Home •আন্তর্জাতিক
•আন্তর্জাতিক
সভ্যতার সংঘাত এবার পাকিস্তানে PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Saturday, 23 May 2009 15:43
সভ্যতার সংঘাতের তত্ত্ব পেশ করেছিলেন মার্কিন প্রোফেসর হান্টিংটন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র্রের বুদ্ধিবৃত্তিক ময়দানে এটি এক আলোড়ন সৃষ্টিকারি মতবাদ। যা প্রবলভাবে প্রভাবিত করছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ও পররাষ্ট্র-নীতিকে। প্রোফেসর হান্টিংটন লিখেছেন, সভ্যতার চুড়ান্ত সংঘাতটি হবে পাশ্চাত্য সভ্যতার সাথে মুসলিম সভ্যতার। তার মতে এ দুই সভ্যতার শান্তিপূর্ণ সহ-অবস্থান অসম্ভব। সভ্যতা দুটি ধারণ করে দুটি ভিন্ন বিশ্বাস ও দুটি ভিন্ন মূল্যবোধ। জীবন ও জগত নিয়ে দুটি সভ্যতার মানুষের চিন্তা-চেতনাই সম্পূর্ণ ভিন্ন। পাশ্চাত্য সভ্যতার ধারকদের কাছে ইসলাম ও তার শরিয়ত হলো মধ্যযুগীয় বর্বরতা। তাই সে শরিয়তের প্রতিষ্ঠা পৃথিবীর কোন দেশেই তারা মেনে নিতে রাজী নয়। আফগানিস্তানের উপর মার্কিন হামলার মূল লক্ষ্য ছিল, সে সম্ভাবনাকে শুরুতেই মিটিয়ে দেওয়া।
Read more...
 
বুশের পথে ওবামা? PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Thursday, 22 January 2009 22:07
অবশেষে গাজা ইস্যুতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা মুখ খুলেছেন এবং সেটি তার ওয়াশিংটনে প্রদত্ত ২২/০১/০৯ তারিখের ভাষণে। ভাষণটি ছিল সিনেটর জর্জ মিচেল ও রিচার্ড হলব্রুককে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি রূপে মধ্যপ্রাচ্য এবং পাকিস্তান-আফগানিস্তানে নিয়োগদান উপলক্ষ্যে। দিনটি ছিল ওবামার প্রেসিডেন্ট রূপে দায়িত্ব নেওয়ার দ্বিতীয় দিন। তিনি যা বলেছেন সেটি অবিকল তাই যা প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট জর্জ বুশ বিগত আট বছর ধরে বলে এসেছেন। এবং সেটি হল, ইসরাইলের অধিকার রয়েছে তার নিজ নিরাপত্তাকে নিশ্চিত করা। ভাবটা এমন, সে জন্য যদি অন্যদের বসতভূমি দখল ও হাজার হাজার নিরস্ত্র নারী-শিশুর হত্যারও প্রয়োজন হয় সেটিও জায়েজ। গত ২২ দিনের যুদ্ধে ইসরাইল বস্তুতঃ সেটিই করলো। এ যুদ্ধে ইসরাইল ১৩২৮ জন ফিলিস্তিনীকে হত্যা করেছে -যার মধ্যে প্রায় ৪৪২ জন ছিল শিশু, ১৮৮ জন নারী এবং ১২২ জন বৃদ্ধ। আহত করেছে পাঁচ হাজারের বেশী মানুষকে। দুই লক্ষ মানুষকে উদ্বাস্তু রূপে পথে বসিয়ে ছেড়েছে।
Last Updated on Monday, 06 April 2009 03:32
Read more...
 
গাজায় গণহত্যা ও মুসলিম শাসকদের গাদ্দারি PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Monday, 29 December 2008 00:00
গত ২৭শে ডিসেম্বরে ইসরাইলী যুদ্ধ বিমান এফ-১৬ গাজায় হামলা শুরু করে। মাত্র দুই দিনেই তারা তিন শতের বেশী ফিলিস্তিনীদের হত্যা করে। আহত হয়েছে দেড় হাজারেরও বেশী। আজ তৃতীয় দিনেও সে হামলা অব্যাহত ভাবে চলেছে। এফ-১৬ যুদ্ধ বিমান ব্যবহার করা হয় রণক্ষেত্রে শত্রুর যুদ্ধ-বিমান, সেনানিবাস ও বিমান-ঘাঁটি ধ্বংসে। গাজায় কোন সেনানিবাস নেই, বিমান-ঘাঁটিও নেই। সেখানে বাস করে ১৫ লাখ বেসামরিক ফিলিস্তিনী। আছে কিছু থানা ও পুলিশ ফাঁড়ি। ইসরাইল শুধু পুলিশ-ফাঁড়ি ও থানা ধ্বংসের জন্য্ই জঙ্গি বিমান ব্যবহার করেনি, তাদের এফ-১৬ বোমারু বিমানগুলো টনের পর টন বোমা ফেলেছে গাজার হাসপাতাল, বিশ্ববিদ্যালয়, তেলের ডিপো ও বসত-বাড়ীর উপর। গাজায় ক্ষুদ্র আকারের যেসব হাসপাতাল ছিল সেগুলি এতটাই বিদ্ধস্ত হয়েছে যে এখন সেগুলোর আহতদের চিকিৎসার দেবার সামর্থও নেই। রোগীরা হাসপাতালে গিয়েও নিরাপদ হতে পারছে না।
Last Updated on Monday, 06 April 2009 03:25
Read more...
 
হামাসের অমর কীর্তি PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Saturday, 17 January 2009 23:10
প্রায় ২০ কোটি আরব যে কতটা বিভক্ত ও আত্মসমর্পিত সেটি আবারও নতুন ভাবে প্রমাণিত হল। গত ২২ দিন ধরে গাজার নিরস্ত্র মানুষের উপর চলছে ইসরাইলের বিরামহীন হামলা। হামলা হচ্ছে স্থল, বিমান ও সমুদ্রপথে। কিন্তু ২২টি আরব রাষ্ট্র এখনও কার্যকর কোন বৈঠকে মিলিত হতে পারলো না। গাজার মানুষের প্রতিরক্ষায় এক বস্তা আটা বা এক কৌটা দুধও তারা পৌঁছাতে পারেনি। গাজার প্রতিটি গৃহ ও প্রতিটি ইমারত আজ ইসরাইলীদের টার্গেট। যুদ্ধাক্রান্ত প্রতি দেশে কিছু চিহ্নিত নিরাপদ স্থান থাকে। তেমন স্থানের নিশ্চয়তা দেয় জাতিসংঘ ও হেলালে আহমার বা রেডক্রস। তেমন একটি স্থানও গাজায় নেই। নারী ও শিশুরা প্রাণে বাঁচছে না এমনকি জাতিসংঘের আশ্রয়কেন্দ্রে গিয়েও। আহত মানুষ বোমার আঘাতে পুনরায় আহত হচ্ছে হাসপাতালে গিয়ে। তোপের মুখে নিরাপত্তাহীন মানুষ প্রতিবেশী দেশে গিয়ে আশ্রয় নিবে সে সুযোগও নেই। হামলাকারি ইসরাইলের পাশে অপর দেশটি হলো সে হামলাকারি দেশেরই বন্ধু মিশর।
Last Updated on Monday, 06 April 2009 03:29
Read more...
 
আত্মঘাতের পথে ভারত PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Saturday, 20 December 2008 20:45
লন্ডনের দৈনিক গার্ডিয়ান পত্রিকায় ১৪ই ডিসেম্বর ২০০৮ সংখ্যায় অরুন্ধতি রায় মুম্বাই হামলার প্রেক্ষাপটে একটি নিবন্ধ লিখেছেন। তাঁর কথা, ভারত এখন দুই রাস্তার মোহনায় দাঁড়িয়ে- একটি সুবিচারের এবং অপরটি গৃহযুদ্ধের। সামনে তৃতীয় পথ নেই। তবে ভারত সরকার যে পথটি অনুসরণ করছে সেটি অবিচারের। এমন অবিচার যেটি বৃদ্ধি করে সেটি সম্পৃতি নয়, বরং সংঘাত। ভারত সরকার জেনে বুঝে যেন সে পথই অনুসরণই করছে। অবিচার এতটাই আকাশচুম্বি যে সে অবিচার থেকে বাঁচতে লাখ লাখ মানুষ দেশটিতে আত্মহত্যা করে। ২০০৭ সালের মাত্র এক বছরে আত্মহত্যা করেছে এক লাখ ৮ হাজার দরিদ্র কৃষক। একটি দেশের মানুষ যেখানে অবিচার থেকে বাঁচতে আত্মহত্যা করে, সে দেশ নিজেও কি বাঁচতে পারে? এতকাল এ অবিচারকে সহনীয় করতে ধর্মকে ব্যবহার করা হয়েছে। বলা হয়েছে, আগের জন্মে খারাপ কাজ করায় ভগবান তাদেরকে দুর্দশাগ্রস্ত রূপে জন্ম দিয়েছেন।
Last Updated on Monday, 06 April 2009 03:21
Read more...
 
<< Start < Prev 1 2 3 4 5 6 Next > End >>

Page 5 of 6
Dr Firoz Mahboob Kamal, Powered by Joomla!; Joomla templates by SG web hosting
Copyright © 2017 Dr Firoz Mahboob Kamal. All Rights Reserved.
Joomla! is Free Software released under the GNU/GPL License.