Home •বাংলাদেশ
•বাংলাদেশ
বাংলাদেশে দুর্বৃত্তশাসন ও জনগণের ব্যর্থতা PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Saturday, 18 October 2014 21:28

মিশন যেখানে দুর্বৃত্তির প্রতিষ্ঠা!

কোন দেশে সবচেয়ে ভয়ংকর বিপর্যয়টি মহামারি,ঘূর্ণিঝড়,অতিবৃষ্টি, অনাবৃষ্টি বা সুনামীতে ঘটে না। এরূপ দুর্যোগের কারণে কোন দেশ বিশ্বজুড়ে কলংকিত বা অপমানিতও হয় না।কারণ,এমন বিপর্যয়ের জন্য দায়ী জনগণ নয়। বরং দেশবাসীর জন্য সবচেয়ে বড় বিপর্যয় ও সবচেয়ে বড় অপমানটি আসে রাষ্ট্র ও সমাজ চোর-ডাকাত,খুনি ও দুর্বৃত্তদের দখলে যাওয়ায়। তবে দুর্বৃত্ত শাসনের অকল্যাণটি আরো ব্যাপক ও ভয়াবহ। তাদের শাসনে শুধু যে সামাজিক সুখশান্তি ও জানমালের নিরাপত্তা বিপন্ন হয় তা নয়, বরং সবচেয়ে বড় বিপদটি ঘটে পরকালে। দুর্বৃত্ত শাসনের কাছে আত্মসমর্পণ ও সে শাসনের সাথে সহযোগিতা যেটি অনিবার্য করে সেটি হলো জাহান্নাম। সমগ্র সমাজ ও রাষ্ট্র জুড়ে জাহান্নামের উম্মুক্ত পথ নির্মাণই হলো এমন দুর্বৃত্ত শাসনের মূল প্রকল্প। চোর-ডাকাতদের হামলায় কিছু লোকের অর্থহানি বা প্রাণহানি ঘটে। কিন্তু রাষ্ট্রের বুকে চোর-ডাকাতদের শাসন জেঁকে বসলে তাতে শুধু জনগণের অর্থহানি বা প্রাণহানিই ঘটে না, ঈমানহানি এবং সে সাথে জাহান্নাম প্রাপ্তি ঘটে কোটি কোটি মানুষের। তাই দুর্বৃত্ত শাসকদের দু্র্বৃত্তির চেয়ে অধিকতর গুনাহর কাজ যেমন নেই,তেমনি তাদের নির্মূলের চেয়ে অধিক ছওয়াবের কাজও নেই।

Last Updated on Saturday, 18 October 2014 21:36
Read more...
 
বাংলাদেশে কেন অসভ্য সরকার ও এত বর্বরতা? PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Tuesday, 20 May 2014 21:10

কেন এ নৃশংস অসভ্যতা?

যে দেশের সেনাবাহিনীর লোকেরা নিজদেশের নাগরিকদের খুন করে লাশ নদীতে ফেলে অর্থ কামায় সে দেশকে কি সভ্য দেশ বলা যায়? সে সরকারও কি সভ্য সরকার, যে সরকার নিরস্ত্র মানুষের উপর সশস্ত্র সেনা লেলিয়ে দিয়ে শতশত মানুষকে হতাহত করে এবং নিহতদের লাশ ময়লার গাড়িতে তুলে গায়েব করে দেয়? অথচ রাজধানীর শাপলা চত্বরে ২০১৩ সালের ৫ই মে তারিখে তো সেটিই হয়েছিল। কোন সভ্য সরকার কি নিজ দেশের নাগরিকদের ঘরবাড়ির উপর বুলডোজার চালিয়ে দেয়? সারিবদ্ধ বালিবুঝাই ট্রাক দিয়ে অবরোধ করে কি বিরোধী দলীয় নেত্রীর বাসা? বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের হত্যা করা, গুম করা, রিমান্ডের নামে নির্যাতন সেলে নিয়ে দৈহীক অত্যাচার করা -কোন ধরণের সভ্যতা? বিরোধী দলের অফিসে ভাংচুর করা, তাদের অফিসে তালা লাগিয়ে দেয়া, বিরোধী পত্রিকা ও টিভি চ্যানেল বন্ধ করে দেয়া, বিরোধীদের দলীয় নেতাকর্মীদের রাজপথে সমাবেশ করতে না দেয়া, এমন কি তাদেরকে নিজ অফিসে মিটিং করতে না দেয়াও কি সভ্যতা? অথচ বিরোধী দল দমনে এরূপ নৃশংস বর্বরতাই হলো শেখ হাসিনা সরকারের নীতি। কোন সভ্য সরকার কি কখনো নির্বাচনের নামে ভোট ডাকাতি করে? সংসদের অর্ধেকের বেশী সিটে নির্বাচন ছাড়াই কি সংসদ গঠন করে? কোন সভ্যদেশের আদালত কি দলীয় ক্যাডারদের দাবীতে বিচারের রায় পাল্টায়? অথচ বাংলাদেশে এরূপ অসভ্যতা অহরহ হচ্ছে। এরূপ নানা অসভ্যতার পাশাপাশি দুর্বৃত্তিতে ৫ বার বিশ্বচ্যাম্পিয়ান হওয়াটিও কি কম বর্বরতা? তাছাড়া সরকারের অসভ্যতা শুধু ঘটে যাওয়া নৃশংস বর্বর অপরাধগুলোর বিচার না করা নয়,বরং এরূপ অসংখ্য অপরাধের সাথে তার নিজের সংশ্লিষ্টতাও।

Last Updated on Tuesday, 20 May 2014 21:23
Read more...
 
গণতন্ত্রের কবর ও সন্ত্রাসে আওয়ামী মনোপলি PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Saturday, 08 February 2014 15:22

নগ্ন বেশে সরকার

নির্বাচন নিয়ে শেখ হাসিনার ভাবনা নাই। ভাবনা নাই জনগণের কাছে জবাবদেহীতা নিয়েও। জনগণ কি ভাববে বা আন্তর্জাতিক মহলে দেশ কতটা কলংকিত হবে -সেদিকেও সামান্যতম ভ্রুক্ষেপ নাই। মুজিবের আমলে দেশ তলাহীন ভিক্ষার ঝুলি রূপে পৃথিবী ব্যাপী প্রচার পেয়েছিল। কিন্তু তাতে মুজিব ও তার অনুসারিদের একটুও লজ্জা হয়নি। বরং সে অপমান নিয়ে আজও  আওয়ামী বাকশালীদের অহংকার। লোকলজ্জা লোক পেলে কোন কুকর্মতেই বিবেকের পক্ষ থেকে বাধা থাকে না। নির্বাচনের নামে প্রহসন, যৌথবাহিনী ও অস্ত্রধারি দলীয় গুন্ডাদের দিয়ে শত শত বিরোধী নেতাকর্মীদের গুম,হত্যা ও নির্যাতনে শেখ হাসিনা ও দলীয় কর্মীদের বিবেকে সামান্যতম দংশনও হয় না। যেন দেশে কিছুই হয়নি।মহান নবীজী (সাঃ) তাই লজ্জাকে ঈমানের অর্ধেক বলেছেন। এর অর্থ দাঁড়ায়, যার লজ্জা নাই তার ঈমানও নাই। আর ঈমান না থাকলে তার জন্য ফাসেক, জালেম বা কাফের হওয়া সহজ হয়ে যায়।

Last Updated on Sunday, 09 February 2014 07:30
Read more...
 
রাজনীতিতে ইসলাম নিষিদ্ধের ষড়যন্ত্র ও মুসলমানের ঈমানী দায়ভার PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Saturday, 22 March 2014 23:32

ষড়যন্ত্র কোরআন নিষিদ্ধের

বাংলাদেশের ক্ষমতাসীন সেক্যুলারিস্ট পক্ষটি রাজনীতিতে ধর্ম নিষিদ্ধ করার ঘোষণা দিয়েছে। কিন্তু সেটি কি ইসলামের পাশাপাশি হিন্দু, খৃষ্টান বা বৌদ্ধধর্মও? বাংলাদেশের রাজনীতিতে হিন্দু, খৃষ্টান, বৌদ্ধ বা অন্যকোন ধর্মের অনুসারিদের কোন ধর্মভিত্তিক দল নাই। বাংলাদেশে নিজেদের ধর্মরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা তাদের লক্ষ্যও নয়। ফলে রাজনীতিতে ধর্ম নিষিদ্ধ হলে তাদের কোন ক্ষতি নাই। তাছাড়া তারা আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ নয়,বরং মিত্র ও ভোটার। ফলে বর্তমান শাসক মহলে তাদের বিরুদ্ধে আক্রোশ থাকার কথা নয়। ফলে শেখ হাসিনার মনে মিত্রদের রাজনীতি নিষিদ্ধ করার শখ জাগবে -সেটি কি ভাবা যায়? সেক্যুলারিস্টদের টার্গেট এখানে ইসলাম। রাজনীতিতে ধর্ম নিষিদ্ধ হলে অপূরণীয় ক্ষতি হবে ইসলামের। ইসলামের প্রচার ও প্রতিষ্ঠা প্রতিরোধে আল্লাহর শত্রুপক্ষের এটিই হলো অতি সনাতন নীতি। সমাজ ও রাষ্ট্রের চত্বরে ইসলামের প্রচার ও প্রতিষ্ঠাকে নিষিদ্ধ করার এ নীতিটি যেমন নমরুদ ও ফিরাউনের ছিল, তেমনি শেখ মুজিবেরও ছিল। এখন সে নীতি নিয়েই অগ্রসর হচ্ছে শেখ হাসিনা। তাছাড়া ইসলাম ও ইসলাপন্থিদের বিরুদ্ধে শেখ হাসিনার যু্দ্ধটি তো বহুদিনের। সংবিধানে যারা আল্লাহর উপর আস্থার ঘোষণাটি পর্যন্ত বরদাশত করে না, তারা আবার দেশের রাজনীতিতে আল্লাহর শরিয়ত প্রতিষ্ঠার রাজনীতি থাকতে দিবে -সেটিই বা কি করে আশা করা যায়? ফলে হযরত ইব্রাহীম (আঃ), হযরত মূসা (আঃ) ও হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)কে যেমন নিজেদের জন্মভূমিতে আল্লাহর দ্বীন প্রতিষ্ঠার অধিকার দেয়া হয়নি, তেমনি সে অধিকার ছিনিয়ে নেয়ার ষড়যন্ত্র বাংলাদেশের ইসলামপন্থিদের থেকেও।দেশের মানচিত্র ও ইতিহাস বার বার পাল্টে যায়। কোটি কোটি নতুন মানুষও জন্ম নেয়, কিন্তু মহান আল্লাহতায়ালার দ্বীনের বিরুদ্ধে শয়তান ও তার অনুসারিদের নীতি যে বিন্দুমাত্র পাল্টায় না এ হলো তার নমুনা।

Last Updated on Sunday, 23 March 2014 17:12
Read more...
 
লড়াই এবার ইসলাম ও দেশ বাঁচানোর PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Thursday, 09 January 2014 23:53

দখলদারি শত্রুশক্রির জোগালদারদের

আওয়ামী বাকশালীগণ যখনই ক্ষমতায় আসে তখনই মহা বিপর্যয় ঘটে। তখন যে শুধু গণতান্ত্রিক অধিকার ছিনতাই হয় তা নয়,হায়েনার হাত পড়ে দেশ ও দেশবাসীর ইজ্জতে। বিশ্ববাসীর সামনে বাংলাদেশের মুখ তখন কালিমালিপ্ত হয়।এবং দুর্ভোগ বাড়ে জনগণের।সেটি যেমন মুজিবের আমলে ঘটেছিল,তেমনি হাসিনার আমলেও।অথচ যে কোন দায়িত্বশীল সরকারের মূল কাজটি তো দেশের মুখ উজ্বল করা ও দেশবাসীর সুখশান্তি বাড়ানো। অথচ আওয়ামী বাকশালীদের সে ভাবনা নাই। আর সেটি থাকার কথাও নয়।কারণ তাদের রাজনীতির মূল এজেন্ডা,ভারতের আগ্রাসী রাজনীতির জোগালদারি। দেশের স্বাধীনতা সুরক্ষা যেমন নয়,দেশ ও দেশবাসীর ইজ্জত বাঁচানোও নয়।তাই ভারত যখন বাংলাদেশে চুরি-ডাকাতি করে তখন তাদের কাজ হয় সে লুন্ঠনে জোগালের কাজ করা।সেটি সুস্পষ্ট হয়ে যায় একাত্তরেই। ভারতীয় বাহিনীর ডাকাতি শুরু হয় ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বরে পূর্ব পাকিস্তানের উপর তাদের দখলদারি প্রতিষ্ঠার পরই। তখন ডাকাতির লক্ষ্যবস্তু ছিল পাকিস্তান আর্মির অব্যবহৃত হাজার হাজার কোটি টাকার অস্ত্র ও অবাঙালীদের মালিকাধীন শিল্পকারখানা ও তাদের গৃহের সহায় সম্পদ। সে ডাকাতির প্রতিবাদ করতে গিয়ে সামরিক বাহিনীর চাকুরি হারিয়েছিলেন এবং বন্দী হয়েছিলেন মেজর আব্দুল জলীল। অথচ বাকশালী জোগালেরা সেদিন টু’শব্দটি পর্যন্ত করেনি।বরং তাদের মুখে তখন প্রচন্ড ভারত-বন্দনা।সে বন্দনাটি এখনও অব্যাহত। আর যে ভাবনা থেকে জন্ম নেয় এমন ভারত-বন্দনা তাকেই তারা বলে একাত্তরের চেতনা।বাংলাদেশের ভূমি,নদ-নদী,সীমান্তু,সম্পদ,নারী-পুরুষ,গরুমহিষের উপর ভারতীয়দের পক্ষ থেকে ডাকাতি হলে এ চেতনাধারিরা প্রতিবাদ করে না।

Last Updated on Friday, 10 January 2014 00:03
Read more...
 
<< Start < Prev 1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 Next > End >>

Page 1 of 19
Dr Firoz Mahboob Kamal, Powered by Joomla!; Joomla templates by SG web hosting
Copyright © 2014 Dr Firoz Mahboob Kamal. All Rights Reserved.
Joomla! is Free Software released under the GNU/GPL License.