Home •বাংলাদেশ
•বাংলাদেশ
চোর-ডাকাত ও খুনিদের দখলে দেশ PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Wednesday, 25 December 2013 18:39

দখলদারি চোর-ডাকাতদের

দেশের সবচেয়ে বড় বিপর্যয়টি ঘূর্ণিঝড়,অতিবৃষ্টি, অনাবৃষ্টি বা সুনামীতে ঘটে না। এরূপ দুর্যোগে কোন দেশ বিশ্বজুড়ে কলংকিত বা অপমানিতও হয় না। কারণ,জনগণ এজন্য দায়ী নয়। বরং সবচেয়ে বড় বিপর্যয় ও বড় অপমানটি আসে রাষ্ট্র যদি চোর-ডাকাত ও খুনিদের দখলে যায়। দুর্বৃত্তদের সে দখলদারি এবং সে দখলদারির প্রতি জনগণের নীরবতা বরং মহান আল্লাহর কঠিন আযাবকে অনিবার্য করে তোলে। আজকের বাংলাদেশ তো তেমনি এক দখলদারির শিকার। বহু শত বছর আগে বাংলাদেশে মায়ানমারের বর্গিদের ভয়াবহ হামলা হতো। তারা গ্রামের পর গ্রাম নিঃস্ব করে সমুদ্র পথে নিজ দেশে ফিরে যেত। সুদূর ইউরোপ থেকে এসেছিল পর্তুগীজ জলদস্যুরা। লুন্ঠনে তাদের নৃশংসতাও ছিল লোমহর্ষক। ডাকাতদের বড় অস্ত্রটি হলো জনমনে ত্রাস বা ভয় সৃষ্টি। কারণ অতিভয় মানুষকে প্রতিরোধহীন করে। সেরূপ ত্রাস সৃষ্টিতে তারা শুধু অর্থলুটই করে না,নির্মম ভাবে মানব হত্যাও করে।ঘরবাড়িতে অগ্নিসংযোগও করে। এভাবে কেড়ে নেয় জনগণের প্রতিরোধের সাহস। ফলে নিষ্ঠুর বর্গি ও পর্তুগীজ জলদস্যুদের হাতে বাংলায় বহু মানুষের প্রাণনাশ হতো। ঘরবাড়িও ধ্বংসস্তুপে পরিণত হতো। মানুষ তখন ধনসম্পদ ফেলে পালিয়ে বাঁচার চেষ্টা করতো। সে বিদেশী ডাকাতদের হাত থেকে সাধারণ মানুষদের বাঁচাতে বাংলার মোগল সুবেদার মুর্শিদ কুলিখানকে তার বিশাল নৌবাহিনী নিয়ে দীর্ঘকাল যুদ্ধ করতে হয়েছে।যুদ্ধ করতে হয়েছিল আলিবর্দি খাঁকেও।

Last Updated on Wednesday, 25 December 2013 18:48
Read more...
 
বিচারের নামে পরিকল্পিত হত্যাঃ খুনিদের কি শাস্তি হবে না? PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Friday, 13 December 2013 02:26

সৌভাগ্য শহীদ আব্দুল কাদের মোল্লার

অবশেষে স্বৈরাচারি শেখ হাসিনা ও তার সহযোগীরা অতি পরিকল্পিত ভাবে আব্দুল কাদের মোল্লাকে হত্যা করলো। এ হত্যার জন্য হাসিনা সরকার যেমন বিচারের নামে বিবেকহীন ও ধর্মহীন বিচারকদের দিয়ে আদালত বসিয়েছে, তেমনি সে আদালেতে মিথ্যা সাক্ষিরও ব্যবস্থা করেছে। ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত করার লক্ষ্যে ইচ্ছামত আইনও পাল্টিয়েছে। ফাঁসী ছাড়া অন্য কোন রায় মানা হবে না -আদালতকে সে হুশিয়ারিটি শোনাতে কোটি কোটি টাকা ব্যায়ে শাহবাগ চত্বরে দলীয় ক্যাডারদের দিয়ে সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছে। রাজপথে আওয়ামী-বাকশালীগণ ফাঁসীর যে দাবী তুলেছিল অবশেষে অবিকল সে দাবীই বিচারকগণ তাদের রায়ে লিখলেন। একটি দাঁড়ি-কমাও তারা বাদ দেয়নি।ফাঁসীতে ঝুলানোর জন্য যখন যা কিছু করার প্রয়োজন ছিল, হাসিনা সরকার তার সব কিছু্ই করেছে। তবে জনাব আব্দুল কাদের মোল্লার পরম সৌভাগ্য,সাধারণ খুনী বা সন্ত্রাসীর হাতে তাঁকে খুন হতে হয়নি। রোগজীবাণূর হাতেও তাঁর প্রাণ যায়নি। তাকে খুন হতে হয়েছে ইসলামের এমন এক চিহ্নিত শয়তানি জল্লাদদের হাতে -যাদের রাজনীতির মূল এজেন্ডাই হলো আল্লাহর শরিয়তি বিধানের প্রতিষ্ঠাকে প্রতিহত করা। তাদের কাছে পরম আনন্দের বিষয় হলো, রাষ্ট্রীয় জীবনে কোরআনের আইনকে পরাজিত অবস্থায় দেখা। আল্লাহর এরূপ প্রচন্ড বিপক্ষ শক্তির মোকাবেলায় সরাসরি তাদের সামনে দাঁড়িয়ে তাদেরই হাতে প্রাণ দেয়ার চেয়ে মুসলমানের জীবনে গৌরবজনক আর কি থাকতে পারে? সাহাবাগণ তো মহান আল্লাহর কাছে সবেচেয়ে প্রিয় ও সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মানুষের সম্মান পেয়েছেন ইসলামের শত্রুদে হাতে এরূপ প্রাণদানের মধ্য দিয়ে। বাকশালী কীটগুলো কি কখনো শহীদের সে আনন্দের কথা অনুধাবন করতে পারে?

Last Updated on Saturday, 14 December 2013 17:23
Read more...
 
হাসিনা সরকারের অপরাধনামা ও ডুবন্ত নৌকা PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Thursday, 28 November 2013 03:03

অপরাধ আল্লাহতায়ালার বিরুদ্ধে

শেখ হাসিনা ও তার আওয়ামী সরকারের মুল অপরাধটি স্রেফ জনগণের বিরুদ্ধে নয়, বরং খোদ মহান আল্লাহতায়ালা ও তাঁর কোরআনী আহকামের বিরুদ্ধে। পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহতায়ালা শুধু সিরাতুল মোস্তাকীমই বাতলিয়ে দেননি, বরং সে সিরাতুল মোস্তাকীমে চলার পথে মু’মিনের জীবনে কীরূপ কর্মকান্ড বা মিশন হবে সেটিও সুনির্দিষ্ট করে দিয়েছেন। মিশন তো তাই যা মিশনারি ব্যক্তিটি প্রতিদিন করে, এবং যা নিয়ে তার লাগাতর ভাবনা ও ত্যাগ-সাধনা। সে পথ বেয়েই সে তার স্বপ্নের ভূবনে পৌঁছে। আর সে স্বপ্ন বা ভিশনটি হলো,আল্লাহর জমিনে আল্লাহর দ্বীনের বিজয়। সে লক্ষ্যে আল্লাহতায়ালার নির্দেশিত মিশনটি হলো “আ’মিরু বিল মারুফ ওয়া নেহি আনিল মুনকার”, অর্থাৎ “ন্যায়ের নির্দেশ দান ও অপরাধীদের নির্মূল”। তবে সে বিজয় জায়নামাযে আসে না। মসজিদ-মাদ্রাসায় বা সুফীর আখড়াতেও আসে না। সে মিশন নিয়ে বাঁচায় অনিবার্য হয়, আল্লাহবিরোধী শক্তির বিরুদ্ধে লাগাতর জিহাদ। রাষ্ট্র থেকে নমরুদ-ফিরাউনের ন্যায় অপরাধীদের নির্মূল করাই যে মহান আল্লাহতায়ালার সূন্নত সেটি তিনি নিজে তাদের নির্মূল করে দেখিয়েছেন। তিন চান, মানুষ একাজে তার আনসার বা সহকারি হোক। ঈমান নিয়ে বাঁচার এ এক গভীর দায়বদ্ধতা। দায়বদ্ধতাই তাকে বেঈমানদের থেকে পৃথক করে ফেলে।

Last Updated on Saturday, 30 November 2013 10:58
Read more...
 
বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ভারতের স্নায়ুযুদ্ধ PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Thursday, 05 December 2013 23:51

যুদ্ধের শুরু সাতচল্লিশ থেকেই

যুদ্ধ শুধু গোলাবারুদে হয় না। অতি আগ্রাসী ও দেশধ্বংসী যুদ্ধ হয় গোলাবারুদ ছাড়াই। পূর্ব ইউরোপের সমাজতান্ত্রিক দেশগুলোকে পাশ্চাত্যের পুঁজিবাদী শক্তির প্রভাব বলয়ে বন্দী করতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তার ইউরোপীয় মিত্রদের একটি গোলাও ছুঁড়তে হয়নি। সেটি সম্ভব হয়েছে স্নায়ুযুদ্ধের ময়দানে বিশাল বিজয়ের ফলে। এটি এক শীতলযুদ্ধ। এখানে জয়-পরাজয় হয় অতি নীরবে। পূর্ব ইউরোপের এ দেশগুলো মার্কিন স্বার্থের এতটাই তাঁবেদারে পরিণত হয়েছে যে,পোলান্ড, আলবানিয়াসহ কয়েকটি দেশের সৈন্যরা আফগানিস্তান ও ইরাকে মার্কিন সৈন্যদের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে যুদ্ধও লড়েছে। স্নায়ু যুদ্ধ লড়তে হলে প্রয়োজন পড়ে বিশাল গুপ্তচর বাহিনীর,এবং সে সাথে সাংস্কৃতিক, বুদ্ধিবৃত্তিক ও মিডিয়া সৈনিকের।ভারত সে যুদ্ধটি বাঙ্গালীর চেতনা রাজ্যে ১৯৪৭থেকেই লড়ে আসছে।তখন সে যুদ্ধের লক্ষ্য ছিল পাকিস্তানের বিনাশ। আর এখন লক্ষ্য, বাংলাদেশের বিনাশ। গোলাবারুদের যুদ্ধে দেশ দখল হয়। আর স্নায়ুযুদ্ধে অধিকৃত হয় শত্রুদেশের জনগণের মনের ভূগোল। পরাজিত নাগরিকগণ তখন মানসিক গোলামে পরিণত হয়।

Last Updated on Saturday, 07 December 2013 09:15
Read more...
 
ভারতের বাংলাদেশভীতি ও গ্রান্ড স্ট্রাটেজী PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Sunday, 17 November 2013 18:21

ভারতের বিনিয়োগ

হাসিনা-বিরোধী আন্দোলন যতই তীব্রতর হচ্ছে ভারতের শাসক মহলে ততই বাড়ছে বাংলাদেশভীতি।শেখ হাসিনার উপর ভারতীয় নেতাদের প্রগাড় আস্থা। কারণ শেখ হাসিনা ভারতকে যতটা সুযোগ-সুবিধা দিয়েছে তা অন্য কোন দেশ থেকে পেতে হলে ভারতকে যুদ্ধ করতে হতো বা সেদেশের অর্থনীতিতে বিশাল বিনিয়োগ করতে হতো। যেরূপ পশ্চিম ইউরোপীয় দেশসমুহ ও জাপানকে বন্ধু রূপে পেতে মার্কিনীরা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সেসব দেশের পুননির্মাণে বহু বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করেছে। অথচ ভারত বাংলাদেশ থেকে সেটি পেয়েছে কোনরূপ অর্থব্যয় না করেই। কারণ চাকর বাকর পেতে বড় কিছুই বিনিয়োগ করতে হয় না। তারা ভাবে, এজন্য কিছু উচ্ছিষ্ট ব্যয়ই যথেষ্ঠ। ভারতীয় বর্ণহিন্দুরা শেখ মুজিব, শেখ হাসিনা বা কোন বাঙালী মুসলমানকে কোনকালেই কি চাকর বাকরের চেয়ে বেশী কিছু ভেবেছে? ভারতের মুসলমানদেরও কি তারা তেমন কিছু ভাবে? সংখ্যায় তারা জনসংখ্যার শতকরা ১৬ ভাগ হলে কি হবে,সরকারি চাকুরিতে মুসলমানদের হিস্যা শতকরা ৪ ভাগেরও কম। পাশের পশ্চিম বাংলার মুসলমানদের বঞ্চনা তো আরো করুণ।তারা সেখানে শতকরা ২৮ভাগ, অথচ সরকারি চাকুরিতে তাদেরকে শতকরা ৫ ভাগও দেয়া হয়নি।

Last Updated on Sunday, 24 November 2013 08:50
Read more...
 
<< Start < Prev 1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 Next > End >>

Page 6 of 23
Dr Firoz Mahboob Kamal, Powered by Joomla!; Joomla templates by SG web hosting
Copyright © 2018 Dr Firoz Mahboob Kamal. All Rights Reserved.
Joomla! is Free Software released under the GNU/GPL License.