Home •বাংলাদেশ
•বাংলাদেশ
ইসলামের শত্রুশক্তির যুদ্ধ ও নাশকতা PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Sunday, 22 May 2016 16:44

শেষ হয়নি যুদ্ধ

বাংলার বুকে ইসলামের শত্রুশক্তির যুদ্ধ শেষ হয়নি। বরং দিন দিন  তীব্রতর হচ্ছে। যুদ্ধটির শুরু আজ নয়; সূচনা ১৭৫৭ সালে। নবাব সিরাজুদ্দৌলার বিরুদ্ধে সাম্রাজ্যবাদী কাফের শক্তির গোলাবারুদের যুদ্ধ পলাশীতে শেষ হলেও শেষ হয়নি ইসলাম ও মুসলিমদের বিরুদ্ধে তাদের মূল যুদ্ধটি। সে যুদ্ধটি বরং লাগাতর চলছে দেশের আদর্শিক, সাংস্কৃতিক, ধর্মীয় ও অর্থনৈতিক অঙ্গণে। দেশের আইন-আদালত থেকে সাম্রাজ্যবাদি শত্রুশক্তি যেরূপ ইসলামের শরিয়তি বিধানকে বিলুপ্ত করেছিল এবং অসম্ভব রেখেছিল মুসলিম শক্তির উত্থানকে, আজও সেটিই তাদের মূল এজেন্ডা। তাই ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশের ঔপনিবেশিক শাসনের অবসান হলেও আদর্শিক ও সাংস্কৃতিক সে যুদ্ধটি এখনো শেষ হয়নি। শুধু বাংলাদেশে নয়, সমগ্র মুসলিম বিশ্বজুড়ে সেটিই ইসলামের শত্রুপক্ষের মূল যুদ্ধ। এ যুদ্ধে তাদের শত্রুর নিষ্ঠাবান দাস সৈনিক রূপে খাটছে ব্রিটিশ প্রনীত সেক্যুলার শিক্ষা ব্যবস্থায় গড়ে উঠা রাজনৈতিক, সামরিক, প্রশাসনিক ও বিচার বিভাগীয় বিশাল কর্মীবাহিনী। রাজনৈতিক শক্তি রূপে মুসলিমদের উত্থানকে ইংরেজগণ যেরূপ তাদের ১৯০ বছরের শাসনামলে রুখেছিল এবং দূরে রেখেছিল ইসলামের শরিয়তি বিধানকে - ইসলামের সেরূপ একটি পরাজিত অবস্থা বলবৎ রাখাই তাদের উপর শত্রুপক্ষের পক্ষ থেকে অর্পিত মূল দায়ভার। এ কারণেই পাশ্চাত্যের কাফেরদের ন্যায় তারাও সর্বভাবে ইসলামের বিজয়কে রুখতে চায়। দেশের সেনানীবাস, সিভিল প্রশাসন, জুডিশীয়ারী, অফিসার্স ক্লাব ও মন্ত্রীপাড়ার ন্যায় গুরুত্বপূ্র্ণ স্থানগুলি আজও পাশ্চাত্য সংস্কৃতির সুরক্ষিত দ্বীপ। সে সাথে প্রশিক্ষণ ক্ষেত্রও। সেসব অধিকৃত সামরিক ও প্রশাসনিক ঘাঁটিতে বাংলার সাধারণ জনগণের মুসলিম রীতি-নীতি ও সংস্কৃতি দেখতে পাওয়া যায় না। কারো কারো জীবনে নামাজ-রোযা থাকলেও সেখানে প্রবেশ নিষিদ্ধ নবীর যুগের ইসলামের -যাতে রয়েছে শরিয়ত, খেলাফত, জিহাদ এবং ভাষা ও বর্ণের নামে গড়ে উঠা দেয়াল ভাঙ্গার বিধান। ইংরেজদের প্রস্থানের বহুবছর পরও তাই বাংলার মুসলিম ভূমিতে আজও বহাল তবিয়তে বেচেঁ আছে তাদের প্রতিষ্ঠিত দেহব্যবসা, জুয়া, সূদী ব্যাংকের ন্যায় নানারূপ হারাম কর্ম। রাজনীতি, সংস্কৃতি ও জীবনযাপনের নানা ক্ষেত্রে মহান আল্লাহতায়ালা ও আখেরাতের ভয়কে ভূলিয়ে দেয়াই ইসলামবিরোধী এ দখলদার দেশী শক্তির মূল কাজ। ফলে শতকরা ৯২ ভাগ মুসলিমের দেশে মহান আল্লাহতায়ালার নির্দেশিত শরিয়তি বিধানকে পরাজিত রাখতে ও ইসলামপন্থিরদের হত্যায় বিদেশী কাফের শক্তিকে ময়দানে নামতে হয় না। সে কাজটি নিষ্ঠুরতার সাথে সমাধা করে পাশ্চত্য-পূজারী বাঙালীগণ। ঢাকার শাপলা চত্ত্বরের গণহত্যার ন্যায় নিষ্ঠুর গণহত্যাগুলিতেও তাই কোন বিদেশী কাফেরকে  নামতে হয়নি। একাত্তরের গণহত্যাও ছিল দিল্লি, মস্কো, চীন ও পাশ্চাত্যের অনুসারি ইসলামের শত্রুপক্ষের নিজস্ব কাণ্ড –যাদের হাতে মারা গিয়েছিল অগণিত বাঙালী ও অবাঙালী মুসলমি।

 

Read more...
 
ভারতের জন্য করিডোর ও আত্মঘাত বাংলাদেশের PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Thursday, 11 June 2015 00:39

ভারতের বিশাল বিজয়

ভারত যা চায় সেটি সহজেই পায়। কিন্তু বাংলাদেশ যা চায় সেটি পায় না। ভারত তাই করিডোর পেল, কিন্তু বাংলাদেশ পানি পায়নি। প্রভু রাষ্ট্র ও গোলাম রাষ্ট্রের মাঝে এটিই মূল পার্থক্য। একাত্তরে ভারতের সামরিক বিজয়ের পর থেকে এটিই হলো বাংলাদেশের জন্য নতুন বাস্তবতা। বাংলাদেশের এ অসহয়তা বুঝার জন্য তাই কি বেশী গবেষণার প্রয়োজন আছে? দীর্ঘদিন যাবত বাংলাদেশ তিস্তা নদীর ন্যয্য হিস্যা দাবী করে আসছে। কিন্তু আজও তা জুটেনি। ন্যয্য হিস্যা জুটেনি পদ্মার পানিরও। পানির অভাবে বাংলাদেশ আজ দ্রুত মরুভূমি হতে যাচ্ছে। অথচ কলকাতার হুগলি নদীতে ফারাক্কা বাঁধের মাধ্যমে পদ্মার পানি তুলে নেয়াতে বার মাস পাড় উপচানো জোয়ার। পদ্মা নদীতে নৌকা চলে না, কিন্তু হুগলী নদীতে সমুদ্রগামী জাহাজ চলে। হাসিনা সরকার তাতেই খুশি। বাংলাদেশকে ন্যয্য পাওনা দেয়া নিয়ে ভারত সরকারের কারোই কোন মাথা ব্যথা নেই। দিল্লির কেন্দ্রীয় সরকার বলছে, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সম্মতি ছাড়া পানি সমস্যার কোন সমাধান হবে না। কিন্তু কেন্দ্রীয় সরকারের সাথে পশ্চিমবঙ্গের প্রাদেশিক সরকারকে একত্রে বসাবে কে? পানি সমস্যার সমাধান নিয়ে মোদীর সাথে মমতা  বানার্জিকে একবারও একত্রে বসানো যায়নি। কিন্তু করিডোর আদায়ে নরেন্দ্র মোদীর আগেই পশ্চিম বাংলার মুখ্যমন্ত্রী ঢাকায় এসে হাজির। কারণ গরজটি এখানে কিছু দেয়া নয়, বরং করিডোরের ন্যায় বাংলাদেশ থেকে বিশাল কিছু নেয়া নিয়ে।

Last Updated on Thursday, 11 June 2015 01:11
Read more...
 
সাগরে ভাসছে রোহিঙ্গা মুসলিমঃ কতটুকু ঈমান নিয়ে বাঁচছে বাঙালী মুসলিম? PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Wednesday, 20 May 2015 04:16

মূত্রপান করছে রোহিঙ্গারা

টিভি,রেডিও ও পত্র-পত্রিকার খবর,৮ থেকে ১০ হাজার রোহিঙ্গা মুসলিম আন্দামান সাগরে জাহাজে ভাসছে।তাদের মাঝে বহু নারী এবং শিশুও রয়েছে। জাহাজে খাবার নাই,খাবারের পানি নাই,ঔষধও নাই।ক্ষুধার্ত পেট,নিস্তেজ দেহ ও মলিন মুখ নিয়ে টিভি ক্যামেরার সামনে তারা কেঁদে কেঁদে “আমাদের বাঁচাও বাঁচাও” বলে সাহায্য চাইছে। বিবিসি’র সংবাদদাতা জনাথান হেড সরেজমিনে গিয়ে তথ্য দেনঃ থাইল্যান্ড উপকূলের অদূরে আন্দামান সাগরে মাছ ধরার একটি ট্রলারে প্রায় সাড়ে তিনশ রোহিঙ্গা এক সপ্তাহ ধরে খাদ্য ও পানীয়ের অভাবে নিজেদের মূত্র পান করে প্রাণবাঁচানোর সংগ্রাম করছে।ওই নৌকায় দশজন মারা গেছে। ৩৫০ জনের মত নারী,পুরুষ,শিশু গাদাগাদি করে সেটিতে  আছে। তারা জানিয়েছেন,দুমাস ধরে তারা ঐ ট্রলারে রয়েছে। থাইল্যান্ড এবং মালয়েশিয়ার উপকুল রক্ষীরা সম্প্রতি শক্ত অবস্থান নেওয়ায় মানব পাচারকারিরা উপকুলের কাছাকাছি গিয়ে নৌকা থেকে সটকে পড়েছে। অনেকগুলো নৌকায় কয়েক হাজার মানুষ দিনের পর দিন সাগরে ভাসছে। আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার হিসাবে এ সংখ্যা আট হাজারের মত হবে। যাত্রীদের অধিকাংশই রোহিঙ্গা,তবে অনেক বাংলাদেশিও এগুলোতে রয়েছে। (সূত্রঃ বিবিসি বাংলা,১৫ই মে,২০১৫)।

Last Updated on Wednesday, 20 May 2015 18:36
Read more...
 
রবীন্দ্রসাহিত্যের বিষক্রিয়া ও বাঙালী মুসলিমের আত্মপচন PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Sunday, 31 May 2015 11:53

বাঙালীর রবীন্দ্রাসক্তি ও আত্মপচন

দৈহিক পচনের ন্যায় আত্মপচনের আলামতগুলিও গোপন থাকে না। আত্মপচনে মৃত্যু ঘটে বিবেকের; তাতে বিলুপ্ত হয় নীতি ও নৈতিকতা। চুরি-ডাকাতি, ভোট-ডাকাতি, সন্ত্রাস, গুম, হত্যা, গণহত্যা, ধর্ষণ, ধর্ষণে উৎসব,লগি-বৈঠা নিয়ে রাজপথে হত্যা, পুলিশী রিম্যান্ডে হত্যা, ক্রসফায়ারে হত্যা–এ রূপ নানা নিষ্ঠুরতা তখন নিত্তনৈমত্তিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায়। অতি নির্মম ও নিষ্ঠুর কাজেও তখন বিবেকের পক্ষ থেকে বাঁধা থাকে না। এর ফলে রাস্তাঘাটে শুধু অর্থকড়ি,গহনা ও গাড়ি ছিনতাই হয় না, নারী ছিনতাইও শুরু হয়। পত্রিকায় প্রকাশ, মাত্র গত তিন মাসে দেশে ১২৩ জন মহিলা ছিনতাই ও ধর্ষণের শিকার হয়েছে। (দৈনিক আমার দেশ, ২৬/০৫/১৫)। তবে সব ধর্ষিতাই যে থানায় এসে নিজের ধর্ষিতা হওয়ার খবরটি জানায় -তা নয়। কারণ তাতে অপরাধীর শাস্তি মেলে না বরং সমাজে ধর্ষিতা রূপে প্রচার পাওয়ায় অপমান বাড়ে। অধীকাংশ ধর্ষণের ঘটনা তাই গোপনই থেকে যায়।ফলে ধর্ষিতা নারীদের আসল সংখ্যা যে বহুগুণ বেশী –তা নিয়ে সন্দেহ থাকার কথা নয়।জাহিলিয়াত যুগের আরবগণ এরূপ আত্মপচনের ফলে নানারূপ নিষ্ঠুরতায় ডুবেছিল। কন্যাদের তারা জীবন্ত দাফন দিত। সন্ত্রাস, রাহাজানি, ব্যাভিচারি, কলহ-বিবাদ ও গোত্রীয় যুদ্ধে ডুবে থাকাই ছিল তাদের সংস্কৃতি।

Last Updated on Tuesday, 02 June 2015 23:00
Read more...
 
ঈমানবিনাশী জাতীয় সঙ্গিত ও বাঙালী মুসলিমের আত্মসমর্পণ PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Saturday, 09 May 2015 23:04

যে মহাপাপ কথা ও গানে

সমাজে বড় বড় অপরাধগুলি শুধু খুন,ব্যভিচার বা চুরিডাকাতি নয়।গুরুতর অপরাধ ঘটে মুখের কথায় ও গানে। যে ব্যক্তি মুখে মহান আল্লাহতায়ালাকে অস্বীকার করে বা তাঁর কোন হুকুমের বিরুদ্ধে বিদ্রোহের ঘোষণা দেয় -তাকে কি জাহান্নামে প্রবেশের জন্য খুন,বলাৎকার বা চুরি-ডাকাতিতে নামার প্রয়োজন পড়ে? বিদ্রোহের ঘোষণাটি মুখে মাত্র একবার দেয়াই সে জন্য যথেষ্ঠ। অভিশপ্ত শয়তানে পরিণত হতে ইবাদতে মশগুল ইবলিসকে তাই হত্যা বা ব্যভিচারে নামতে হয়নি। মহান আল্লাহতায়ালার দেয়া একটি মাত্র হুকুমের বিরুদ্ধে বিদ্রোহই তাকে লানতপ্রাপ্ত করেছে।সে হুকুমটি ছিল হযরত আদম (আঃ)কে সেজদার।তাই বক্তৃতায় কি বলা হয়, সঙ্গিতে কি গাওয়া হয় বা সাহিত্যের নামে কি লেখা হয় -সেটি অতি গুরুত্বপূর্ণ। তা রেকর্ড হয় এবং তা নিয়ে বিচার বসবে রোজ হাশরের বিচার দিনে। মু’মিন ব্যক্তিকে তাই শুধু উপার্জন বা খাদ্য-পানীয়’র ক্ষেত্রে হারাম-হালাম দেখলে চলে না। কথাবার্তা বা লেখালেখির ক্ষেত্রেও অতি সতর্ক হতে হয়।নবীজী(সাঃ)র হাদীসঃ অধিকাংশ মানুষ জাহান্নামে যাবে জিহ্বা ও যৌনাঙ্গের দ্বারা কৃত অপরাধের কারণে। তেমনি বহু মানুষ জান্নাতেও যাবে সত্য দ্বীনের পক্ষে সাক্ষি দেয়ার কারণে। ফিরাউনের দরবারে যে কয়েকজন যাদুকর হযরত মূসা (আঃ)র সাথে প্রতিযোগিতায় এসে হেরে গিয়ে মুসলমান হয়েছিলেন তারা জীবনে এক ওয়াক্ত নামায বা রোযা পালনের সুযোগ পাননি। “মুসা (আঃ)র রবের উপর ঈমান আনলাম” –তাদের মুখ থেকে উচ্চারিত এই একটি মাত্র বাক্যই তাদেরকে সরাসরি জান্নাতবাসী করেছে। ঈমানের প্রবল প্রকাশ ঘটেছিল তাদের সে উচ্চারণে। ঈমানের সে প্রকাশ ফিরাউনের কাছে সহ্য হয়নি, তাই তাদের হাত-পা কেটে নির্মম হত্যার হুকুম দেয়। মহান আল্লাহতায়ালার পক্ষে সাক্ষদানে তারা এতই অটল ছিলেন যে,সে নির্মম হত্যাকান্ডও তাদের একবিন্দু বিচলিত করতে পারেনি। তাদের এ সাহসী উচ্চারনে মহান আল্লাহতায়ালা এতোটাই খুশি হয়েছিলেন যে পবিত্র কোরআনের একাধিক স্থানে নিজ কালামের পাশে তাদের সে ঘোষণাকেও লিপিবদ্ধ করেছেন, এবং ক্বিয়ামত অবধি মানব জাতির জন্য শিক্ষ্যণীয় করেছেন।

Last Updated on Saturday, 09 May 2015 23:15
Read more...
 
<< Start < Prev 1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 Next > End >>

Page 1 of 23
Dr Firoz Mahboob Kamal, Powered by Joomla!; Joomla templates by SG web hosting
Copyright © 2016 Dr Firoz Mahboob Kamal. All Rights Reserved.
Joomla! is Free Software released under the GNU/GPL License.