Home •বাংলাদেশ
•বাংলাদেশ
সাগরে ভাসছে রোহিঙ্গা মুসলিমঃ কতটুকু ঈমান নিয়ে বাঁচছে বাঙালী মুসলিম? PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Wednesday, 20 May 2015 04:16

মূত্রপান করছে রোহিঙ্গারা

টিভি,রেডিও ও পত্র-পত্রিকার খবর,৮ থেকে ১০ হাজার রোহিঙ্গা মুসলিম আন্দামান সাগরে জাহাজে ভাসছে।তাদের মাঝে বহু নারী এবং শিশুও রয়েছে। জাহাজে খাবার নাই,খাবারের পানি নাই,ঔষধও নাই।ক্ষুধার্ত পেট,নিস্তেজ দেহ ও মলিন মুখ নিয়ে টিভি ক্যামেরার সামনে তারা কেঁদে কেঁদে “আমাদের বাঁচাও বাঁচাও” বলে সাহায্য চাইছে। বিবিসি’র সংবাদদাতা জনাথান হেড সরেজমিনে গিয়ে তথ্য দেনঃ থাইল্যান্ড উপকূলের অদূরে আন্দামান সাগরে মাছ ধরার একটি ট্রলারে প্রায় সাড়ে তিনশ রোহিঙ্গা এক সপ্তাহ ধরে খাদ্য ও পানীয়ের অভাবে নিজেদের মূত্র পান করে প্রাণবাঁচানোর সংগ্রাম করছে।ওই নৌকায় দশজন মারা গেছে। ৩৫০ জনের মত নারী,পুরুষ,শিশু গাদাগাদি করে সেটিতে  আছে। তারা জানিয়েছেন,দুমাস ধরে তারা ঐ ট্রলারে রয়েছে। থাইল্যান্ড এবং মালয়েশিয়ার উপকুল রক্ষীরা সম্প্রতি শক্ত অবস্থান নেওয়ায় মানব পাচারকারিরা উপকুলের কাছাকাছি গিয়ে নৌকা থেকে সটকে পড়েছে। অনেকগুলো নৌকায় কয়েক হাজার মানুষ দিনের পর দিন সাগরে ভাসছে। আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার হিসাবে এ সংখ্যা আট হাজারের মত হবে। যাত্রীদের অধিকাংশই রোহিঙ্গা,তবে অনেক বাংলাদেশিও এগুলোতে রয়েছে। (সূত্রঃ বিবিসি বাংলা,১৫ই মে,২০১৫)।

Last Updated on Wednesday, 20 May 2015 18:36
Read more...
 
ঈমানবিনাশী জাতীয় সঙ্গিত ও বাঙালী মুসলিমের আত্মসমর্পণ PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Saturday, 09 May 2015 23:04

যে মহাপাপ কথা ও গানে

সমাজে বড় বড় অপরাধগুলি শুধু খুন,ব্যভিচার বা চুরিডাকাতি নয়।গুরুতর অপরাধ ঘটে মুখের কথায় ও গানে। যে ব্যক্তি মুখে মহান আল্লাহতায়ালাকে অস্বীকার করে বা তাঁর কোন হুকুমের বিরুদ্ধে বিদ্রোহের ঘোষণা দেয় -তাকে কি জাহান্নামে প্রবেশের জন্য খুন,বলাৎকার বা চুরি-ডাকাতিতে নামার প্রয়োজন পড়ে? বিদ্রোহের ঘোষণাটি মুখে মাত্র একবার দেয়াই সে জন্য যথেষ্ঠ। অভিশপ্ত শয়তানে পরিণত হতে ইবাদতে মশগুল ইবলিসকে তাই হত্যা বা ব্যভিচারে নামতে হয়নি। মহান আল্লাহতায়ালার দেয়া একটি মাত্র হুকুমের বিরুদ্ধে বিদ্রোহই তাকে লানতপ্রাপ্ত করেছে।সে হুকুমটি ছিল হযরত আদম (আঃ)কে সেজদার।তাই বক্তৃতায় কি বলা হয়, সঙ্গিতে কি গাওয়া হয় বা সাহিত্যের নামে কি লেখা হয় -সেটি অতি গুরুত্বপূর্ণ। তা রেকর্ড হয় এবং তা নিয়ে বিচার বসবে রোজ হাশরের বিচার দিনে। মু’মিন ব্যক্তিকে তাই শুধু উপার্জন বা খাদ্য-পানীয়’র ক্ষেত্রে হারাম-হালাম দেখলে চলে না। কথাবার্তা বা লেখালেখির ক্ষেত্রেও অতি সতর্ক হতে হয়।নবীজী(সাঃ)র হাদীসঃ অধিকাংশ মানুষ জাহান্নামে যাবে জিহ্বা ও যৌনাঙ্গের দ্বারা কৃত অপরাধের কারণে। তেমনি বহু মানুষ জান্নাতেও যাবে সত্য দ্বীনের পক্ষে সাক্ষি দেয়ার কারণে। ফিরাউনের দরবারে যে কয়েকজন যাদুকর হযরত মূসা (আঃ)র সাথে প্রতিযোগিতায় এসে হেরে গিয়ে মুসলমান হয়েছিলেন তারা জীবনে এক ওয়াক্ত নামায বা রোযা পালনের সুযোগ পাননি। “মুসা (আঃ)র রবের উপর ঈমান আনলাম” –তাদের মুখ থেকে উচ্চারিত এই একটি মাত্র বাক্যই তাদেরকে সরাসরি জান্নাতবাসী করেছে। ঈমানের প্রবল প্রকাশ ঘটেছিল তাদের সে উচ্চারণে। ঈমানের সে প্রকাশ ফিরাউনের কাছে সহ্য হয়নি, তাই তাদের হাত-পা কেটে নির্মম হত্যার হুকুম দেয়। মহান আল্লাহতায়ালার পক্ষে সাক্ষদানে তারা এতই অটল ছিলেন যে,সে নির্মম হত্যাকান্ডও তাদের একবিন্দু বিচলিত করতে পারেনি। তাদের এ সাহসী উচ্চারনে মহান আল্লাহতায়ালা এতোটাই খুশি হয়েছিলেন যে পবিত্র কোরআনের একাধিক স্থানে নিজ কালামের পাশে তাদের সে ঘোষণাকেও লিপিবদ্ধ করেছেন, এবং ক্বিয়ামত অবধি মানব জাতির জন্য শিক্ষ্যণীয় করেছেন।

Last Updated on Saturday, 09 May 2015 23:15
Read more...
 
মানসিক রোগীর হাতে দেশ হাইজ্যাকের বিপদ ও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Sunday, 12 April 2015 00:36

মানসিক রোগীর নৃশংসতা

কোন মানসিক রোগী বিমান চালনার দায়িত্ব পেলে সে যে কীরূপ ভয়াবহ বিপদ ঘটাতে পারে তারই সাম্প্রতিক প্রমাণ হলো,জার্মান উইঙ্গস বিমান কোম্পানীর ১৪৯ যাত্রীর করুণ মৃত্যু।এটি কোন বিমান দুর্ঘটনা ছিল না,ছিল পরিকল্পিত হত্যাকান্ড। জার্মান চিকিৎস্যকের কাছ থেকে প্রমাণ মিলেছে,বিমানের কো-পাইলট এ্যাড্রিয়াস লুবিটজ ছিল মানসিক রোগী। সে রীতিমত মানসিক রোগের চিকিৎস্যা নিত। তার রোগটি ছিল ডিপ্রেশন। ডিপ্রেশনের কারন,যে মেয়ে বান্ধবীকে সে বিয়ে করার স্বপ্ন দেখেছিল সে তার সঙ্গ ত্যাগ করে। সঙ্গি হারানোর বেদনায় লুবিটজ এতটাই বিমর্ষ হয়ে পড়ে যে তার মগজে আত্মহত্যার চিন্তাও বার বার হানা দিতে শুরু করে।অবশেষে সে আত্মহত্যার পথই বেছে নেয়। তবে সাথে ১৪৯ বিমান যাত্রীকে সাথে নিয়ে -যার মধ্যে ছিল বেশ কিছু স্কুল ছাত্র যারা জার্মানী থেকে স্পেনে শিক্ষা সফরে গিয়েছিল। যার নিজের জীবন বাঁচানোর ভাবনা নেই,তার কাছে কি অন্যদের জীবন বাঁচানোর বিষয়টি গুরুত্ব পায়? কো-পাইলট এ্যাড্রিয়াস লুবিটজ’য়ের কাছে তাই কে শিশু,কে বালক,কে নারী বা কে নিরীহ যাত্রী -সে ভাবনা গুরুত্ব পায়নি।তার লক্ষ্যটি ছিল নিজের মৃত্যুর সাথে অন্যদের মৃত্যু ও দুঃখকেও বাড়িয়ে দেয়া।

Last Updated on Sunday, 12 April 2015 01:20
Read more...
 
বাংলাদেশে কেন অসভ্য তাণ্ডব? PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Friday, 24 April 2015 05:38

মানবপশুর তাণ্ডব

মনুষ্যজীব হিংস্র পশুতে পরিণত হলে পরিনাম যে কতটা অশ্লীল ও ভয়াবহ হয় -পহেলা বৈশাখে ঢাকার রাজপথে সেটিই প্রমাণিত হলো। রাজধানীতে বাঘ-ভালুকের চলাফেরা নেই,কিন্তু মানবরূপী হিংস্র পশুর উপস্থিতিটি বিশাল। নইলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চত্বরে হাজার হাজার মানুষের সামনে পশুগণ এরূপ অসভ্য তাণ্ডবের সাহস পায় কি করে? দেশের স্কুল-কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্ব স্রেফ মানবশিশুকে শিক্ষক,ডাক্তার,প্রকৌশলী,বিজ্ঞানী বা অন্য পেশাজীবী রূপে গড়ে তোলা নয়,বরং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজটি হলো হিংস্র পশু হওয়া থেকে তাদেরকে বাঁচানো।এবং মানবিক গুণ নিয়ে বেড়ে উঠতে সাহায্য করা। কিন্তু সে কাজটি বাংলাদেশে যে যথার্থ ভাবে হয়নি সেটিই বার বার প্রমাণিত হচ্ছে।ফলে দেশে যতই বাড়ছে স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা ততই বাড়ছে মানববেশী পশুর সংখ্যা। আজ থেকে শত বছর আগে বাংলাদেশের বুকে যখন কোন বিশ্ববিদ্যালয় ছিল না,তখনও কি কোন শহরে বা গ্রামে প্রকাশ্য দিবালোকে নারীর উপর এরূপ দলবদ্ধ হামলা ও শ্লীলতাহানীর ঘটনা ঘটেছে? আবারো প্রমাণ মিললো,নারী মাংসের প্রতি প্রচন্ড ক্ষুধা নিয়ে মানবরূপী এ হিংস্র পশুগণ বিপুল সংখ্যায় পথেঘাটে ভদ্রবেশে চলা-ফেরা করে। সুযোগ পেলেই এ জীবগুলো মুখোশ খুলে স্বমুর্তিতে আবির্ভুত হয়,এবং হানা দেয় ও ক্ষুধাও মেটায়।এবারের পহেলা বৈশাখে এরূপ হিংস্র পশুদের হাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি চত্বরে লুন্ঠিত হলো বহু নারীর সম্ভ্রম।এলাকাটি নিভৃত বনজঙ্গল নয়,পতিতাপল্লিও নয়।বরং বাংলাদেশের সেক্যুলারিস্টদের কাছে এটিই সেক্যুলার সংস্কৃতির তীর্থকেন্দ্র।আর সেখানেই অনুষ্ঠিত হলো এ আদিম বন্যতা।

Last Updated on Monday, 27 April 2015 20:27
Read more...
 
একাত্তরের আত্মঘাত ও আজকের বাংলাদেশ PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Sunday, 05 April 2015 09:32

বাঙালী মুসলমানের জীবনে একাত্তর

নামায-রোযা,হজ-যাকাতে যেমন ফরজ,ওয়াজেব ও সূন্নত আছে,তেমনি ফরজ,ওয়াজেব ও সূন্নত আছে রাজনীতিতেও।আছে বহু হারাম বিষয়ও।অন্যদের কাছে রাজনীতি ক্ষমতাদখলের হাতিয়ার। ফলে সে রাজনীতিতে যেমন মিথ্যাচার ও ভন্ডামী আছে,তেমনি সন্ত্রাস ও ভোটডাকাতিও আছে।আছে শত্রুদেশকে নিজ দেশের অভ্যন্তরে ডেকে আনার ষড়যন্ত্র।বাংলাদেশে সেটি যেমন একাত্তরে ঘটেছে,তেমনি আজও হচ্ছে।কিন্তু ঈমানদারের কাছে রাজনীতি হলো ব্যক্তি,সমাজ ও রাষ্ট্রকে ইসলামিকরণের ইবাদত। তাই এটি পবিত্র জিহাদ। এ জিহাদে যেমন অর্থ,শ্রম,সময় ও মেধার বিনিয়োগ আছে,তেমনি রক্তের বিনিয়োগও আছে।প্রতি পেশা,প্রতি কর্ম ও প্রতি আচরনে পথ দেখায় পবিত্র কোরআন।কিন্তু বেঈমানেরা সে পথে চলতে রাজি নয়। দেশের শিক্ষা-সংস্কৃতি,অর্থনীতি,আদালত,প্রশাসন,পুলিশ ও সেনাদফতরের ন্যায় গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গনে মহান আল্লাহতায়ালার নির্দেশাবলির প্রবেশাধিকার দিতেও রাজি নয়। অথচ মু’মিনের ঈমানদারি হলো,ইসলামের প্রতিটি বিধান মেনে চলায়। তাই শুধু নামায-রোযা,হজ-যাকাতে ফরজ-ওয়াজেব মানলে চলে না,ফরজ-ওয়াজেবগুলি মানতে হয় রাজনীতিতেও।

Last Updated on Monday, 06 April 2015 08:51
Read more...
 
Comments (1)
‘চাই শরীয়াহ্ নয়ত শাহাদাত’ এর বিকল্প নাই।
1 Thursday, 09 April 2015 06:48
Ramadaan

একাত্তরে রাজাকাররা বুঝেছিল বাংলাদেশ স্বাধীন হলে মুসলিম উম্মাহ দুর্বল হয়ে যাবে। একাত্তরে তারা মুসলিম উম্মার বিভক্ত চায়নি। হায়রে হতভাগা বাঙ্গালী মুসলিমগণ বুঝলিনা কোথায় তোর স্বার্থ? ডা. ফিরোজ মাহবুব কামাল স্যারকে ধন্যবাদ। উনি এ সত্য বিষয়টা খুব সুন্দরভাবে ব্যাখ্যা করেছেন। আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়াতায়ালা উনাকে মুসলিম উম্মাহ্ র স্বার্থে আরো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করার তৌফিক দান করুন। আমীন।

<< Start < Prev 1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 Next > End >>

Page 1 of 22
Dr Firoz Mahboob Kamal, Powered by Joomla!; Joomla templates by SG web hosting
Copyright © 2015 Dr Firoz Mahboob Kamal. All Rights Reserved.
Joomla! is Free Software released under the GNU/GPL License.