Home •বাংলাদেশ
•বাংলাদেশ
রাজাকারের চেতনা বনাম মু্ক্তিযোদ্ধার চেতনা PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Sunday, 16 August 2009 01:18

কেন এ লেখা?
একটি জনগোষ্ঠীর জীবনে অতিগুরুত্বপূর্ণ হল তার ইতিহাস। ইতিহাস-জ্ঞান একটি জাতিকে দেয় প্রজ্ঞা, দেয় দূরদৃষ্টি, দেয় সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের সামর্থ। যে জাতি ইতিহাস থেকে শিক্ষা নেয় না, সে জাতির ভবিষ্যতের পথ চলাটি সঠিক হয় না, সুখেরও হয় না। পদে পদে ভ্রান্তি হয়। বিশ্বাসঘাতকদের বার বার বন্ধু মনে হয়। জাতির জীবনে তখন পলাশি আসে বার বার। তাই শুধু সাহিত্য, বিজ্ঞান, ধর্ম-শাস্ত্র, কৃষি, বাণিজ্য বা চিকিৎসা-বিজ্ঞানের চর্চা বাড়িয়ে একটি জাতির বাঁচা আদৌ সুখের হয় না। এজন্যই ইতিহাস-বিজ্ঞানকে বলা হয় শ্রেষ্ঠ বিজ্ঞান। কিন্তু পাকিস্তানের ২৩ বছরে এবং বাংলাদেশে ইতিহাস-চর্চার সাথে সুবিচার করা হয়নি। গুরুত্বও আরোপ করা হয়নি। ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর দেশটিতে অনেকগুলো মেডিকেল কলেজ, ইঞ্জিনীয়ারিং কলেজ, ইঞ্জিনীয়ারিং বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত করা হয়েছিল। প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল বহু হাজার স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসা। প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল বিশ্বের সর্ববৃহৎ পাটের কলসহ শতাধিক কলকারখানা।

Last Updated on Tuesday, 26 October 2010 00:47
Read more...
 
স্বাধীনতায় এত সংকট কেন? PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Wednesday, 05 August 2009 22:52

আলাদা মানচিত্র বা ভিন্ন পতাকাই কি স্বাধীনতার সবটুকু? এমন মানচিত্র ও পতাকা ভূটানের মত বিশ্বের বহু দেশেরই রয়েছে। একসময় সিকিমেরও ছিল। স্বাধীনতার অর্থ নিজের অধীনতা। অপরদিকে পরাধীনতায় অধীনতা অপরের। এবং সেটি শত্রুপক্ষের। স্বাধীন দেশকে পরাধীন করার অমানবিকতা ইতিহাসে প্রচুর। সভ্যতার দাবীদার ইউরোপীয়রা এমনকি দেড় শত বছর আগেও আফ্রিকার মানুষদের গলায় রশি বেঁধে গরুছাগলের ন্যায় জাহাজে তুলেছে, পরিবার-পরিজন থেকে আলাদা করেছে এবং আটলান্টিকের ওপারে নিয়ে নিলামে তুলেছে। কেউ মনিব এবং কেউ ক্রীতদাস এ বিভাজন শুধু ব্যক্তি পর্যায়ে সীমাবদ্ধ থাকেনি। বিশ্বটা অধিকৃত পরাধীন দেশ এবং আধিপত্যবাদী সাম্রাজ্যবাদী দেশ - এ দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে যায়। মনিবের কাছে যা অধিকার পরাধীন গোলামের জন্য তা বিদ্রোহ বা ঔদ্ধত্য গন্য হতে থাকে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বিগত শতাব্দিতে নিছক মানবিক অধিকার চাওয়ার অপরাধে হাজার হাজার কৃষ্নাঙ্গ কৃতদাসকে বিচারের নামে ফাঁসীতে ঝুলিয়ে হত্যা করা হয়েছে।

Last Updated on Tuesday, 26 October 2010 00:47
Read more...
 
বাংলাদেশে ডি-ইসলামাইজেশন PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Saturday, 11 July 2009 00:14

ডি-ইসলামাইজেশনের অর্থ, ইসলাম থেকে মুসলমানদের দূরে সরানো। সেটি হয় দুই ভাবে| এক, অন্যধর্মে দীক্ষা বা ধর্মান্তরের মাধ্যমে। দুই, ইসলামের মুল লক্ষ্যে অনাগ্রহ বা দায়িত্বপালনে নিষ্ক্রীয় করে। বাংলাদেশে এবং সে সাথে সমগ্র বিশ্বের মুসলমানদের ভয়ানক ক্ষতিটি হয়েছে শেষোক্ত পথে। বিগত হাজার বছরে খুব কম সংখ্যক মুসলমানই খৃষ্টান, বৌদ্ধ, পৌত্তলিক বা কাফের হয়েছে। কিন্তু ইসলামের প্রকৃত অনুসরণে প্রচন্ড নিষ্ক্রীয় হয়ে গেছে অধিকাংশ মুসলমান। ফলে বিগত কয়েক শত বছরে মুসলমানদের সংখ্যা বহুগুণ বাড়লেও শক্তি বাড়েনি। বরং উপর্যুপরি পরাজয় ও বিপর্যয় বেড়েছে। আইন-আদালত থেকে নির্বাসিত হয়েছে আল্লাহর আইন। প্রকৃত অবস্থা হল, নবীজী ও তাঁর সাহাবায়ে কেরাম যে ইসলাম অনুসরণ করতেন সে ইসলামই বেশী অপরিচিত বা বিদেশী হয়ে গেছে খোদ মুসলিম ভূমিতে। সনাতন ইসলামের বদলে বরং মুসলিম সমাজের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গে পরিণত হয়েছে সূদ, ঘুষ, মদ্যপান, পতিতাবৃত্তি, নাচগান, বেপর্দা, কবরপুজা ইত্যাদির ন্যায় কুফুরি ও পাশ্চাত্য সংস্কৃতির উপাদানগুলো।

Read more...
 
স্বাধীনতার শত্রুপক্ষ ও ভারতীয় স্ট্রাটেজী PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Tuesday, 28 July 2009 22:39

দেহে প্রাণ থাকলে যেমন রোগভোগের সম্ভাবনা থাকে, তেমনি কোন দেশের স্বাধীন মানচিত্র থাকলে শত্রুপক্ষও থাকে। তাই তেমন শত্রুপক্ষ নিঃসন্দেহে বাংলাদেশেরও আছে। তবে কারা সে শত্রুপক্ষ সেটি বুঝতে হলে বাংলাদেশের ভৌগলিক প্রেক্ষাপট এবং সে সাথে ভারতের স্ট্রাটেজী বা রাজনীতিকে বুঝতে হবে। বাংলাদেশের ভৌগলিক প্রেক্ষাপট অন্যান্য মুসলিম দেশগুলি থেকে ভিন্ন। মায়ানমারের সাথে সামান্য কয়েক মাইলের সীমান্ত ছাড়া তিন দিকেই ভারত। পার্শ্বে বা নিকটে কোন মুসলিম দেশ নেই। বাংলাদেশের ইতিহাসে অনভিজ্ঞ কোন অমুসলিমের কাছে দেশটির ভূগোল নিঃসন্দেহে বিস্ময়কর। বাংলাদেশের স্বাধীন অস্তিত্ব এদের অনেকের কাছেই বোধগম্য নয়। বিষয়টিকে ইচ্ছা করেই আরো বিভ্রান্তিকর করা হচ্ছে ভারতে। ভারতের বিশাল ভূগোলের মাঝে ক্ষুদ্র বাংলাদেশের অবস্থান সেদেশের স্কুল-ছাত্রদের কাছে উপস্থাপিত হয় এক বিরক্তিকর ও প্রশ্নবহ বিষয় রূপে।

Last Updated on Tuesday, 26 October 2010 00:48
Read more...
 
ভারতের টিপাইমুখ বাঁধ এবং পানিযুদ্ধের মুখে বাংলাদেশ PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Wednesday, 01 July 2009 02:44

ভারত বিশাল বাঁধ দিচ্ছে বরাক নদীর উপর। এ বরাক নদীই বাংলাদেশের অমলশীদ নামক জায়গায় সুরমা ও কুশিয়ারা নদীতে বিভক্ত হয়েছে। আবার আজমেরী গঞ্জে এসে একত্রিত হয়ে মেঘনা নদীর জন্ম দিয়েছে। যৌথ পানি কমিশনের সাবেক বাংলাদেশী সদস্য তৌহিদ আনোয়ার খান বলেন, সুরমা ও কুশিয়ারার পানি প্রবাহের মূল উৎস হলো বারাক নদী। তার মতে বরাক নদীর পানির শতকরা প্রায় ৮০ ভাগ পায় কুশিয়ারা, আর প্রায় ২০ ভাগ পায় সুরমা। সিলেটের জকিগঞ্জ সীমান্ত থেকে ১০০ কি.মি. উজানে এ নদীর উপরই টিপাইমুখ জায়গায় নির্মিত হচ্ছে বাঁধ। এ বাঁধ শেষ হবে ২০১২ সালে। উজানে বাঁধ দিলে স্বভাবতই ভাটির নদী পানি পায় না। এটুকু শুধু স্কুলের ছাত্র নয়, নিরক্ষর মানুষও বুঝে। কারণ এটুকু বুঝবার জন্য সামান্য কান্ডজ্ঞানই যথেষ্ট। কিন্তু বুঝতে রাজী নয়, আওয়ামী লীগের দলীয় নেতৃবৃন্দ ও আওয়ামী ঘরানার সরকারি কর্মকর্তাগণ।

Read more...
 
<< Start < Prev 21 22 23 24 25 Next > End >>

Page 23 of 25
Dr Firoz Mahboob Kamal, Powered by Joomla!; Joomla templates by SG web hosting
Copyright © 2018 Dr Firoz Mahboob Kamal. All Rights Reserved.
Joomla! is Free Software released under the GNU/GPL License.