Home •আন্তর্জাতিক
•আন্তর্জাতিক
মার্কিন সন্ত্রাসের কাছে বিশ্ববাসী কি আত্মসমর্পণ করবে? PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Saturday, 01 January 2011 10:14

ত্রাস বা ভয় সৃষ্টিই যদি সন্ত্রাস হয় তবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আজ সেটিই করছে বিশ্বব্যাপী। সে সন্তাসের শিকার বিশ্বের দরিদ্র রাষ্ট্রগুলীই শুধূ নয়, খোদ জাতিসংঘ এবং তার সবল ও দুর্বল সদস্য রাষ্ট্রগুলী। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র চাপ দিচ্ছিল, ইরাকের বিরুদ্ধে তাদের পরিকল্পিত আগ্রাসী যুদ্ধকে বৈধতা দিতেই হবে। এজন্য ২৪ ঘন্টা সময়ও বেঁধে দিয়েছে। যুদ্ধ তারা করবেই, জাতিসংঘের কাজ সেটিকে জায়েজ ঘোষণা দেওয়া। যুক্তরাষ্ট্রের  সন্ত্রাসী শাসক চক্র বিশ্ববাসীকে যে কতটা বেওকুপ ভাবে এটি হলো তারই প্রমান। ফ্রান্সসহ জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের অধিকাংশ সদস্যরাষ্ট্রি সে চাপের কাছে নতি স্বীকার করেনি। আর সেটিই মার্কিনীদের কাছে অপরাধে পরিণত হয়েছে। সমর্থণ লাভে ব্যর্থ হয়ে বলছে নতুন প্রস্তাব পাশের কোন প্রয়োজনই নেই। বহু প্রতিক্ষিত যুদ্ধের প্রস্তুতি স্বরূপ প্রেসিডেন্ট বুশ ১৭ই মার্চে সাদ্দামকে ২৪ ঘন্টার মধ্যে দেশ ছেড়ে পলায়ন অথবা যুদ্ধ এ দুটির যে কোন একটিকে বেছে নেওয়ার হুমকি দিয়েছে। সাদ্দাম এ হুমকি প্রত্যাখান করেছে। অতএব হামলা এবার হবেই। হাজার হাজার বোমা, ক্ষেপনাস্ত্র ও ভারী কামানে গোলা গিয়ে অচিরেই ইরাকের নীরস্ত্র মানুষের মাথায় নিক্ষিপ্ত হবে। নিহত ও আহত হবে দেশটির লক্ষ লক্ষ মানুষ। প্রেসিডেন্ট এতকাল যে ক্রুসেডের হুশিয়ারি শুনিয়ে আসছিলেন সেটিই শুরু হবে অতি বীভৎস্যরূপে। ফিলিস্তিনের ন্যায় এদেশটিও দীর্ঘকালের জন্য অধিকৃত হবে ইসরাইলের মিত্র ও রক্ষক মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হাতে।

Read more...
 
মৃত্যুশয্যায় এবার পুঁজিবাদ PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Saturday, 01 January 2011 07:59

মৃত্যু ঘটেছে সমাজবাদী বিশ্বশক্তি সোভিয়েত রাশিয়ার। মৃত্যুশয্যায় এবার পুঁজিবাদ এবং সে মতবাদের প্রধানশক্তি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। বিশ্ব-রাজনীতি তাই এখন নতুন যুগ-সন্ধিক্ষণে। নানা অজ্ঞতা ও বিভ্রান্তির পাশাপাশি সেকুলারিজম প্রসব করেছিল দুটি প্রবল মতবাদ। একটি হল পুঁজিবাদ, অপরটি সমাজবাদ। মানব জাতির যত অকল্যাণ এ দুটি মতবাদের হাতে হয়েছে তা আর কোন ধর্ম বা মতবাদের হাতে হয়নি। দুটি মতবাদের জন্মে অভিন্ন উপাদান হল নিরেট ইহলৌকিকতা ও বস্তুবাদ। পুঁজিবাদের সাথে সমাজবাদের মূল বিবাদ পুঁজির উপর নিয়ন্ত্রন ও বন্ঠন নিয়ে, মানব বা সৃষ্টিকূলের সৃষ্টি-রহস্য নিয়ে নয়। বিবাদ নয় আখেরাতের অস্বীকার নিয়েও। উভয় মতবাদের অনুসরারিরাই দীক্ষা নিয়েছে ডারউনের বিবর্তনবাদ থেকে। ফলে তাদের কাছে মানুষও পশু-পাখী, মশা-মাছি ও বানর-সিম্পজীর ন্যায় আরেক জীব মনে হয়। এতে তাদের মাঝে গড়ে উঠেনি নিজেদের নিয়ে উচ্চতর চেতনাবোধ বা মানবিক ভাবনা। গড়ে উঠেনি কোন মানবিক মূল্যবোধের উচ্চতর স্টান্ডার্ড। আফগানিস্তান, ভিয়েতনাম, ইরাকের নিরীহ ও নিরস্ত্র গ্রামবাসীর উপর বোমা ফেলাও তখন জাতীয় গর্বের বিষয় মনে হয়। এমন একটি চেতনার কারণেই জর্জ বুশ বা ব্লেয়ারের ন্যায় ইতিহাসের অতি নিষ্ঠুর যুদ্ধাপরাধীও বিপুল ভোটে নির্বাচনে বিজয়ী হয়। সে ঘোরতর যুদ্ধাপরাধকে অব্যাহত করার প্রতিশ্রুতি নিয়েও সিনেটর জন ম্যাকেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে শতকরা ৪৭ ভাগ ভোট পায়।

Read more...
 
বাবরী মসজিদ মামলার রায়ঃ কবরস্থ হল ন্যায়বিচার PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Saturday, 23 October 2010 17:28

ভারতের এলাহাবাদ হাইকোর্ট বিগত ১৮ বছর ধরে ঝুলে থাকা বাবরী মসজিদ মামলার রায় গত ৩০শে সেপ্টম্বরে ঘোষণা দিল। এ রায়ে প্রকাশ পেয়েছে ভারতের আসল চেহারা। সেদেশে মুসলমানদের জানমাল, ইজ্জত-আবরু এবং সহায়সম্পদই শুধু নয়,তাদের মসজিদ মাদ্রাসাও যে কতটা ভয়ানক বিপদের মধ্যে আছে এ রায়ের মধ্য দিয়ে সেটিই আবার প্রকাশ পেল। আদালতের রায়ে পুরস্কৃত করা হল সাম্প্রদায়িক হিন্দু সন্ত্রাসীদের। ভারতের মাটিতে মুসলিম হত্যা, মুসলিম নারী ধর্ষন ও তাদের ঘরবাড়ী ও দোকানপাঠ ধ্বংস নতুন কিছু নয়। ১৯৪৭ সালে স্বাধীনতা লাভের পর থেকে ভারতের মাটিতে মুসলমানদের হাজার হাজার ঘরবাড়ি, মসজিদ, ঈদগাহ ও ওয়াকফ সম্পতি হিন্দুদের হাতে জবর দখল হয়ে গেছে। নিহত হয়েছে বহু লক্ষ মুসলিম। বহু হাজার মুসলিম নারী ধর্ষিতাও হয়েছে। কিন্তু আদালতের রায়ের মধ্য দিয়ে এবার যা ঘটল সেটি মুসলমানদের জন্য আরো আতংকজনক। হিন্দু সন্ত্রাসীদের পাশাপাশি এবার বিচারকদের হাতে ধর্ষিত, নিহত ও কবরস্থ হল ন্যায় বিচার। বিচারের নামে লুন্ঠিত হল মসজিদের ভূমি। আদালতের রায়ের মাধ্যমে মসজিদের ভিটায় সুযোগ করে দেওয়া হল মন্দির নির্মানের। মুসলমানদের জন্য যা শুধু অপমানজনকই নয়,ধর্মীয় ভাবে অগ্রহণযোগ্যও। জুলুম ও অবিচারের বিরুদ্ধে প্রতিকার চাওয়ার স্থানও যে ভারতীয় মুসলমানদের নাই এ আদালতের রায়ে সেটিই নতুন করে প্রমাণিত হল।

Last Updated on Tuesday, 26 October 2010 00:40
Read more...
 
কাশ্মিরের স্বাধীনতা সংগ্রাম এবং বিপর্যয়ের মুখে ভারতীয় সম্প্রসারণবাদ PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Saturday, 01 January 2011 06:49

ভারতের অহংকার, এ বিশ্বে তারাই সবচেয়ে বড় গণতান্ত্রিক দেশ। কিন্তু একথা বলে না, তারাই বিশ্বের সবচেয়ে বড় সম্প্রসারণবাদী ও দখলদার দেশ। তার নমুনা কাশ্মির। দুনিয়ার আর কোথাও মাথাপিছু হারে এত অধিক সংখ্যক দখলদার সৈন্য নেই যা রয়েছে কাশ্মিরে। ইরাকের জনসংখ্যা  ২ কোটি ৭৫ লাখ (জুলাই, ২০০৭য়ের হিসাব মোতাবেক) এবং আয়তন ১৬৯,২৩৫ বর্গমাইল। ইরাকে দখলদার মার্কিন ও তার মিত্রবাহিনীর সৈন্য সংখ্যা প্রায় দেড় লাখ। আফগানিস্তানের জনসংখ্যা তিন কোটি বিশ লাখ (জুলাই, ২০০৭য়ের হিসাব মোতাবেক) এবং আয়তন ২৫১, ৮৮৯ বর্গমাইল। এবং সেখানে দখলদার ন্যাটো বাহিনীর সৈন্য সংখ্যা ৭০ হাজার। কাশ্মীরের জনসংখ্যা মাত্র এক কোটি এবং আয়তন ৮৫, ৮৬৬ বর্গমাইল। অধিকৃত সে কাশ্মিরে ভারতীয় দখলদার বাহিনীর সেনা সংখ্যা ৫ লাখ। অর্থাৎ প্রতি একলাখ মানুষের জন্য আফগানিস্তানে যেখানে ২১৮ জন দখলদার সেনা এবং ইরাকে ৫৪৫ জন; কাশ্মিরে সে সংখ্যা হল ৫ হাজার। হিসাবে দাঁড়ায়, গড়ে প্রতি ১০০০ কাশ্মিরীর জন্য রয়েছে ২০জন ভারতীয় সৈন্য। প্রতিটি কাশ্মিরী পরিবারের সদস্য সংখ্যা যদি গড়ে ৫ জন ধরা হয় তবে অর্থ দাঁড়ায়, যে গ্রামে ২০০ ঘর মানুষের বাস সেখানে অবস্থান নিয়েছে ২০ জন ভারতীয় সৈন্য। অথচ ১৯৭১ সালে পাকিস্তান যখন তার তৎকালীন পূর্ব-পাকিস্তান প্রদেশে প্রকান্ড যুদ্ধ লড়ছিল তখনও এ এলাকায় তার সৈন্য সংখ্যা ছিল মাত্র ৯০ হাজার; প্রতি এক লাখের জন্য মাত্র ১২০ জন। ১৫ কোটি মানুষের দেশ পাকিস্তানে বর্তমানে সর্বমোট সৈন্য সংখ্যা হল ৬ লাখ ১৯ হাজার।

Read more...
 
ইরানের নির্বাচনে আহমদীনেজাদের বিজয় ও সাম্রাজ্যবাদের ষড়যন্ত্র PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Friday, 26 June 2009 00:38
ইরানের সাম্প্রতিক নির্বাচনে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন সে দেশের বর্তমান প্রেসিডেন্ট জনাব মাহমুদ আহমদী নেজাদ। তিনি ইরানের নির্বাচনি ইতিহাসে সবচেয়ে বেশী ভোটে বিজয়ী হয়েছেন। নিবার্চনে মানুষের অংশগ্রহনও ছিল অপূর্ব। ভোট দিয়েছে দেশের শতকরা ৮৫ ভাগ ভোটার, জনগণের এমন বিপুল অংশগ্রহনের নজির মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেনসহ কোন পাশ্চাত্য দেশে নেই। কিন্তু আহমদী নেজাদের এমন বিজয়ে পাশ্চাত্য বিশ্ব খুশি হতে পারেনি। তারা অধির আগ্রহে বিজয়ের অপেক্ষায় ছিল প্রতিদ্বন্ধী প্রার্থী জনাব মীর হোসেন মোসাভীর। তারা আহমদী নেজাদের বিজয় মানতেই রাজী ছিল না। মানতে রাজী ছিল না মীর হোসেন মুসাভী নিজেও। একথা ঠিক, মীর হোসেন মুসাভী বিপুল লোক সমাগম করতে পেরেছিলন তেহরানের রাস্তায়। তেহরান শহরে তিনি প্রায় ৫ লাখ ভেটে জিতেছেনও।
Read more...
 
<< Start < Prev 1 2 3 4 5 6 Next > End >>

Page 4 of 6
Dr Firoz Mahboob Kamal, Powered by Joomla!; Joomla templates by SG web hosting
Copyright © 2017 Dr Firoz Mahboob Kamal. All Rights Reserved.
Joomla! is Free Software released under the GNU/GPL License.