দৈহিক পঙ্গুত্বের কারণে নয়, সেটি ঘটে অসুস্থ্য বা মৃত ঈমানের কারণে এবং ঈমান অসুস্থ্য হয় বা মারা পড়ে পানাহারে কমতিতে নয়, বরং ওহীর জ্ঞান না থাকাতে প্রতিটি মানবের উপর তাই সবচেয়ে বড় দায়ভারটি স্রেফ ঘরবাঁধা ও পানাহার সংগ্রহ নয়; সেটি হলো, ওহীর জ্ঞানে নিজে আলোকিত হওয়া, সে সাথে অন্যদেরকেও আলোকিত করা একমাত্র সে আলোতেই সম্ভব সিরাতুল মুস্তাকীমে চলা ও উচ্চতর সভ্যতার নির্মাণ

Last Updated on Tuesday, 03 April 2018 05:51
Read more...
 
অশিক্ষাl ও কুশিক্ষার নাশকতা (দ্বিতীয় পর্ব) PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Tuesday, 06 March 2018 19:37

মানব যে কারণে পশুর চেয়েও নিকৃষ্ট হয়

হৃৎপিন্ডের ক্রিয়া বন্ধ হলে দেহের মৃত্যু ঘটে। সুশিক্ষা না পেলে তেমনি মৃত্যু ঘটে মানবতা ও ঈমানের। অশিক্ষিত ও কুশিক্ষিত সে ব্যক্তিটি তখন শুধু দেহ নিয়ে বাঁচে। এবং দেহকে মোটাতাজা করে ও দিবারাত্র কাজে লাগায় পশুর ন্যায় জৈবীক তাড়না মেটাতে। পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহতায়ালা এদেরকে শুধু পশু নয়, পশুর চেয়েও নিকৃষ্টতর বলেছেন। আরো বলেছেন, এরা চোখ থাকলেও দেখে না, কান থাকলেও শুনে না এবং মগজ থাকলেও ভাবে না। বলা হয়েছে, এরাই হলো সর্বনিকৃষ্ট জীব। এসব মনুষ্য জীবেরা বন্য পশুর চেয়েও যে কতটা বর্বর ও হিংস্রতর হতে পারে -ইতিহাসে সে প্রমাণ প্রচুর। দুটি বিশ্বযুদ্ধে এরাই সাড়ে সাত কোটি মানুষকে হত্যা করেছে। ধ্বংস করেছ হাজার হাজার নগর-বন্দর, লক্ষ লক্ষ ঘরাড়ি এবং অসংখ্য কলকারখানা, রাস্তাঘাট ও দোকানপাট। দু’টি শহরের উপর নিক্ষেপ করেছে পারমানবিক বোমা। মানবরূপী এমন জীবদের হাতে কোন দেশ অধিকৃত হলে সেদেশ রেকর্ড গড়ে দুর্বৃ্‌ত্তি, সন্ত্রাস, ডাকাতি, হত্যা, গণহত্যা, অশ্লীলতা, ধর্ষণ ও বর্বর স্বৈরাচারে। পৃথিবীর নানা দেশে এরূপ জীবদের হাতেই পুঁজিবাদ, সাম্রাজ্যবাদ, উপনিবেশবাদ, বর্ণবাদ, ফ্যাসিবাদ, স্বৈরতন্ত্র, জাতিয়তাবাদ ও কম্যুনিজমের ন্যায় নানারূপ হিংস্র মতবাদের প্রতিষ্ঠা ও বীভৎস নাশকতা ঘটেছে। আজও আফগানিস্তান, ইরাক, সিরিয়া, ফিলিস্তিন, ইয়েমেন, কাশ্মির ও আরাকানে যেরূপ ধ্বংসযজ্ঞ ও গণহত্যা চলছে, সেটি কোন বন্যপশু, সুনামী, ভূমিকম্প ও রোগ-জীবাণুর কারণে নয়। ডোনাল্ড ট্রাম্প, পুটিন, বাশার আল আসাদ, জেনারেল সিসি, নরেন্দ্র মোদী, ও অঙ সাঙ সুকির ন্যায় মানবরূপী যে অসংখ্য দানবগণ দেশে দেশে অধিকৃতি জমিয়েছে –এরূপ বীভৎস নাশকতার নায়ক তো তারাই। তাদের কারণে সন্ত্রাস আজ আর স্রেফ খুনি ও ডাকাতদের পেশা নয়; সেটি বরং এসব দানব-অধিকৃত রাষ্ট্রের রাষ্ট্রীয় নীতি। ফলে সন্ত্রাস এখন ভয়ানক আন্তর্জাতিক যুদ্ধের রূপ নিয়েছে। তাদের সন্ত্রাসটি তাদের বিরুদ্ধেও যারা ইসলামের  প্রতিষ্ঠা নিয়ে ময়দানে নামে; এবং সেটি বিশ্বের যে কোন প্রান্তে।

Last Updated on Saturday, 10 March 2018 23:14
Read more...
 
<< Start < Prev 1 2 3 4 Next > End >>

Page 1 of 4
Dr Firoz Mahboob Kamal, Powered by Joomla!; Joomla templates by SG web hosting
Copyright © 2018 Dr Firoz Mahboob Kamal. All Rights Reserved.
Joomla! is Free Software released under the GNU/GPL License.