Home •বাংলাদেশ
•বাংলাদেশ
রাজনীতিতে ইসলাম নিষিদ্ধের ষড়যন্ত্র ও মুসলমানের ঈমানী দায়ভার PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Saturday, 22 March 2014 23:32

ষড়যন্ত্র কোরআন নিষিদ্ধের

বাংলাদেশের ক্ষমতাসীন সেক্যুলারিস্ট পক্ষটি রাজনীতিতে ধর্ম নিষিদ্ধ করার ঘোষণা দিয়েছে। কিন্তু সেটি কি ইসলামের পাশাপাশি হিন্দু, খৃষ্টান বা বৌদ্ধধর্মও? বাংলাদেশের রাজনীতিতে হিন্দু, খৃষ্টান, বৌদ্ধ বা অন্যকোন ধর্মের অনুসারিদের কোন ধর্মভিত্তিক দল নাই। বাংলাদেশে নিজেদের ধর্মরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা তাদের লক্ষ্যও নয়। ফলে রাজনীতিতে ধর্ম নিষিদ্ধ হলে তাদের কোন ক্ষতি নাই। তাছাড়া তারা আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ নয়,বরং মিত্র ও ভোটার। ফলে বর্তমান শাসক মহলে তাদের বিরুদ্ধে আক্রোশ থাকার কথা নয়। ফলে শেখ হাসিনার মনে মিত্রদের রাজনীতি নিষিদ্ধ করার শখ জাগবে -সেটি কি ভাবা যায়? সেক্যুলারিস্টদের টার্গেট এখানে ইসলাম। রাজনীতিতে ধর্ম নিষিদ্ধ হলে অপূরণীয় ক্ষতি হবে ইসলামের। ইসলামের প্রচার ও প্রতিষ্ঠা প্রতিরোধে আল্লাহর শত্রুপক্ষের এটিই হলো অতি সনাতন নীতি। সমাজ ও রাষ্ট্রের চত্বরে ইসলামের প্রচার ও প্রতিষ্ঠাকে নিষিদ্ধ করার এ নীতিটি যেমন নমরুদ ও ফিরাউনের ছিল, তেমনি শেখ মুজিবেরও ছিল। এখন সে নীতি নিয়েই অগ্রসর হচ্ছে শেখ হাসিনা। তাছাড়া ইসলাম ও ইসলাপন্থিদের বিরুদ্ধে শেখ হাসিনার যু্দ্ধটি তো বহুদিনের। সংবিধানে যারা আল্লাহর উপর আস্থার ঘোষণাটি পর্যন্ত বরদাশত করে না, তারা আবার দেশের রাজনীতিতে আল্লাহর শরিয়ত প্রতিষ্ঠার রাজনীতি থাকতে দিবে -সেটিই বা কি করে আশা করা যায়? ফলে হযরত ইব্রাহীম (আঃ), হযরত মূসা (আঃ) ও হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)কে যেমন নিজেদের জন্মভূমিতে আল্লাহর দ্বীন প্রতিষ্ঠার অধিকার দেয়া হয়নি, তেমনি সে অধিকার ছিনিয়ে নেয়ার ষড়যন্ত্র বাংলাদেশের ইসলামপন্থিদের থেকেও।দেশের মানচিত্র ও ইতিহাস বার বার পাল্টে যায়। কোটি কোটি নতুন মানুষও জন্ম নেয়, কিন্তু মহান আল্লাহতায়ালার দ্বীনের বিরুদ্ধে শয়তান ও তার অনুসারিদের নীতি যে বিন্দুমাত্র পাল্টায় না এ হলো তার নমুনা।

Last Updated on Sunday, 23 March 2014 17:12
Read more...
 
গণতন্ত্রের কবর ও সন্ত্রাসে আওয়ামী মনোপলি PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Saturday, 08 February 2014 15:22

নগ্ন বেশে সরকার

নির্বাচন নিয়ে শেখ হাসিনার ভাবনা নাই। ভাবনা নাই জনগণের কাছে জবাবদেহীতা নিয়েও। জনগণ কি ভাববে বা আন্তর্জাতিক মহলে দেশ কতটা কলংকিত হবে -সেদিকেও সামান্যতম ভ্রুক্ষেপ নাই। মুজিবের আমলে দেশ তলাহীন ভিক্ষার ঝুলি রূপে পৃথিবী ব্যাপী প্রচার পেয়েছিল। কিন্তু তাতে মুজিব ও তার অনুসারিদের একটুও লজ্জা হয়নি। বরং সে অপমান নিয়ে আজও  আওয়ামী বাকশালীদের অহংকার। লোকলজ্জা লোক পেলে কোন কুকর্মতেই বিবেকের পক্ষ থেকে বাধা থাকে না। নির্বাচনের নামে প্রহসন, যৌথবাহিনী ও অস্ত্রধারি দলীয় গুন্ডাদের দিয়ে শত শত বিরোধী নেতাকর্মীদের গুম,হত্যা ও নির্যাতনে শেখ হাসিনা ও দলীয় কর্মীদের বিবেকে সামান্যতম দংশনও হয় না। যেন দেশে কিছুই হয়নি।মহান নবীজী (সাঃ) তাই লজ্জাকে ঈমানের অর্ধেক বলেছেন। এর অর্থ দাঁড়ায়, যার লজ্জা নাই তার ঈমানও নাই। আর ঈমান না থাকলে তার জন্য ফাসেক, জালেম বা কাফের হওয়া সহজ হয়ে যায়।

Last Updated on Sunday, 09 February 2014 07:30
Read more...
 
চোর-ডাকাত ও খুনিদের দখলে দেশ PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Wednesday, 25 December 2013 18:39

দখলদারি চোর-ডাকাতদের

দেশের সবচেয়ে বড় বিপর্যয়টি ঘূর্ণিঝড়,অতিবৃষ্টি, অনাবৃষ্টি বা সুনামীতে ঘটে না। এরূপ দুর্যোগে কোন দেশ বিশ্বজুড়ে কলংকিত বা অপমানিতও হয় না। কারণ,জনগণ এজন্য দায়ী নয়। বরং সবচেয়ে বড় বিপর্যয় ও বড় অপমানটি আসে রাষ্ট্র যদি চোর-ডাকাত ও খুনিদের দখলে যায়। দুর্বৃত্তদের সে দখলদারি এবং সে দখলদারির প্রতি জনগণের নীরবতা বরং মহান আল্লাহর কঠিন আযাবকে অনিবার্য করে তোলে। আজকের বাংলাদেশ তো তেমনি এক দখলদারির শিকার। বহু শত বছর আগে বাংলাদেশে মায়ানমারের বর্গিদের ভয়াবহ হামলা হতো। তারা গ্রামের পর গ্রাম নিঃস্ব করে সমুদ্র পথে নিজ দেশে ফিরে যেত। সুদূর ইউরোপ থেকে এসেছিল পর্তুগীজ জলদস্যুরা। লুন্ঠনে তাদের নৃশংসতাও ছিল লোমহর্ষক। ডাকাতদের বড় অস্ত্রটি হলো জনমনে ত্রাস বা ভয় সৃষ্টি। কারণ অতিভয় মানুষকে প্রতিরোধহীন করে। সেরূপ ত্রাস সৃষ্টিতে তারা শুধু অর্থলুটই করে না,নির্মম ভাবে মানব হত্যাও করে।ঘরবাড়িতে অগ্নিসংযোগও করে। এভাবে কেড়ে নেয় জনগণের প্রতিরোধের সাহস। ফলে নিষ্ঠুর বর্গি ও পর্তুগীজ জলদস্যুদের হাতে বাংলায় বহু মানুষের প্রাণনাশ হতো। ঘরবাড়িও ধ্বংসস্তুপে পরিণত হতো। মানুষ তখন ধনসম্পদ ফেলে পালিয়ে বাঁচার চেষ্টা করতো। সে বিদেশী ডাকাতদের হাত থেকে সাধারণ মানুষদের বাঁচাতে বাংলার মোগল সুবেদার মুর্শিদ কুলিখানকে তার বিশাল নৌবাহিনী নিয়ে দীর্ঘকাল যুদ্ধ করতে হয়েছে।যুদ্ধ করতে হয়েছিল আলিবর্দি খাঁকেও।

Last Updated on Wednesday, 25 December 2013 18:48
Read more...
 
লড়াই এবার ইসলাম ও দেশ বাঁচানোর PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Thursday, 09 January 2014 23:53

দখলদারি শত্রুশক্রির জোগালদারদের

আওয়ামী বাকশালীগণ যখনই ক্ষমতায় আসে তখনই মহা বিপর্যয় ঘটে। তখন যে শুধু গণতান্ত্রিক অধিকার ছিনতাই হয় তা নয়,হায়েনার হাত পড়ে দেশ ও দেশবাসীর ইজ্জতে। বিশ্ববাসীর সামনে বাংলাদেশের মুখ তখন কালিমালিপ্ত হয়।এবং দুর্ভোগ বাড়ে জনগণের।সেটি যেমন মুজিবের আমলে ঘটেছিল,তেমনি হাসিনার আমলেও।অথচ যে কোন দায়িত্বশীল সরকারের মূল কাজটি তো দেশের মুখ উজ্বল করা ও দেশবাসীর সুখশান্তি বাড়ানো। অথচ আওয়ামী বাকশালীদের সে ভাবনা নাই। আর সেটি থাকার কথাও নয়।কারণ তাদের রাজনীতির মূল এজেন্ডা,ভারতের আগ্রাসী রাজনীতির জোগালদারি। দেশের স্বাধীনতা সুরক্ষা যেমন নয়,দেশ ও দেশবাসীর ইজ্জত বাঁচানোও নয়।তাই ভারত যখন বাংলাদেশে চুরি-ডাকাতি করে তখন তাদের কাজ হয় সে লুন্ঠনে জোগালের কাজ করা।সেটি সুস্পষ্ট হয়ে যায় একাত্তরেই। ভারতীয় বাহিনীর ডাকাতি শুরু হয় ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বরে পূর্ব পাকিস্তানের উপর তাদের দখলদারি প্রতিষ্ঠার পরই। তখন ডাকাতির লক্ষ্যবস্তু ছিল পাকিস্তান আর্মির অব্যবহৃত হাজার হাজার কোটি টাকার অস্ত্র ও অবাঙালীদের মালিকাধীন শিল্পকারখানা ও তাদের গৃহের সহায় সম্পদ। সে ডাকাতির প্রতিবাদ করতে গিয়ে সামরিক বাহিনীর চাকুরি হারিয়েছিলেন এবং বন্দী হয়েছিলেন মেজর আব্দুল জলীল। অথচ বাকশালী জোগালেরা সেদিন টু’শব্দটি পর্যন্ত করেনি।বরং তাদের মুখে তখন প্রচন্ড ভারত-বন্দনা।সে বন্দনাটি এখনও অব্যাহত। আর যে ভাবনা থেকে জন্ম নেয় এমন ভারত-বন্দনা তাকেই তারা বলে একাত্তরের চেতনা।বাংলাদেশের ভূমি,নদ-নদী,সীমান্তু,সম্পদ,নারী-পুরুষ,গরুমহিষের উপর ভারতীয়দের পক্ষ থেকে ডাকাতি হলে এ চেতনাধারিরা প্রতিবাদ করে না।

Last Updated on Friday, 10 January 2014 00:03
Read more...
 
বিচারের নামে পরিকল্পিত হত্যাঃ খুনিদের কি শাস্তি হবে না? PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Friday, 13 December 2013 02:26

সৌভাগ্য শহীদ আব্দুল কাদের মোল্লার

অবশেষে স্বৈরাচারি শেখ হাসিনা ও তার সহযোগীরা অতি পরিকল্পিত ভাবে আব্দুল কাদের মোল্লাকে হত্যা করলো। এ হত্যার জন্য হাসিনা সরকার যেমন বিচারের নামে বিবেকহীন ও ধর্মহীন বিচারকদের দিয়ে আদালত বসিয়েছে, তেমনি সে আদালেতে মিথ্যা সাক্ষিরও ব্যবস্থা করেছে। ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত করার লক্ষ্যে ইচ্ছামত আইনও পাল্টিয়েছে। ফাঁসী ছাড়া অন্য কোন রায় মানা হবে না -আদালতকে সে হুশিয়ারিটি শোনাতে কোটি কোটি টাকা ব্যায়ে শাহবাগ চত্বরে দলীয় ক্যাডারদের দিয়ে সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছে। রাজপথে আওয়ামী-বাকশালীগণ ফাঁসীর যে দাবী তুলেছিল অবশেষে অবিকল সে দাবীই বিচারকগণ তাদের রায়ে লিখলেন। একটি দাঁড়ি-কমাও তারা বাদ দেয়নি।ফাঁসীতে ঝুলানোর জন্য যখন যা কিছু করার প্রয়োজন ছিল, হাসিনা সরকার তার সব কিছু্ই করেছে। তবে জনাব আব্দুল কাদের মোল্লার পরম সৌভাগ্য,সাধারণ খুনী বা সন্ত্রাসীর হাতে তাঁকে খুন হতে হয়নি। রোগজীবাণূর হাতেও তাঁর প্রাণ যায়নি। তাকে খুন হতে হয়েছে ইসলামের এমন এক চিহ্নিত শয়তানি জল্লাদদের হাতে -যাদের রাজনীতির মূল এজেন্ডাই হলো আল্লাহর শরিয়তি বিধানের প্রতিষ্ঠাকে প্রতিহত করা। তাদের কাছে পরম আনন্দের বিষয় হলো, রাষ্ট্রীয় জীবনে কোরআনের আইনকে পরাজিত অবস্থায় দেখা। আল্লাহর এরূপ প্রচন্ড বিপক্ষ শক্তির মোকাবেলায় সরাসরি তাদের সামনে দাঁড়িয়ে তাদেরই হাতে প্রাণ দেয়ার চেয়ে মুসলমানের জীবনে গৌরবজনক আর কি থাকতে পারে? সাহাবাগণ তো মহান আল্লাহর কাছে সবেচেয়ে প্রিয় ও সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মানুষের সম্মান পেয়েছেন ইসলামের শত্রুদে হাতে এরূপ প্রাণদানের মধ্য দিয়ে। বাকশালী কীটগুলো কি কখনো শহীদের সে আনন্দের কথা অনুধাবন করতে পারে?

Last Updated on Saturday, 14 December 2013 17:23
Read more...
 
<< Start < Prev 1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 Next > End >>

Page 1 of 19
Dr Firoz Mahboob Kamal, Powered by Joomla!; Joomla templates by SG web hosting
Copyright © 2014 Dr Firoz Mahboob Kamal. All Rights Reserved.
Joomla! is Free Software released under the GNU/GPL License.