Home •বাংলাদেশ
•বাংলাদেশ
বাংলাদেশে শত্রুশক্তির যুদ্ধ PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Sunday, 09 June 2013 17:31

শত্রুপক্ষের রণকৌশল

মুসলমানগণ কোন কালেই শত্রুমূক্ত ছিল না। আজও নয়। যেখানেই মুসলমান আছে সেখানে শয়তান এবং তার দলবল ও রণকৌশলও আছে। কোন বিজন দ্বীপে ঈমানদার ঘর বাঁধলেও শয়তান সেখানেও তার কুটকৌশল নিয়ে হাজির হয়। তাই ১৫ কোটি মুসলমানের দেশে শয়তান থাকবে না, এবং তার বাহিনী ও রণকৌশলও থাকবে না সেটি কি ভাবা যায়? মুসলমানের দায়িত্ব হলো শয়তানের সে বাহিনী ও তার কৌশলগুলোকে সনাক্ত করা এবং এবং সে বাহিনীর বিরুদ্ধে লাগাতর লড়াই করা। প্রতিটি মুসলমানের উপর এ এক অর্পিত দায়ভার। সে দায়ভার পালনে নবীজী (সাঃ) ও তাঁর প্রতিটি সাহাবীকে আজীবন লড়াই লড়তে হয়েছে। অধিকাংশ সাহাবীকে শহীদ হতে হয়েছে। যারা সে লড়াইয়ে অংশ নেয়নি তাদেরকে মুনাফিক বলা হয়েছে। ঈমানদার হওয়ার অর্থই হলো শয়তানি শক্তির চিরকালের শত্রুতে পরিণত হওয়া। মু’মিন ব্যক্তির জীবনে এটিই সবচেয়ে বড় পরীক্ষা এবং সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। মু’মিন ব্যক্তিকে বাঁচতে হয় ইসলামের শত্রুর পক্ষ থেকে আরোপিত একটি ভয়ংকর যুদ্ধের চ্যালেঞ্জ নিয়েই্। সে চ্যালেঞ্জ নিয়ে বাঁচার পুরস্কার স্বরূপ পরকালে ঈমানদার ব্যক্তি পায় অফুরন্ত নিয়ামত ভরা জান্নাত। পরীক্ষায় পাশ না করলে যেমন প্রমোশন জুটে না, তেমনি এ চ্যালেঞ্জ সঠিক ভাবে মোকাবেলা না করলে জান্নাতও জুটবে না। এ বিষয়ে মহান আল্লাহতায়ালা কোন অস্পষ্টতা রাখেননি। সে সতর্ক বাণীটি পবিত্র কোরআনে বার বার শোনানো হয়েছে। বলা হয়েছে, “আমি অবশ্যই তোমাদর পরীক্ষা করবো ভয় দিয়ে, ক্ষুধা দিয়ে, জান ও মালের ক্ষতি দিয়ে এবং ফসলের লোকসান দিয়ে। সুসংবাদ দিন মু’মিনদের।” –(সুরা বাকারা )।

Last Updated on Sunday, 09 June 2013 19:50
Read more...
 
আবুল বারাকাতের মহাবিপর্যয় ভীতি ও মিথ্যা উৎপাদন PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Tuesday, 28 May 2013 00:02

কে এই আবুল বারাকাত?

রাজনৈতীক ভাবে নির্মূল হওয়ার ভীতি আওয়ামী লীগ ও তার মিত্রদের মনে যে কতটা প্রকট সেটিরই উৎকট প্রকাশ ঘটেছে গত ১৮/০৫/১৩ তারিখে ঢাকা থেকে প্রকাশিত “সাপ্তাহিক”য়ে দেয়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড.আবুল বারাকাতের একটি সাক্ষাতকারে। প্রশ্ন, কে এই আবুল বারাকাত? ইসলামের বিরুদ্ধে তার দুষমনি ও প্রতিহিংসার দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে। ইসলামের শত্রু পক্ষের তিনি একজন প্রথমসারির সৈনিক। তার লড়াই বুদ্ধিবৃত্তির ময়দানে। শাহবাগের নাস্তিক আয়োজকগণ হলো তার নিজের ভাষার আলোকিত সৈনিক। ফলে তারা যে তার অতি কাছের লোক সেটি তিনি গোপন রাখেনি। তার কন্যাও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক। ইসলামের বিরুদ্ধে তার ন্যায় তার কন্যার আক্রোশও অধিক।সম্প্রতি তার কন্যা সে আক্রোশের প্রকাশ ঘটিয়েছিল,সপ্তাহের আর সব দিন বাদ দিয়ে জুম্মার নামাযের সময় ছাত্রদের পরীক্ষার আয়োজন করে। অবশেষে ছাত্রদের প্রতিবাদের মুখে তার সে ষড়যন্ত্র সে বানচাল হয়। সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানের বাংলাদেশকে তারা যে কোন দিকে নিতে চায় সেটি কি এর পরও গোপন  থাকে?

 

Last Updated on Tuesday, 28 May 2013 21:36
Read more...
 
আওয়ামী শাসনের নাশকতা PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Saturday, 11 May 2013 22:35

রাষ্ট্র যেখানে জুলুমের হাতিয়ার

বাংলাদেশে জুলুমের সবচেয়ে নিষ্ঠুরতম ও সবচেয়ে বড় হাতিয়ারটি পেশাদার চোর-ডাকাত বা খুনি-সন্ত্রাসীদের সংগঠন নয়। সেটি খোদ রাষ্ট্র। সরকারের পুলিশ, র‌্যাব ও বিজিবি নিরস্ত্র মানুষ হত্যায় কতটা নৃশংস ও কতটা বর্বর হতে পারে সেটি তারা ৫ই মের রাতে ঢাকার মতিঝিলে অগণিত নিরস্ত্র মানুষ হত্যার মধ্য দিয়ে দেখিয়ে দিল। বাংলাদেশের সকল ডাকাত বা সকল খুনি-সন্ত্রাসী সারা বছরে যত মানুষকে হত্যা করতে পারিনি সেখানে সরকারি এ খুনি বাহিনীগুলি একরাতে তা হত্যা করেছে। দৈনিক যুগান্তর ১২/০৫/১৩ তারিখে লিখেছে সরকার ৭, ৫৮৮ জন্য অস্ত্রধারি সেপাইকে এ কাজে নামিয়েছিল। তাদের ১,৩০০ জন এসেছিল র‌্যাব থেকে, ৫,৭১২ জন পুলিশ থেকে এবং ৫৭৬ জন বিজিবী থেকে। যেন প্রকাণ্ড এক যুদ্ধ। পত্রিকাটি লিখেছে, তারা এক লাখ ৫৫ হাজার গোলাবারুদ ব্যবহার করেছে। প্রশ্ন হলো ১৯০ বছরের ঔপনিবেশিক ব্রিটিশ আমলে বা ২৪ বছরের পাকিস্তান আমলে কোনদিনও কি এতবড় বাহিনী জনগণের বিরুদ্ধে রাস্তায় নামানো হয়েছে? এবং এতগুলি ছোড়া হয়েছে?

Last Updated on Friday, 17 May 2013 19:11
Read more...
 
শেখ হাসিনার অপরাধী মানস ও দেশের ললাটে কলংক লেপনের রাজনীতি PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Sunday, 26 May 2013 23:30

যে ভয় অপরাধীকে নৃশংস করে

ডাকাতের হাতে নিরীহ মানব হত্যার পিছে যেটি কাজ করে সেটি বীরত্ব নয়,বরং তার নিজের মারা পড়ার ভয়। কারণ,সে যে গুরুতর অপরাধী সেটি নিজেও জানে। প্রতিশোধ হামলা বা শাস্তি পাওয়ার ভয় থেকেই ডাকাতেরা তাই অতিশয় হত্যাপাগল হয়।ভয়ের কারণে তারা যেমন দিনের আলোয় ডাকাতি করে না,তেমনি তাদের কুকর্ম কেউ দেখে ফেললে তাদেরও বাঁচতে দিতে চায় না। তারা যেমন অপরাধ লুকাতে চায়, তেমনি সে অপরাধের সাক্ষিও গায়েব করতে চায়। ফলে সামান্য অর্থের ডাকাতিতেও তারা নৃশংস হত্যাকান্ড ঘটায়। একই রূপ মৃত্যুর ভয় কাজ করে স্বৈরাচারি শাসকের মনে। কারণ, প্রতিযুগে এবং প্রতিটি সভ্য জনপদে স্বৈরাচার গণ্য হয় অতি জঘন্য অপরাধ কর্ম রূপে।তাদের ডাকাতিটা শুধু জনগণের সম্পদের উপর নয়,বরং মৌলিক মানবিক অধিকারের উপরও। ফলে তাদের ডাকাতিটা যেমন মানবতা বিরোধী ও অতি নৃশংস, তেমনি তাদের মনের ভয়টিও অতি গভীর। আর তার প্রভাব গিয়ে পড়ে তাদের রাজনীতিতে। রাজনীতিতে তাদের বিচরণটি হয় সর্বসময়ের ভয় নিয়ে।সেটি নির্মূলের ভয়।তারা তখন দেশজুড়ে শত্রু দেখে। ফলে তাদের রাজনীতিটা হয় শত্রুনির্মূলের রাজনীতি। ফলে বেছে নেয় নির্বিচারে মানবহত্যার ও নানারূপ নির্যাতনের পথ।শেখ মুজিবের রাজনীতিতে সেটি দেখা গেছে। সে ভয় থেকেই তিনি বিশাল রক্ষি বাহিনী গড়ে তুলেছিলেন। অথচ পাকিস্তানের ২৪ বছরে সেরূপ কোন রক্ষিবাহিনীর প্রয়োজন পড়েনি। অবশেষে ভয়ের মাঝেই মুজিবকে সহিংস পথে বিদায় নিতে হয়েছে। রক্ষিবাহিনী, সেনাবাহিনী ও পুলিশ তাকে বাঁচাতে পারিনি। আজ একই  ভয় এবং একই নৃশংসতা ফুটে উঠেছে শেখ হাসিনার রাজনীতিতেও।

Read more...
 
বাংলাদেশে গণহত্যা ও ঈমানদারের দায়ভার PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Wednesday, 08 May 2013 17:23

বাংলাদেশ এখন বধ্যভূমি

হেফাজতে ইসলামের মুসল্লিদের রক্তের স্রোতে মতিঝিলের পিচঢালা কালো রাস্তা লালে লাল হয়ে গেছে। গত ৫ই মে’র দিবাগত রাতে হেফাজতে ইসলামের লক্ষাধিক কর্মী যখন খোলা রাস্তায় বসে শান্তিপূর্ণ ভাবে ধর্না ছিল, কেউ বা জিকর করছিল, কেউ বা ঘুমিয়েছিল তখন রাত ২-৩০মিনিটের দিকে হঠাৎ রাস্তায় বিদ্যুতের বাতি বন্ধ করে দেয়া হয়। সে ঘন আঁধারে বিজিবি, র‌্যাব ও পুলিশের হাজার হাজার সদস্য হায়েনার ন্যায় ঝাঁপিয়ে পড়ে হেফাজত কর্মীদের উপর। বৃষ্টির ন্যায় অবিরাম গুলি বর্ষণ ও গ্রেনেড নিক্ষেপে কেঁপে উঠে সমগ্র ঢাকা। যেন দেশের উপর শত্রু বাহিনীর সামরিক অভিযান চলছে। গুলির সাথে তাদেরকে লাঠি দিয়েও পেটানো হয়।“দৈনিক আমার দেশ” এর রিপোর্টঃ “রাত তখন প্রায় আড়াইটা।মতিঝিলের শাপলা চত্বরে আগত মুসল্লিদের অনেকেই ক্লান্ত শরীর নিয়ে তখন ঘুমিয়ে পড়েছেন।অসংখ্য মুসল্লি তখনও জিকিরে মশগুল। এ অবস্থায় মাইকে ভেসে আসে একটি ঘোষণা-আপনারা সরে যান।এখন আমরা শাপলা চত্বর খালি করার জন্য যা যা করা দরকার তাই করব। তাতে স্বভাবতই রাজি হয়নি আল্লাহর পথে নিবেদিতপ্রাণ মুসল্লিরা।এরপর আর কথা বাড়ায়নি সরকারের নিরাপত্তা বাহিনী।অন্তত ১০ হাজার পুলিশ,র‌্যাব,বিজিবি ও অন্যান্য সংস্থার সদস্যরা ত্রিমুখী হামলা শুরু করে।ব্রাশফায়ারের মুহুর্মুহু গুলি, গ্রেনেড,টিয়ারশেল আর সাউন্ড গ্রেনেড নিয়ে নিরস্ত্র মুসল্লিদের ওপর হামলা চালায় তারা।মুসল্লিদের দিকে গুলি আসতে থাকে বৃষ্টির মতো। এর কিছুক্ষণের মধ্যেই শাপলা চত্বরে ঘটে ইতিহাসের বর্বরতম হত্যাযজ্ঞ।কেউ কেউ ঘুমের মধ্যেই চলে যান চিরঘুমের দেশে।অনেকে আবার কিছু বুঝে উঠার আগেই ঢলে পড়েন মৃত্যুর কোলে।-(আমার দেশ ৭/০৫/১৩)।

Last Updated on Wednesday, 08 May 2013 18:33
Read more...
 
<< Start < Prev 1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 Next > End >>

Page 8 of 23
Dr Firoz Mahboob Kamal, Powered by Joomla!; Joomla templates by SG web hosting
Copyright © 2017 Dr Firoz Mahboob Kamal. All Rights Reserved.
Joomla! is Free Software released under the GNU/GPL License.