Home
রবীন্দ্রসাহিত্যের বিষক্রিয়া ও বাঙালী মুসলিমের আত্মপচন PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Sunday, 31 May 2015 11:53

বাঙালীর রবীন্দ্রাসক্তি ও আত্মপচন

দৈহিক পচনের ন্যায় আত্মপচনের আলামতগুলিও গোপন থাকে না। আত্মপচনে মৃত্যু ঘটে বিবেকের; তাতে বিলুপ্ত হয় নীতি ও নৈতিকতা। চুরি-ডাকাতি, ভোট-ডাকাতি, সন্ত্রাস, গুম, হত্যা, গণহত্যা, ধর্ষণ, ধর্ষণে উৎসব,লগি-বৈঠা নিয়ে রাজপথে হত্যা, পুলিশী রিম্যান্ডে হত্যা, ক্রসফায়ারে হত্যা–এ রূপ নানা নিষ্ঠুরতা তখন নিত্তনৈমত্তিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায়। অতি নির্মম ও নিষ্ঠুর কাজেও তখন বিবেকের পক্ষ থেকে বাঁধা থাকে না। এর ফলে রাস্তাঘাটে শুধু অর্থকড়ি,গহনা ও গাড়ি ছিনতাই হয় না, নারী ছিনতাইও শুরু হয়। পত্রিকায় প্রকাশ, মাত্র গত তিন মাসে দেশে ১২৩ জন মহিলা ছিনতাই ও ধর্ষণের শিকার হয়েছে। (দৈনিক আমার দেশ, ২৬/০৫/১৫)। তবে সব ধর্ষিতাই যে থানায় এসে নিজের ধর্ষিতা হওয়ার খবরটি জানায় -তা নয়। কারণ তাতে অপরাধীর শাস্তি মেলে না বরং সমাজে ধর্ষিতা রূপে প্রচার পাওয়ায় অপমান বাড়ে। অধীকাংশ ধর্ষণের ঘটনা তাই গোপনই থেকে যায়।ফলে ধর্ষিতা নারীদের আসল সংখ্যা যে বহুগুণ বেশী –তা নিয়ে সন্দেহ থাকার কথা নয়।জাহিলিয়াত যুগের আরবগণ এরূপ আত্মপচনের ফলে নানারূপ নিষ্ঠুরতায় ডুবেছিল। কন্যাদের তারা জীবন্ত দাফন দিত। সন্ত্রাস, রাহাজানি, ব্যাভিচারি, কলহ-বিবাদ ও গোত্রীয় যুদ্ধে ডুবে থাকাই ছিল তাদের সংস্কৃতি।

Last Updated on Tuesday, 02 June 2015 23:00
Read more...
 
সাগরে ভাসছে রোহিঙ্গা মুসলিমঃ কতটুকু ঈমান নিয়ে বাঁচছে বাঙালী মুসলিম? PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Wednesday, 20 May 2015 04:16

মূত্রপান করছে রোহিঙ্গারা

টিভি,রেডিও ও পত্র-পত্রিকার খবর,৮ থেকে ১০ হাজার রোহিঙ্গা মুসলিম আন্দামান সাগরে জাহাজে ভাসছে।তাদের মাঝে বহু নারী এবং শিশুও রয়েছে। জাহাজে খাবার নাই,খাবারের পানি নাই,ঔষধও নাই।ক্ষুধার্ত পেট,নিস্তেজ দেহ ও মলিন মুখ নিয়ে টিভি ক্যামেরার সামনে তারা কেঁদে কেঁদে “আমাদের বাঁচাও বাঁচাও” বলে সাহায্য চাইছে। বিবিসি’র সংবাদদাতা জনাথান হেড সরেজমিনে গিয়ে তথ্য দেনঃ থাইল্যান্ড উপকূলের অদূরে আন্দামান সাগরে মাছ ধরার একটি ট্রলারে প্রায় সাড়ে তিনশ রোহিঙ্গা এক সপ্তাহ ধরে খাদ্য ও পানীয়ের অভাবে নিজেদের মূত্র পান করে প্রাণবাঁচানোর সংগ্রাম করছে।ওই নৌকায় দশজন মারা গেছে। ৩৫০ জনের মত নারী,পুরুষ,শিশু গাদাগাদি করে সেটিতে  আছে। তারা জানিয়েছেন,দুমাস ধরে তারা ঐ ট্রলারে রয়েছে। থাইল্যান্ড এবং মালয়েশিয়ার উপকুল রক্ষীরা সম্প্রতি শক্ত অবস্থান নেওয়ায় মানব পাচারকারিরা উপকুলের কাছাকাছি গিয়ে নৌকা থেকে সটকে পড়েছে। অনেকগুলো নৌকায় কয়েক হাজার মানুষ দিনের পর দিন সাগরে ভাসছে। আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার হিসাবে এ সংখ্যা আট হাজারের মত হবে। যাত্রীদের অধিকাংশই রোহিঙ্গা,তবে অনেক বাংলাদেশিও এগুলোতে রয়েছে। (সূত্রঃ বিবিসি বাংলা,১৫ই মে,২০১৫)।

Last Updated on Wednesday, 20 May 2015 18:36
Read more...
 
বাংলাদেশে সেক্যুলারিস্টদের স্বৈরাচার ও দুর্বৃত্তি PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Saturday, 02 May 2015 13:42

কান্ড নরপশুদের

বাংলাদেশে আজ যে সংকট ও দুর্বৃত্তি তার কারণ কোন দুর্বৃত্ত রাজা বা রাজতন্ত্র নয়। সামরিক স্বৈরাচারও নয়।ভূমিকম্প,সুনামী,মহামারি বা হিংস্র জীবজন্তুর তাণ্ডবও নয়।কৃষি,শিল্প বা অর্থনীতির ব্যর্থতাও নয়।এ বিপর্যয়টি নিতান্তই নৈতিক ও চারিত্রিক।এ কান্ড নরপশুদের।এ অসভ্য নরপশুদের কারণে বাংলাদেশের মাটিতে একটি সভ্য নির্বাচনও অকল্পনীয়।ফলে দেশ ধেয়ে চলেছে যুদ্ধাবস্থার দিকে। অথচ নির্বাচন অনুষ্ঠান চাঁদে মানুষ পাঠানো বা আনবিক বোমা আবিষ্কারের ন্যায় কঠিন কর্ম নয়। সেটি বাংলাদেশ সৃষ্টির ১৭ বছর আগে ১৯৫৪ সালে বাংলার মাটিতে সম্ভব হয়েছিল।নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য যা অপরিহার্য তা হলো সৎ নিয়েত ও চরিত্র,অর্থ বা প্রযুক্তি নয়।নরপশুদের সেটি থাকে না। অর্থনৈতিক মন্দা,দুর্যোগ বা মহামারির নাশকতা যত বিশালই হোক তাতে কোন দেশ বা জাতি ধবংস হয় না।মানুষ তাতে মানবিক পরিচয় হারিয়ে পশুর চেয়েও নিকৃষ্ট ইতর প্রাণীতে পরিণত হয় না।দেশের ললাটে তাতে কালিমা লাগে না। অথচ জাতীয় জীবনে ধ্বংস ও বিশ্বজোড়া অপমান নেমে আসে দেশবাসীর নৈতিক ও চারিত্রিক ব্যর্থতায়। মানবিক পরিচয় নিয়ে বেড়ে উঠা তখন অসম্ভব হয়।এমন দেশের পক্ষে দুর্বৃত্তিতে বিশ্বে বার বার প্রথম হওয়া যেমন সম্ভব হয়,তেমনি সম্ভব হয় দিনে-দুপুরে নারীর বস্ত্রহরন,শ্লীলতাহানি ও ধর্ষণে সেঞ্চুরির ন্যায় বর্বরতা নিয়ে উৎসব।।বাংলাদেশে আজ তেমনি এক দেশ।

Read more...
 
ঈমানবিনাশী জাতীয় সঙ্গিত ও বাঙালী মুসলিমের আত্মসমর্পণ PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Saturday, 09 May 2015 23:04

যে মহাপাপ কথা ও গানে

সমাজে বড় বড় অপরাধগুলি শুধু খুন,ব্যভিচার বা চুরিডাকাতি নয়।গুরুতর অপরাধ ঘটে মুখের কথায় ও গানে। যে ব্যক্তি মুখে মহান আল্লাহতায়ালাকে অস্বীকার করে বা তাঁর কোন হুকুমের বিরুদ্ধে বিদ্রোহের ঘোষণা দেয় -তাকে কি জাহান্নামে প্রবেশের জন্য খুন,বলাৎকার বা চুরি-ডাকাতিতে নামার প্রয়োজন পড়ে? বিদ্রোহের ঘোষণাটি মুখে মাত্র একবার দেয়াই সে জন্য যথেষ্ঠ। অভিশপ্ত শয়তানে পরিণত হতে ইবাদতে মশগুল ইবলিসকে তাই হত্যা বা ব্যভিচারে নামতে হয়নি। মহান আল্লাহতায়ালার দেয়া একটি মাত্র হুকুমের বিরুদ্ধে বিদ্রোহই তাকে লানতপ্রাপ্ত করেছে।সে হুকুমটি ছিল হযরত আদম (আঃ)কে সেজদার।তাই বক্তৃতায় কি বলা হয়, সঙ্গিতে কি গাওয়া হয় বা সাহিত্যের নামে কি লেখা হয় -সেটি অতি গুরুত্বপূর্ণ। তা রেকর্ড হয় এবং তা নিয়ে বিচার বসবে রোজ হাশরের বিচার দিনে। মু’মিন ব্যক্তিকে তাই শুধু উপার্জন বা খাদ্য-পানীয়’র ক্ষেত্রে হারাম-হালাম দেখলে চলে না। কথাবার্তা বা লেখালেখির ক্ষেত্রেও অতি সতর্ক হতে হয়।নবীজী(সাঃ)র হাদীসঃ অধিকাংশ মানুষ জাহান্নামে যাবে জিহ্বা ও যৌনাঙ্গের দ্বারা কৃত অপরাধের কারণে। তেমনি বহু মানুষ জান্নাতেও যাবে সত্য দ্বীনের পক্ষে সাক্ষি দেয়ার কারণে। ফিরাউনের দরবারে যে কয়েকজন যাদুকর হযরত মূসা (আঃ)র সাথে প্রতিযোগিতায় এসে হেরে গিয়ে মুসলমান হয়েছিলেন তারা জীবনে এক ওয়াক্ত নামায বা রোযা পালনের সুযোগ পাননি। “মুসা (আঃ)র রবের উপর ঈমান আনলাম” –তাদের মুখ থেকে উচ্চারিত এই একটি মাত্র বাক্যই তাদেরকে সরাসরি জান্নাতবাসী করেছে। ঈমানের প্রবল প্রকাশ ঘটেছিল তাদের সে উচ্চারণে। ঈমানের সে প্রকাশ ফিরাউনের কাছে সহ্য হয়নি, তাই তাদের হাত-পা কেটে নির্মম হত্যার হুকুম দেয়। মহান আল্লাহতায়ালার পক্ষে সাক্ষদানে তারা এতই অটল ছিলেন যে,সে নির্মম হত্যাকান্ডও তাদের একবিন্দু বিচলিত করতে পারেনি। তাদের এ সাহসী উচ্চারনে মহান আল্লাহতায়ালা এতোটাই খুশি হয়েছিলেন যে পবিত্র কোরআনের একাধিক স্থানে নিজ কালামের পাশে তাদের সে ঘোষণাকেও লিপিবদ্ধ করেছেন, এবং ক্বিয়ামত অবধি মানব জাতির জন্য শিক্ষ্যণীয় করেছেন।

Last Updated on Saturday, 09 May 2015 23:15
Read more...
 
বাংলাদেশে কেন অসভ্য তাণ্ডব? PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Friday, 24 April 2015 05:38

মানবপশুর তাণ্ডব

মনুষ্যজীব হিংস্র পশুতে পরিণত হলে পরিনাম যে কতটা অশ্লীল ও ভয়াবহ হয় -পহেলা বৈশাখে ঢাকার রাজপথে সেটিই প্রমাণিত হলো। রাজধানীতে বাঘ-ভালুকের চলাফেরা নেই,কিন্তু মানবরূপী হিংস্র পশুর উপস্থিতিটি বিশাল। নইলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চত্বরে হাজার হাজার মানুষের সামনে পশুগণ এরূপ অসভ্য তাণ্ডবের সাহস পায় কি করে? দেশের স্কুল-কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্ব স্রেফ মানবশিশুকে শিক্ষক,ডাক্তার,প্রকৌশলী,বিজ্ঞানী বা অন্য পেশাজীবী রূপে গড়ে তোলা নয়,বরং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজটি হলো হিংস্র পশু হওয়া থেকে তাদেরকে বাঁচানো।এবং মানবিক গুণ নিয়ে বেড়ে উঠতে সাহায্য করা। কিন্তু সে কাজটি বাংলাদেশে যে যথার্থ ভাবে হয়নি সেটিই বার বার প্রমাণিত হচ্ছে।ফলে দেশে যতই বাড়ছে স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা ততই বাড়ছে মানববেশী পশুর সংখ্যা। আজ থেকে শত বছর আগে বাংলাদেশের বুকে যখন কোন বিশ্ববিদ্যালয় ছিল না,তখনও কি কোন শহরে বা গ্রামে প্রকাশ্য দিবালোকে নারীর উপর এরূপ দলবদ্ধ হামলা ও শ্লীলতাহানীর ঘটনা ঘটেছে? আবারো প্রমাণ মিললো,নারী মাংসের প্রতি প্রচন্ড ক্ষুধা নিয়ে মানবরূপী এ হিংস্র পশুগণ বিপুল সংখ্যায় পথেঘাটে ভদ্রবেশে চলা-ফেরা করে। সুযোগ পেলেই এ জীবগুলো মুখোশ খুলে স্বমুর্তিতে আবির্ভুত হয়,এবং হানা দেয় ও ক্ষুধাও মেটায়।এবারের পহেলা বৈশাখে এরূপ হিংস্র পশুদের হাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি চত্বরে লুন্ঠিত হলো বহু নারীর সম্ভ্রম।এলাকাটি নিভৃত বনজঙ্গল নয়,পতিতাপল্লিও নয়।বরং বাংলাদেশের সেক্যুলারিস্টদের কাছে এটিই সেক্যুলার সংস্কৃতির তীর্থকেন্দ্র।আর সেখানেই অনুষ্ঠিত হলো এ আদিম বন্যতা।

Last Updated on Monday, 27 April 2015 20:27
Read more...
 
<< Start < Prev 1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 Next > End >>

Page 8 of 43
Dr Firoz Mahboob Kamal, Powered by Joomla!; Joomla templates by SG web hosting
Copyright © 2018 Dr Firoz Mahboob Kamal. All Rights Reserved.
Joomla! is Free Software released under the GNU/GPL License.