Home •শিক্ষা ও প্রচার মাধ্যম

Article comments

•শিক্ষা ও প্রচার মাধ্যম
যে শিক্ষা জাতিকে শিক্ষিত করতে ব্যর্থ হচ্ছে PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Saturday, 01 January 2011 18:23

শিক্ষার লক্ষ্য নিছক স্বাক্ষর-জ্ঞান বা পড়ালেখার সামর্থ বৃদ্ধি নয়। তথ্য ও তত্ত্ব জানানোও নয়। বিজ্ঞান বা কারগরি জ্ঞানে দক্ষ করাও নয়। বরং সেটি হলো ব্যক্তির ঘুমন্ত বিবেককে জাগ্রত করা। তাকে মানবিক গুণে বেড়ে উঠতে সাহায্য করা। তখন ব্যক্তির বিশ্বাস, দর্শন ও রুচীবোধই শুধু পাল্টে যায় না, পাল্টে যায় তার কর্মকান্ড, আচার-আচরণ ও চিরায়ত অভ্যাস। অসভ্য ও অসুন্দর মানুষ থেকে শিক্ষিত মানুষ তখন ভিন্নতর মানুষে পরিণত হয়। শিক্ষার মাধ্যমে জাতি এ ভাবেই পায় পরিশীলিত, সভ্য ও সুন্দর চরিত্রের মানুষ। কিন্তু বাংলাদেশ তাই পায়নি। এ ব্যর্থতা গলাবাজি করে ঢাকা যাবে না। দেশজুড়ে সন্ত্রাস, অরাজকতা ও দূর্নীতিতে দেশটির বিশ্বে প্রথম অবস্থান যে সত্যটি চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেয় সেটি হলো, দেশের শিক্ষাব্যবস্থা জাতিকে শিক্ষিত করতেই ব্যর্থ হচ্ছে। তথাকথিত এ শিক্ষা শুধু দূর্নীতিই বাড়ায়নি, বাড়িয়েছে পরনির্ভরতাও। মেরুদন্ড গড়ার বদলে সেটিকে বরং পঙ্গু করছে। ব্যক্তির নিজেকে জানতেও এটি তেমন সাহায্য করছে না।

Read more...
 
বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থায় মূল সমস্যাটি কোথায়? PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Saturday, 01 January 2011 18:08

দেশের শিক্ষাব্যবস্থার সফলতা ও বিফলতার মূল্যায়নে যেটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সেটি ছাত্র, শিক্ষক বা শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানর সংখ্যা নয়। কত বছর বা বছরে কত ঘন্টা ছাত্রকে শিক্ষা দেওয়া হয় সেটিও নয়। পিএইচডি বা সর্বোচ্চ ডিগ্রি নিয়ে কতজন বের হলো সেটিও শিক্ষার মাপকাঠি নয়। বরং গুরুত্বপূর্ণ হলো, জাতির নৈতীক মেরুদন্ড কতটা মজবুত হলো, মানবিক, অর্থনৈতিক বা সামরিক দিক দিয়ে জাতি কতটা সামনে এগুলো সেটি। এক্ষেত্রে ব্যর্থতা বাড়লে নিছক ছাত্র, শিক্ষক ও শিক্ষা-প্রতিষ্ঠান বৃদ্ধি পাওয়াতে দেশের কল্যান বাড়ে না। একজন বদ-আখলাক দুর্বৃত্তকে দেখে নিশ্চিত বলা যায়,সে সুশিক্ষা পায়নি। ভাল বিদ্যালয়,ভাল শিক্ষক ও ভাল বইয়ের সাহচর্য সে পায়নি। তেমনি কোন দেশ যখন দুর্বৃত্তিতে বার বার বিশ্বরেকর্ড গড়ে তখন কি বুঝতে বাঁকি থাকে, দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় গলদ কত গভীর? দুর্বৃত্তিতে এরূপ বিশ্ব রেকর্ড বাংলাদেশ একবার নয়,৫ বার গড়েছে। শিক্ষালয়েই নির্মিত হয় জাতির নৈতীক মেরুদন্ড। ছাত্ররা পায় উচ্চতর আখলাক। পায় আজীবন জ্ঞানার্জনের প্রেরণা। এখানে থেকেই জাতি পায় বেঁচে থাকার শক্তি। নির্মিত হয় জাতির মন, মনন ও সংস্কৃতি। তাই নিছক ক্ষেতে-খামারে ও কল-কারখানায় উৎপাদন বাড়ালে জাতি বাঁচে না, এজন্য বিদ্যাচর্চাও বাড়াতে হয়। বিবেক বা আত্মার পুষ্টির জন্য এটি অপরিহার্য। নইলে দেহ নিয়ে বেঁচে থাকাটি সম্ভব হলেও অসম্ভব হয় মানুষ রূপে বাঁচাটি।

Last Updated on Sunday, 13 October 2013 13:32
Read more...
 
বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থা এত ব্যর্থ কেন? PDF Print E-mail

কোরআনে বলা হয়েছেঃ “ইয়া আইয়োহাল্লাযীনা আমিনূ ইন্‌ তানছুরুকুম আল্লাহা ইয়ানছুরুকুম ওয়া ইউছাব্বিত আকদামাকুম।” (সুরা মুহাম্মদ আয়াত ৭) অর্থঃ হে ঈমানদারগণ! তোমরা যদি আল্লাহকে সাহায্য কর তবে আল্লাহ তোমাদেরকে সাহায্য করবেন। এবং তোমাদের পদযুগলকে জমিনের উপর মজবুত করে দিবেন। আল্লাহর সাহায্যকারীর হওয়ার অর্থ কি শুধু নামায-রোযা, হজ্ব-যাকাত পালন করা? নবীজীর (সাঃ) জীবন থেকে আমরা কি সে শিক্ষা পাই? বরং,সেটি হলো, তাঁর দ্বীন ও শরিয়তকে দুনিয়ায় বিজয়ী করার কাজে সাহায্য করা। সাহায্য করা সমাজকে কুফরিমুক্ত করার কাজে। নবীজী (সাঃ) ও তার সাহাবীগণ একাজে যুদ্ধ করেছেন এবং বহু সাহাবী শহীদও হয়েছেন। আল্লাহকে এভাবে সাহায্য করার মাধ্যমে মুসলমান পেতে পারে আল্লাহর পক্ষ থেকে বিজয়। এটি তাঁর পবিত্র প্রতিশ্রুতি।

Read more...
 
যে শিক্ষা বিপর্যয় আনে PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Saturday, 29 August 2009 23:55

শিক্ষাই সমৃদ্ধির চাবি। নিঃস্বের এটিই একমাত্র পূঁজি। ব্যক্তি ও জাতির ভাগ্য-পরিবর্তনে এটিই শ্রেষ্ঠ ও সহজতর পথ। শিক্ষা এজন্যই জাতির মেরুদন্ড। কিন্তু কি বিজ্ঞান ও ব্যবসা-বাণিজ্য, কি অর্থনীতি ও রাজনীতি, কি সাহিত্য ও সংস্কৃতি, কি নীতি ও নৈতিকতা -সর্বক্ষেত্রে বাংলাদেশের যে দুর্গতি –তাতে বিষয়টি কি আর অস্পষ্ট থাকে যে ব্যক্তি ও জাতীয় উন্নয়নের ক্ষেত্রে এ শিক্ষা ব্যবস্থা তেমন অবদানই রাখেনি? পুষ্টিহীন আহারেও মানুষ কিছুকাল বাঁচে! তবে বাঁচাটা তাতে সুখের হয় না। নানা রোগে জর্জরিত হয় তখন সে বাঁচা। এমন বাঁচার মধ্যে সম্মান নেই, সুখবোধ নেই, গৌরবও নেই। অশিক্ষা নিয়ে বাঁচাটিও তেমনি অগৌরব, অসম্মান ও দুর্গতির। পরিবার, সমাজ বা রাষ্ট্রের কল্যাণে কিছু করাতো দূরে থাক এমন অশিক্ষিত ব্যক্তির জীবনও হয়ে পরে পরনির্ভর। এ কারণেই সুখ, সম্মান আর গৌরবের হয়ে উঠেনি আমাদের জাতি হিসাবে বাঁচাটাও। মহান আল্লাহর পনেরো কোটি শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি তথা আশরাফুল মাখলুকাতের বাস এদেশটিতে।

Last Updated on Saturday, 01 January 2011 13:49
Read more...
 
বিলেতের বাংলা পত্রিকা PDF Print E-mail
Thursday, 16 October 2008 09:57

একটি জনগোষ্ঠি কতটা জীবন্ত, কতটা উন্নত বা কতটা সৃষ্টিশীল সেটির সবচেয়ে নির্ভূল পরিচয় ফুটে উঠে সে জনগোষ্ঠির মিডিয়া বা পত্রিকায়। বাজারের থলির দিকে তাকিয়েই বলা যায় সে পরিবারের লোকেরা কি খায় এবং কি তাদের রুচি। থলিতে কেনা সামগ্রীর মান ও পরিমাণ দেখেই বুঝা যায় সে পরিবারের সদস্যদের শারীরিক সুস্থ্যতার মান। তেমনি একটি জনগোষ্ঠির মানসিক চাহিদা ও পুষ্টির পরিচয় মেলে তারা কি পড়ে বা সে এলাকার পত্রিকার কি ছাপা হয় সেটি দেখে। একটি জাতির শিক্ষা, সংস্কৃতি ও দর্শনের প্রতিবিম্ব হলো এটি। সমাজের সাধারণ মানুষেরা যা চায়, শিক্ষিত জনেরা যা ভাবে বা রাজনৈতিক ও সমাজকর্মীদের যা এজেন্ডা সেটিই ফুঠে উঠে মিডিয়ায়। তাই একই সমাজে বা একই দেশে বাস করেও দুটি ভিন্ন ধারার ও ভিন্নমানের জনগোষ্ঠির মিডিয়ার লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও মান কখনই এক হয় না। কারণ তাদের মানসিক গঠনই এক নয়। শুধু প্রকাশিত খবর, সম্পাদকীয় বা নিবন্ধগুলিতেই নয়, সে পার্থক্য ধরা পরে এমনকি পত্রিকার বিজ্ঞাপণেও। ফলে বোধগম্য কারণেই সে পার্থক্যগুলী অতিশয় প্রকট বিলেতের বাংলা পত্রিকাগুলি ও এদেশের ইংরেজী পত্রিকার মাঝে। পত্রিকা একটি সমাজের অতিশয় গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান। এটি ছাড়া একটি আধুনিক সমাজকে সামনে এগিয়ে নেওয়া অসম্ভব। সম্ভব নয় সাধারণ মানুষের চিন্তা চেতনায় পরিবর্তন সাধন। মিডিয়া শুধু খবরই পরিবেশন করে না, বরং খবরের পিছনে যে প্রেক্ষাপট থাকে সেটির বিশ্লেষণও করে। সমাজের অনেক অপ্রকাশিত বিষয়কে সামনে নিয়ে আসে। সমাজের সমস্যাগুলো কি, সমাধানই বা কি - সেগুলো সাধারণ মানুষের সামনে তুলে ধরে। এ নিয়ে মানুষকে আন্দোলিত করে, সংঘবদ্ধ করে এবং সেগুলিকে রাজনৈতিক ও সামাজিক এজেন্ডায় পরিণত করে। তাই যে সমাজে পত্রিকা নেই সে সমাজে সমাজ পরিবর্তনের লক্ষ্যে আন্দোলন নেই, রাজনৈতিক পরিবর্তনও নেই। একারণেই মিডিয়াহীন প্রাচীন সমাজে শত শত বছরের স্বৈরাচারি বর্বর রাজতন্ত্রও সম্ভব হয়েছে। বস্তুতঃ বিগত পঞ্চাশ বছরে জ্ঞানবিজ্ঞানে যে বিপ্লব এসেছে তা মানব ইতিহাসের বাকি বহু হাজার বছরেও হয়নি। এর কারণ পত্র-পত্রিকা বা মিডিয়া। মিডিয়া বা পত্রিকা শিক্ষাকে বিদ্যালয়ের শ্রেণীকক্ষ থেকে ঘরের দুয়ারে নিয়ে গেছে। (বিস্তারিত)

 
<< Start < Prev 1 2 3 Next > End >>

Page 2 of 3
Dr Firoz Mahboob Kamal, Powered by Joomla!; Joomla templates by SG web hosting
Copyright © 2017 Dr Firoz Mahboob Kamal. All Rights Reserved.
Joomla! is Free Software released under the GNU/GPL License.