Home
How to Save Our Souls from Hellfire? Part 4 PDF Print E-mail
Written by Dr Firoz Mahboob Kamal   
Sunday, 06 September 2015 05:05

The crisis in moral immunity

Every man and woman has to live in a physical as well an ideological environment. Both the environments are infested with serious killer diseases. The physical illness kills the body; and the ideological illness kills the soul. Cholera, typhoid, pneumonia, malaria, cancer, stroke, AIDS are the examples of a few among numerous physical illnesses. Paganism, idolatry, atheism, racism, secularism, nationalism, fascism, materialism, colonialism, imperialism are the example of some grave ideological diseases.  The physical illness doesn’t take one to the hellfire, but the ideological illness certainly does. And the most crucial difference lies in the severity and longevity of the suffering. The physical illness may cause extreme pain and agonies, and at the worst can predispose to early death. But such pain and agonies entirely end at death. On the other hand, the pain of the ideological or spiritual illness truly starts after the death; and never dies out. It takes the diseased to the hellfire for an endless period. Can a man with sanity and wisdom ignore or pay blind eye to such a fateful issue of moral disease? In fact, a man’s real blindness or deafness is proven by such a blind approach to such a serious issue. For this type of morally sick people, Allah Sub’hana wa Ta’la has special narrative: “Deaf, dumb and blind, therefore they do not return (to the Truth)” –(Sura Baqara verse 18). Hence, the prognosis of such moral illness is very poor; if not cured, takes the victim to the hellfire.

Last Updated on Sunday, 06 September 2015 05:20
Read more...
 
আধ্যাত্মিক বিপ্লব কেন ও কীরূপে? PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Friday, 10 July 2015 00:36

অপরিহার্য কেন আধ্যাত্মিক বিপ্লব?

“আধ্যাত্মিকতা” বলতে আমরা কি বুঝি? কেনই বা অপরিহার্য “আধ্যাত্মিক বিপ্লব”? এবং কীরূপে সম্ভব এ বিপ্লব? এরূপ বিপ্লব না হলেই বা ক্ষতি কি? এ প্রশ্নগুলো অতি গুরুত্বপূর্ণ।এবং অতিশয় গুরুত্বপূর্ণ হলো তাদের জন্য যারা কামীয়াব হতে চায় এবং মৃত্যুর পর জান্নাত পেতে চায়। “আধ্যান” শব্দের বাংলা আভিধানিক অর্থ হলো স্মরণ বা চিন্তন।“আধ্যাত্মিক” শব্দটির মাঝে “আত্মা”র সাথে মিশ্রণ ঘটেছে “আধ্যান” শব্দের।ব্যক্তির মনে মহান আল্লাহতায়ালার স্মরণে লাগাতর ধ্যানমগ্নতাই হলো আধ্যাত্মিকতা।আরবী ভাষায় মনের এরূপ অবস্থাকে বলা হয় যিকর। যিকরের মাঝেই আত্মার পুষ্টি। পশুর জীবনে সে যিকর থাকে না বলেই সে পশু। মানুষ পশু বা তার চেয়েও নীচু পর্যায়ে পৌঁছে যদি সে যিকর ও ফিকর না থাকে।এখানে ফিকরের অর্থ হলো গভীর চিন্তাশীলতা।আরবীতে এরূপ চিন্তাশীলতা বলা হয় তাফাক্কু,তায়াক্কুল ও তাদাব্বুর। নবীজী (সাঃ) চিন্তাশীলতাকে উচ্চমানের ইবাদত বলেছেন।পবিত্র কোরআনে আ’’ফালা তাফাক্কারুন,আ’’ফালা তাদাব্বারুন,আ’’ফালা তা’ক্বীলূন বলে সে চিন্তাশীলতায় বার বার তাগিদ দেয়া হয়েছে।

Last Updated on Friday, 10 July 2015 00:48
Read more...
 
মুসলিম জীবনে রোযার সফলতা কতটুকু? PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Saturday, 20 June 2015 00:25

কতটুকু অর্জিত হচ্ছে তাকওয়া?

রোযার লক্ষ্য কি শুধু এটুকু, রোযাদার ব্যক্তিটি সকাল থেকে সন্ধা অবধি পানাহার বন্ধ রাখবে? মাসভর তারাবিহ পড়বে এবং কোরআন তেলাওয়াত করবে? এবং রমযান শেষে মহা ধুমধামে ঈদ উদযাপন করবে? কত হাজার মাইল পথ অতিক্রম করা হলো -সেটিই কি পথচলায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ? বরং গুরুত্বপূর্ণ হলো, কাঙ্খিত গন্তব্যস্থলে পৌঁছা হলো কিনা। রোযার মূল লক্ষ্য, তাকওয়া অর্জন। মহান আল্লাহতায়ালা সে লক্ষ্যটি ব্যক্ত করেছেন এভাবেঃ ‘‘হে ঈমানদারগণ! তোমাদের উপর রোযা ফরয করা হয়েছে, যেরূপ ফরয করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তী লোকদের উপর, যেন তোমরা তাকওয়া অর্জন করতে পার।’’ (সুরা বাকারা, আায়াত ১৮৩)। উপরুক্ত আয়াতে সুস্পষ্ট করা হয়েছে,তাকওয়া অর্জনই রোযার মূল কথা। এক মাসের রোযায় রোযাদারের জীবনে কতটা তাকওয়া সৃষ্টি হলো সেটিই রোযার সফলতা মাফকাঠি। আগুনের উত্তাপ গোপন থাকার বিষয় নয়। তেমনি গোপন থাকে না তাকওয়ার উত্তাপও। সেটি প্রকাশ পায় ব্যক্তির চরিত্র, কর্ম ও আচরণে;এবং বিপ্লব আনে রাজনীতি,সভ্যতা ও সংস্কৃতিতে। তাকওয়ার গুণেই মানুষ মহামানবে পরিণত হয়।এমন মহা মানবদের সংখ্যাবৃদ্ধিতে দেশ তখন নেককর্ম, শিক্ষাদীক্ষা, মানবতা ও উচ্চতর সংস্কৃতিতে এক মহান সভ্যতা গড়ে তোলে। যেমনটি হয়েছিল ইসললামের প্রাথমিক যুগে।অপর দিকে যে মুসলিমেরা দুর্বৃত্তিতে বিশ্ব রেকর্ড গড়ে এবং শরিয়তের আইনের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ও অবজ্ঞা যাদের রাজনীতি -তখন কি বুঝতে বাঁকি থাকে এমন মুসলিমের দেশে মসজিদ-মাদ্রাসা ও রোযাদারের সংখ্যা বিপুল ভাবে বাড়লেও জনজীবনে তাকওয়া বাড়েনি? তখন কি গোপন থাকে, এমন মুসলমানদের জীবনে রোযা তেমন সফলতা আনেনি?

Read more...
 
আধ্যাত্মিক বিপ্লবে রোযা PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Monday, 29 June 2015 20:04

আয়োজন সর্বশ্রেষ্ঠ প্রশিক্ষণের

আধ্যাত্মিকতার অর্থ সংসারত্যাগী বৈরাগ্য নয়,পানাহার পরিত্যাগও নয়। বরং সর্বাবস্থায় মহান আল্লাহতায়ালার স্মরণ ও পরকালে জবাবদেহীতার ভয়।স্মরণ এখানে মহান আল্লাহতায়ালার প্রতি ঈমানি দায়বদ্ধতার। ইসলামে এটিই যিকর। জবাবদেহীতা হলো নিজের আমলনামাহ নিয়ে মহান আল্লাহতায়ালার দরবারে খাড়া হওয়ার।ভয় সিরাতুল মুস্তাকীম থেকে বিচ্যুতি ও জাহান্নামের আগুণে পড়ার। এরূপ ভয়ই ব্যক্তিকে প্রতিপদে পাপাচার থেকে বাঁচায় এবং জান্নাতমুখি করে। তখন তার চথচলাটি সবসময় সিরাতুল মুস্তাকীমে হয়।মানব জীবনের এটিই সর্বশ্রেষ্ঠ অর্জন।ঈমান ও আমলের ক্ষেত্রে সর্বশ্রেষ্ঠ বিপ্লবও। এরূপ আধ্যাত্মিক বিপ্লবে রোযার ভূমিকাটি বিশাল ও অনন্য। সমগ্র মানব ইতিহাসে এটিই সর্বশ্রেষ্ঠ প্রশিক্ষণ।মাসব্যাপী এ প্রশিক্ষণের মূল আয়োজক এখানে খোদ মহান আল্লাহতায়ালা।লক্ষ্য,মানব মনে তাকওয়া বৃদ্ধি।তাকওয়ার অর্থ ভয়। মানব চরিত্রের এটিই সর্বশ্রেষ্ঠ গুণ। ভয় এখানে মহান আল্লাহতায়ালার হুকুমের বিরুদ্ধে অবাধ্যতার এবং সিরাতুল মুস্তাকীম থেকে বিচ্যুত হওয়ার। ভয়,মহান আল্লাহতায়ালার দরবারে জবাবদেহীতার।

Last Updated on Monday, 29 June 2015 20:13
Read more...
 
ভারতের জন্য করিডোর ও আত্মঘাত বাংলাদেশের PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Thursday, 11 June 2015 00:39

ভারতের বিশাল বিজয়

ভারত যা চায় সেটি সহজেই পায়। কিন্তু বাংলাদেশ যা চায় সেটি পায় না। ভারত তাই করিডোর পেল, কিন্তু বাংলাদেশ পানি পায়নি। প্রভু রাষ্ট্র ও গোলাম রাষ্ট্রের মাঝে এটিই মূল পার্থক্য। একাত্তরে ভারতের সামরিক বিজয়ের পর থেকে এটিই হলো বাংলাদেশের জন্য নতুন বাস্তবতা। বাংলাদেশের এ অসহয়তা বুঝার জন্য তাই কি বেশী গবেষণার প্রয়োজন আছে? দীর্ঘদিন যাবত বাংলাদেশ তিস্তা নদীর ন্যয্য হিস্যা দাবী করে আসছে। কিন্তু আজও তা জুটেনি। ন্যয্য হিস্যা জুটেনি পদ্মার পানিরও। পানির অভাবে বাংলাদেশ আজ দ্রুত মরুভূমি হতে যাচ্ছে। অথচ কলকাতার হুগলি নদীতে ফারাক্কা বাঁধের মাধ্যমে পদ্মার পানি তুলে নেয়াতে বার মাস পাড় উপচানো জোয়ার। পদ্মা নদীতে নৌকা চলে না, কিন্তু হুগলী নদীতে সমুদ্রগামী জাহাজ চলে। হাসিনা সরকার তাতেই খুশি। বাংলাদেশকে ন্যয্য পাওনা দেয়া নিয়ে ভারত সরকারের কারোই কোন মাথা ব্যথা নেই। দিল্লির কেন্দ্রীয় সরকার বলছে, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সম্মতি ছাড়া পানি সমস্যার কোন সমাধান হবে না। কিন্তু কেন্দ্রীয় সরকারের সাথে পশ্চিমবঙ্গের প্রাদেশিক সরকারকে একত্রে বসাবে কে? পানি সমস্যার সমাধান নিয়ে মোদীর সাথে মমতা  বানার্জিকে একবারও একত্রে বসানো যায়নি। কিন্তু করিডোর আদায়ে নরেন্দ্র মোদীর আগেই পশ্চিম বাংলার মুখ্যমন্ত্রী ঢাকায় এসে হাজির। কারণ গরজটি এখানে কিছু দেয়া নয়, বরং করিডোরের ন্যায় বাংলাদেশ থেকে বিশাল কিছু নেয়া নিয়ে।

Last Updated on Thursday, 11 June 2015 01:11
Read more...
 
<< Start < Prev 1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 Next > End >>

Page 7 of 43
Dr Firoz Mahboob Kamal, Powered by Joomla!; Joomla templates by SG web hosting
Copyright © 2018 Dr Firoz Mahboob Kamal. All Rights Reserved.
Joomla! is Free Software released under the GNU/GPL License.