Home •বাংলাদেশ
•বাংলাদেশ
বাংলাদেশে সন্ত্রাসী স্বৈরাচারিদের অপরাধনামা PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Wednesday, 10 December 2014 23:29

একা নয় সন্ত্রাসী ঘাতকেরা

সন্ত্রাসী ঘাতকেরা কোন সমাজেই একা নয়।তাদের একার পক্ষে রাষ্ট্রের উপর দখলদারি প্রতিষ্ঠা দূরে থাক,কোন একটি গৃহে একাকী ডাকাতি করাও সম্ভব নয়। বিপুল জনগণের সহযোগিতা না পেলে ফিরাউন,নমরুদ,হালাকু,চেঙ্গিজ,হিটলার,স্টালীন ও পলপটদের মত ভয়ানক নরঘাতকগণ কি কখনোই রাষ্ট্রের উপর দখলদারি প্রতিষ্ঠা করতে পারতো? বুশ-ব্লেয়ারও কি পারতো একাকী আফগানিস্তান ও ইরাকে আগ্রাসন চালাতে এবং দেশ দু’টির লক্ষ লক্ষ নিরপরাধ মানুষকে হত্যা করতে? প্রতি সমাজেই এমন লোকের সংখ্যা প্রচুর যারা শুধু এ ধরণের নৃশংস মনুষ্য জীবকেই নয়,ইতর পশুকেও ভগবান বলতে রাজী। সমগ্র দক্ষিণ এশিয়া জুড়ে এদের সংখ্যা তো একক আল্লাহতায়ালার উপাসনাকারিদের চেয়েও অধীক। নির্বাচনে এরা শুধু নৃশংস নরঘাতকদের বিপুল ভোটে বিজয়ীই করে না,তাদেরকে মাথায় তুলে উৎসবও করে। তাই হিটলার বা নরেন্দ্র মোদীর ন্যায় নরঘাতকগণ যেমন বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়েছে,তেমনি গণন্ত্রের ঘাতক ও ৩০-৪০ হাজার মানুষের প্রাণসংহারি বাকশালী মুজিবও নির্বাচিত হয়েছে। এসব বর্বরদের কোন যুদ্ধই একাকী লড়তে হয়নি। তাদের পক্ষ অস্ত্র ধরেছে লক্ষ লক্ষ মনুষ্য জীব।

Last Updated on Monday, 15 December 2014 21:59
Read more...
 
অধিকৃত বাংলাদেশ ও নির্লজ্জদের রাজনীতি PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Sunday, 16 November 2014 11:19

অধিকৃতি দুর্বৃত্তদের

বাংলাদেশের উপর বর্তমান দখলদারি যে ভয়ানক দুর্বৃত্তদের -তা নিয়ে কি সামান্যতম সন্দেহ আছে? সে দখলদারিটি প্রতিষ্ঠা পেয়েছে ভোট ডাকাতির মাধ্যমে। এ ডাকাতির সাথে জড়িত কি শুধু শেখ হাসিনা ও তার রাজনৈতীক ক্যাডারগণ? নিছক তার নিজ দল ও দলীয় মিত্রদের পক্ষে দেশজুড়ে এতবড় ডাকাতি কি সম্ভব ছিল? বরং এ ডাকাতির সাথে নিবীড় ভাবে জড়িত দেশের প্রশাসনিক অবকাঠামো,পুলিশ,র‌্যাব,বিজিবি,সেনাবাহিনী ও নির্বাচনি কমিশন। জড়িত আগ্রাসী প্রতিবেশী রাষ্ট্রের ষড়যন্ত্রকারিরা -যারা চায় না বাংলাদেশে জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠা পাক।তারা চায় না,বাংলাদেশের মানুষ তাদের ধর্মকর্ম ও আক্বীদা-বিশ্বাস নিয়ে স্বাধীন ভাবে বেড়ে উঠুক।তাদের সে ষড়যন্ত্র স্রেফ ১৯৭১ থেকে নয়, ১৯৪৭ সাল থেকেই। সে শত্রুদেশটি নিজের প্রকল্পটি বার বার বাংলাদেশের উপর চাপিয়ে দিচ্ছে। সেটি যেমন মুজিবামলে, তেমনি হাসিনার আমলে। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় গেলে ভারত তার নিজ ষড়যন্ত্র পালনে তখন নতুন জীবন পায়। ডাকাত যেমন তার ডাকাতির মালামাল ধরে রাখতে চায়,এরাও তেমনি ধরে রাখতে চায় নিজেদের দখলদারি। দেহে রোগজীবাণুর প্রবেশ ঘটলে গায়ে জ্বর-ব্যাথা উঠে ও শরীর দুর্বল হল। চিকিৎসা না হলে মৃত্যু ঘটে। তেমনি দুর্বৃত্তদের হাতে দেশ অধিকৃত হওয়ার বিপদও বিশাল। দেশে তখন চুরি-ডাকাতি,খুন-খারাবি,ধর্ষণ ও সর্বপ্রকারের পাপকর্ম বাড়ে। দেশ তখন দুর্বৃত্তিতে রেকর্ড গড়ে এবং দ্রুত ধাবিত হয় ধ্বংসের দিকে।জনগণ তখন বঞ্চিত হয় পরিশুদ্ধ পরিবেশ ও জান্নাতের পথের সিরাতুল মুস্তাকীম থেকে।বিশাল জাহাজ রূপী যাত্রীবোঝাই রাষ্ট্রটি তখন তার বিশাল জনগণকে নিয়ে জাহান্নামের দিকে ধাবিত হয়।

Read more...
 
বাংলাদেশে কেন অসভ্য সরকার ও এত বর্বরতা? PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Tuesday, 20 May 2014 21:10

কেন এ নৃশংস অসভ্যতা?

যে দেশের সেনাবাহিনীর লোকেরা নিজদেশের নাগরিকদের খুন করে লাশ নদীতে ফেলে অর্থ কামায় সে দেশকে কি সভ্য দেশ বলা যায়? সে সরকারও কি সভ্য সরকার, যে সরকার নিরস্ত্র মানুষের উপর সশস্ত্র সেনা লেলিয়ে দিয়ে শতশত মানুষকে হতাহত করে এবং নিহতদের লাশ ময়লার গাড়িতে তুলে গায়েব করে দেয়? অথচ রাজধানীর শাপলা চত্বরে ২০১৩ সালের ৫ই মে তারিখে তো সেটিই হয়েছিল। কোন সভ্য সরকার কি নিজ দেশের নাগরিকদের ঘরবাড়ির উপর বুলডোজার চালিয়ে দেয়? সারিবদ্ধ বালিবুঝাই ট্রাক দিয়ে অবরোধ করে কি বিরোধী দলীয় নেত্রীর বাসা? বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের হত্যা করা, গুম করা, রিমান্ডের নামে নির্যাতন সেলে নিয়ে দৈহীক অত্যাচার করা -কোন ধরণের সভ্যতা? বিরোধী দলের অফিসে ভাংচুর করা, তাদের অফিসে তালা লাগিয়ে দেয়া, বিরোধী পত্রিকা ও টিভি চ্যানেল বন্ধ করে দেয়া, বিরোধীদের দলীয় নেতাকর্মীদের রাজপথে সমাবেশ করতে না দেয়া, এমন কি তাদেরকে নিজ অফিসে মিটিং করতে না দেয়াও কি সভ্যতা? অথচ বিরোধী দল দমনে এরূপ নৃশংস বর্বরতাই হলো শেখ হাসিনা সরকারের নীতি। কোন সভ্য সরকার কি কখনো নির্বাচনের নামে ভোট ডাকাতি করে? সংসদের অর্ধেকের বেশী সিটে নির্বাচন ছাড়াই কি সংসদ গঠন করে? কোন সভ্যদেশের আদালত কি দলীয় ক্যাডারদের দাবীতে বিচারের রায় পাল্টায়? অথচ বাংলাদেশে এরূপ অসভ্যতা অহরহ হচ্ছে। এরূপ নানা অসভ্যতার পাশাপাশি দুর্বৃত্তিতে ৫ বার বিশ্বচ্যাম্পিয়ান হওয়াটিও কি কম বর্বরতা? তাছাড়া সরকারের অসভ্যতা শুধু ঘটে যাওয়া নৃশংস বর্বর অপরাধগুলোর বিচার না করা নয়,বরং এরূপ অসংখ্য অপরাধের সাথে তার নিজের সংশ্লিষ্টতাও।

Last Updated on Tuesday, 20 May 2014 21:23
Read more...
 
বাংলাদেশে দুর্বৃত্তশাসন ও জনগণের ব্যর্থতা PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Saturday, 18 October 2014 21:28

মিশন যেখানে দুর্বৃত্তির প্রতিষ্ঠা!

কোন দেশে সবচেয়ে ভয়ংকর বিপর্যয়টি মহামারি,ঘূর্ণিঝড়,অতিবৃষ্টি, অনাবৃষ্টি বা সুনামীতে ঘটে না। এরূপ দুর্যোগের কারণে কোন দেশ বিশ্বজুড়ে কলংকিত বা অপমানিতও হয় না।কারণ,এমন বিপর্যয়ের জন্য দায়ী জনগণ নয়। বরং দেশবাসীর জন্য সবচেয়ে বড় বিপর্যয় ও সবচেয়ে বড় অপমানটি আসে রাষ্ট্র ও সমাজ চোর-ডাকাত,খুনি ও দুর্বৃত্তদের দখলে যাওয়ায়। তবে দুর্বৃত্ত শাসনের অকল্যাণটি আরো ব্যাপক ও ভয়াবহ। তাদের শাসনে শুধু যে সামাজিক সুখশান্তি ও জানমালের নিরাপত্তা বিপন্ন হয় তা নয়, বরং সবচেয়ে বড় বিপদটি ঘটে পরকালে। দুর্বৃত্ত শাসনের কাছে আত্মসমর্পণ ও সে শাসনের সাথে সহযোগিতা যেটি অনিবার্য করে সেটি হলো জাহান্নাম। সমগ্র সমাজ ও রাষ্ট্র জুড়ে জাহান্নামের উম্মুক্ত পথ নির্মাণই হলো এমন দুর্বৃত্ত শাসনের মূল প্রকল্প। চোর-ডাকাতদের হামলায় কিছু লোকের অর্থহানি বা প্রাণহানি ঘটে। কিন্তু রাষ্ট্রের বুকে চোর-ডাকাতদের শাসন জেঁকে বসলে তাতে শুধু জনগণের অর্থহানি বা প্রাণহানিই ঘটে না, ঈমানহানি এবং সে সাথে জাহান্নাম প্রাপ্তি ঘটে কোটি কোটি মানুষের। তাই দুর্বৃত্ত শাসকদের দু্র্বৃত্তির চেয়ে অধিকতর গুনাহর কাজ যেমন নেই,তেমনি তাদের নির্মূলের চেয়ে অধিক ছওয়াবের কাজও নেই।

Last Updated on Saturday, 18 October 2014 21:36
Read more...
 
রাজনীতিতে ইসলাম নিষিদ্ধের ষড়যন্ত্র ও মুসলমানের ঈমানী দায়ভার PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Saturday, 22 March 2014 23:32

ষড়যন্ত্র কোরআন নিষিদ্ধের

বাংলাদেশের ক্ষমতাসীন সেক্যুলারিস্ট পক্ষটি রাজনীতিতে ধর্ম নিষিদ্ধ করার ঘোষণা দিয়েছে। কিন্তু সেটি কি ইসলামের পাশাপাশি হিন্দু, খৃষ্টান বা বৌদ্ধধর্মও? বাংলাদেশের রাজনীতিতে হিন্দু, খৃষ্টান, বৌদ্ধ বা অন্যকোন ধর্মের অনুসারিদের কোন ধর্মভিত্তিক দল নাই। বাংলাদেশে নিজেদের ধর্মরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা তাদের লক্ষ্যও নয়। ফলে রাজনীতিতে ধর্ম নিষিদ্ধ হলে তাদের কোন ক্ষতি নাই। তাছাড়া তারা আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ নয়,বরং মিত্র ও ভোটার। ফলে বর্তমান শাসক মহলে তাদের বিরুদ্ধে আক্রোশ থাকার কথা নয়। ফলে শেখ হাসিনার মনে মিত্রদের রাজনীতি নিষিদ্ধ করার শখ জাগবে -সেটি কি ভাবা যায়? সেক্যুলারিস্টদের টার্গেট এখানে ইসলাম। রাজনীতিতে ধর্ম নিষিদ্ধ হলে অপূরণীয় ক্ষতি হবে ইসলামের। ইসলামের প্রচার ও প্রতিষ্ঠা প্রতিরোধে আল্লাহর শত্রুপক্ষের এটিই হলো অতি সনাতন নীতি। সমাজ ও রাষ্ট্রের চত্বরে ইসলামের প্রচার ও প্রতিষ্ঠাকে নিষিদ্ধ করার এ নীতিটি যেমন নমরুদ ও ফিরাউনের ছিল, তেমনি শেখ মুজিবেরও ছিল। এখন সে নীতি নিয়েই অগ্রসর হচ্ছে শেখ হাসিনা। তাছাড়া ইসলাম ও ইসলাপন্থিদের বিরুদ্ধে শেখ হাসিনার যু্দ্ধটি তো বহুদিনের। সংবিধানে যারা আল্লাহর উপর আস্থার ঘোষণাটি পর্যন্ত বরদাশত করে না, তারা আবার দেশের রাজনীতিতে আল্লাহর শরিয়ত প্রতিষ্ঠার রাজনীতি থাকতে দিবে -সেটিই বা কি করে আশা করা যায়? ফলে হযরত ইব্রাহীম (আঃ), হযরত মূসা (আঃ) ও হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)কে যেমন নিজেদের জন্মভূমিতে আল্লাহর দ্বীন প্রতিষ্ঠার অধিকার দেয়া হয়নি, তেমনি সে অধিকার ছিনিয়ে নেয়ার ষড়যন্ত্র বাংলাদেশের ইসলামপন্থিদের থেকেও।দেশের মানচিত্র ও ইতিহাস বার বার পাল্টে যায়। কোটি কোটি নতুন মানুষও জন্ম নেয়, কিন্তু মহান আল্লাহতায়ালার দ্বীনের বিরুদ্ধে শয়তান ও তার অনুসারিদের নীতি যে বিন্দুমাত্র পাল্টায় না এ হলো তার নমুনা।

Last Updated on Sunday, 23 March 2014 17:12
Read more...
 
<< Start < Prev 1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 Next > End >>

Page 1 of 20
Dr Firoz Mahboob Kamal, Powered by Joomla!; Joomla templates by SG web hosting
Copyright © 2014 Dr Firoz Mahboob Kamal. All Rights Reserved.
Joomla! is Free Software released under the GNU/GPL License.