Home •বাংলাদেশ
•বাংলাদেশ
বাংলাদেশে যুদ্ধাবস্থাঃ জনগণ কি আত্মসমর্পণ করবে? PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Tuesday, 17 February 2015 23:13

শুরু হয়েছে যুদ্ধ

বাংলাদেশে এখন লাগাতর যুদ্ধ। দিন দিন এ যুদ্ধ আরো তীব্রতর হচ্ছে। জনগণের উপর চাপিয়ে দেয়া এ যুদ্ধটির মূল লক্ষ্য,বিক্ষুব্ধ জনগণের হাত থেকে অবৈধ সরকারের গদী বাঁচানো। গদীতে আসীন থাকার ফায়দাগুলি তো বিশাল।এতে রাষ্ট্রীয় ভান্ডারের উপর অবাধ লুন্ঠনের লাইসেন্স মেলে। তখন অর্থ লুন্ঠনে ঘরে ঘরে হানা দেয়ার প্রয়োজন পড়ে না। লাইসেন্স মেলে রাজনৈতীক বিরোধীদের হত্যা ও তাদের ঘরবাড়ি,ব্যবসা-বাণিজ্য ও ইজ্জত-আবরুর উপর খেয়ালখুশি মত হামলার।সে সাথে অধীকার মেলে রাষ্ট্রের পুলিশ,প্রশাসন,র‌্যাব,বিজিবী,সেনাবাহিনী ও আদালতের বিচারকদের চাকর-বাকরের ন্যায় ইচ্ছামত ব্যবহারের। এমন অবাধ দখলদারি কি কোন দুর্বৃত্ত সরকার সহজে ত্যাগ করে? তাছাড়া বাংলাদেশের মত দেশে গায়ের জোরে ক্ষমতায় থাকতে কি সংখ্যাগরিষ্ঠের ভোট,সংবিধান বা ন্যায়নীতির সমর্থণ লাগে? তাঁবেদার পুলিশ,বিজেবী,র‌্যাব,সেনাবাহিনী, মিডিয়া ও প্রশাসনই তো সে অবৈধ দখলদারিকে দীর্ঘায়ু দেয়ার জন্য যথেষ্ট।স্বৈরাচারি এরশাদ তো জনসমর্থণ ছাড়াই ১১ বছর ক্ষমতায় থেকে গেছে। শেখ হাসিনার স্বৈরাচারি সরকার তাই গদী ছাড়তে রাজী নয়।

Read more...
 
অবিরাম হোক ইসলাম ও দেশ বাঁচানোর জিহাদ PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Sunday, 11 January 2015 09:51

শত্রুর গ্রাসে দেশ

বাংলাদেশ আজ আর স্বাধীন দেশ নয়। দেশ অধিকৃত ইসলামের শত্রু, গণতন্ত্রের শত্রু, মানবতার শত্রু এবং চিহ্নিত বিদেশী শত্রুর ভয়ংকর জোগালদারদের হাতে। সাম্রাজ্যবাদী শত্রুদের হাত থেকে বাঙালী মুসলমানদের প্রকৃত স্বাধীনতা মেলে ১৯৪৭ সালের ১৪ আগষ্টে। সে স্বাধীনতা শুধু ঔপনিবেশিক ব্রিটিশদের হাত থেকেই নয়,নব্য হিন্দুসাম্রাজ্য নির্মাণে দু’পায়ে খাড়া আগ্রাসী হিন্দুদের হাত থেকেও। বাঙালী মুসলমানদের সে স্বাধীনতাকে ভারতীয় সাম্রাজ্যবাদী মহল শুরু থেকেই মেনে নেয়নি। কাশ্মীর,হায়দারাবাদ, গোয়া, মানভাদরের ন্যায় মুসলিম বাংলাকেও তারা ১৯৪৭ সালেই ভারত-ভূক্ত করতে চেয়েছিল। তারা তো চেয়েছিল অখন্ড ভারত। বাঙালী মুসলমানদের স্বাধীনতার সে মহান দিনটিকে ভারতীয় সাম্যাজ্যবাদী মহল আজও নিজেদের জন্য পরাজয়ের দিন মনে করে। ভারত মাতার দেহ খন্ডিত হওয়ার বেদনায় ভারতীয় হিন্দুগণ তো এখনও কাতর। তাদের স্বপ্ন তো সে খন্ডিত ভারতকে আবার একত্রিত করা। ভারতীয় বিদেশ নীতি, সামরিক নীতি ও স্বদেশ নীতির সেটি যে মোদ্দা কথা সেটি কি আজও কোন গোপন বিষয়? তাই ১৯৭১ য়ে পাকিস্তান ভাঙ্গাটি তাদের সে লক্ষ্য পূরণে প্রথম ধাপ মাত্র, শেষ ধাপ নয়। এজন্যই বাঙালী মুসলিমের স্মৃতি থেকে ভারত ১৯৪৭ সালের ১৪ই আগষ্টকে ভূলিয়ে দিতে চায়। তবে সে লক্ষ্যটি শুধু ভারতীয়দের নয়, বাংলাদেশের বুকে ভারতীয় সাম্রাজ্যবাদের জোগালদার ইসলামের ঘোরতর শত্রু আওয়ামী বাকশালী পক্ষটিরও। সে স্বাধীনতার বিরুদ্ধে উভয়ের পক্ষ থেকেও প্রচন্ড ষড়যন্ত্র শুরু হয় ১৯৪৭ সাল থেকেই।বাকশালি মুজিবের আগরতলা ষড়যন্ত্রের মূল পেক্ষপট তো সে ভারতসেবী এ ইসলাম বিরোধী চেতনা। তাই ১৯৪৭ সালের স্বাধীনতা আন্দোলনের যারা মহান নেতা ছিলেন এবং ইসলাম ও মুসলিম স্বার্থের প্রতি যাদের প্রবল অঙ্গিকার ছিল তাদের স্মৃতিকে এ ভারতসেবী পক্ষটি নিজেদের রচিত ইতিহাসের বই থেকে বিলুপ্ত করেছে, অথবা ভিলেন রূপে খাড়া করেছে।

Read more...
 
বাংলাদেশে সন্ত্রাসী স্বৈরাচারিদের অপরাধনামা PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Wednesday, 10 December 2014 23:29

একা নয় সন্ত্রাসী ঘাতকেরা

সন্ত্রাসী ঘাতকেরা কোন সমাজেই একা নয়।তাদের একার পক্ষে রাষ্ট্রের উপর দখলদারি প্রতিষ্ঠা দূরে থাক,কোন একটি গৃহে একাকী ডাকাতি করাও সম্ভব নয়। বিপুল জনগণের সহযোগিতা না পেলে ফিরাউন,নমরুদ,হালাকু,চেঙ্গিজ,হিটলার,স্টালীন ও পলপটদের মত ভয়ানক নরঘাতকগণ কি কখনোই রাষ্ট্রের উপর দখলদারি প্রতিষ্ঠা করতে পারতো? বুশ-ব্লেয়ারও কি পারতো একাকী আফগানিস্তান ও ইরাকে আগ্রাসন চালাতে এবং দেশ দু’টির লক্ষ লক্ষ নিরপরাধ মানুষকে হত্যা করতে? প্রতি সমাজেই এমন লোকের সংখ্যা প্রচুর যারা শুধু এ ধরণের নৃশংস মনুষ্য জীবকেই নয়,ইতর পশুকেও ভগবান বলতে রাজী। সমগ্র দক্ষিণ এশিয়া জুড়ে এদের সংখ্যা তো একক আল্লাহতায়ালার উপাসনাকারিদের চেয়েও অধীক। নির্বাচনে এরা শুধু নৃশংস নরঘাতকদের বিপুল ভোটে বিজয়ীই করে না,তাদেরকে মাথায় তুলে উৎসবও করে। তাই হিটলার বা নরেন্দ্র মোদীর ন্যায় নরঘাতকগণ যেমন বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়েছে,তেমনি গণন্ত্রের ঘাতক ও ৩০-৪০ হাজার মানুষের প্রাণসংহারি বাকশালী মুজিবও নির্বাচিত হয়েছে। এসব বর্বরদের কোন যুদ্ধই একাকী লড়তে হয়নি। তাদের পক্ষ অস্ত্র ধরেছে লক্ষ লক্ষ মনুষ্য জীব।

Last Updated on Monday, 15 December 2014 21:59
Read more...
 
তীব্রতর হোক স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে জিহাদ PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Tuesday, 06 January 2015 02:47

স্বৈরাচারের নাশকতা

স্বৈরাচারের নাশকতা শুধু মানুষের মৌলিক অধিকার হনন নয়। শুধু শিক্ষা, শিল্প, সংস্কৃতি বা দেশধ্বংস নয়। বরং সবচেয়ে বড় অপরাধটি হলো মানুষের ঈমানধ্বংস।তাদের হাতে কোন দেশ অধিকৃত হলে তখন মানুষের ঈমাননাশে প্রচন্ড মহামারি দেখা দেয়। নমরুদ, ফিরাউনদের শাসনামালে তাই তাদেরকে খোদা বলার মত বিবেকশূণ্য বিশাল জনগণ সৃষ্টি হয়েছে। মানুষকে মানবতাশূণ্য ও ঈমান শূণ্য করা তখন রাষ্ট্রের মূল এজেন্ডায় পরিণত হয়। ফিরাউনদের আমলে বিশাল বিশাল পিরামিড নির্মিত হলেও কোন উন্নত মানব সৃষ্টি হয়েছে বা উচ্চতর আইন বা মূল্যবোধ নির্মিত হয়েছে -তার প্রমাণ নাই। অথচ খোলাফায়ে রাশেদার আমলে একখানি প্রাসাদ নির্মিত না হলেও তাদের আমলে যে মহামানব নির্মিত হয়েছে তারাই সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মানব। সে আমলে যে মানের আইন,সাম্য, সুবিচার ও সামাজিক পলিসি প্রতিষ্ঠা দেয়া হয়েছিল সমগ্র মানব ইতিহাসে সেগুলিই সর্বশ্রেষ্ঠ। তখন উঠের পিঠে চাকরকে বসিয়ে খলিফা নিজে রশি ধরে টেনেছেন। সমগ্র মানব ইতিহাসে এমন দৃষ্টান্ত কি অন্যরা দেখাতে পেরেছে?

Last Updated on Wednesday, 07 January 2015 21:04
Read more...
 
অধিকৃত বাংলাদেশ PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Sunday, 16 November 2014 11:19

অধিকৃতি ইসলামের শত্রুপক্ষের

বাংলাদেশের রাজনীতির নতুন বাস্তবতা হলো, দেশটি এখন আর মুসলিমদের হাতে নেই্। ইসলাম ও মুসলিম –এ দুটি শব্দ পরিত্যক্ত হয়েছে এদেশের মূল পরিচিতি থেকে। বাংলাদেশের উপর বর্তমান অধিকৃতিটি ইসলামের শত্রুপক্ষের। মুসলিম হওয়াটি তাদের কাছে কোন গুরুত্বই বহন করে না। তারা গর্বিত ভারতপন্থি সেক্যুলার বাঙালী জাতীয়তাবাদী রূপে। দেশ শাসনে তারা নিজেরাও স্বাধীন নয়, তাজউদ্দীনের প্রবাসী সরকারের ন্যায় তারাও দিবারাত্র খাটছে ভারতের এজেণ্ডা পালনে। তবে পার্থক্যটি হলো, তাজউদ্দীনের বসবাস ছিল কলকাতায়, আর হাসিনার অবস্থান ঢাকায়। পাকিস্তান আমলে যারা ছিল ভারতের ট্রোজান হর্স তথা গুপ্ত সৈনিক, একাত্তরের পর তারা অবতীর্ণ হয়েছে প্রকাশ্যে ময়দানে। তাদের কারণে ভারতের দখলদারিটি স্রেফ বাংলাদেশের রাজনৈতিক বা প্রশাসনিক অঙ্গণে নয়; সেটি অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক,বুদ্ধিবৃত্তিক ও ধর্মীয় আক্বীদা-বিশ্বাসের ক্ষেত্রেও।ক্ষমতাসীন জোটটি যে ভারতপন্থি সেটি তারা গোপনও করে না। ফলে বিশ্বজুড়ে বাংলাদেশের পরিচিতি এখন ভারতীয় বলয়ভূক্ত একটি আশ্রীত দেশরূপে। ফলে বাংলাদেশে বুকে ভোট ডাকাতি বা শাপলা চত্ত্বরের ন্যায় গুরুতর অপরাধকর্ম ঘটলেও বিদেশীরা তা নিয়ে কিছু বলে না। তারা ভাবে এটি ভারতের আভ্যন্তরীণ বিষয়। তারা ভাবে, বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ভারতেরও কিছু করার অধিকার আছে।

Last Updated on Monday, 28 March 2016 09:15
Read more...
 
<< Start < Prev 1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 Next > End >>

Page 4 of 23
Dr Firoz Mahboob Kamal, Powered by Joomla!; Joomla templates by SG web hosting
Copyright © 2018 Dr Firoz Mahboob Kamal. All Rights Reserved.
Joomla! is Free Software released under the GNU/GPL License.