Home
মানসিক রোগীর হাতে দেশ হাইজ্যাকের বিপদ ও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Sunday, 12 April 2015 00:36

মানসিক রোগীর নৃশংসতা

কোন মানসিক রোগী বিমান চালনার দায়িত্ব পেলে সে যে কীরূপ ভয়াবহ বিপদ ঘটাতে পারে তারই সাম্প্রতিক প্রমাণ হলো,জার্মান উইঙ্গস বিমান কোম্পানীর ১৪৯ যাত্রীর করুণ মৃত্যু।এটি কোন বিমান দুর্ঘটনা ছিল না,ছিল পরিকল্পিত হত্যাকান্ড। জার্মান চিকিৎস্যকের কাছ থেকে প্রমাণ মিলেছে,বিমানের কো-পাইলট এ্যাড্রিয়াস লুবিটজ ছিল মানসিক রোগী। সে রীতিমত মানসিক রোগের চিকিৎস্যা নিত। তার রোগটি ছিল ডিপ্রেশন। ডিপ্রেশনের কারন,যে মেয়ে বান্ধবীকে সে বিয়ে করার স্বপ্ন দেখেছিল সে তার সঙ্গ ত্যাগ করে। সঙ্গি হারানোর বেদনায় লুবিটজ এতটাই বিমর্ষ হয়ে পড়ে যে তার মগজে আত্মহত্যার চিন্তাও বার বার হানা দিতে শুরু করে।অবশেষে সে আত্মহত্যার পথই বেছে নেয়। তবে সাথে ১৪৯ বিমান যাত্রীকে সাথে নিয়ে -যার মধ্যে ছিল বেশ কিছু স্কুল ছাত্র যারা জার্মানী থেকে স্পেনে শিক্ষা সফরে গিয়েছিল। যার নিজের জীবন বাঁচানোর ভাবনা নেই,তার কাছে কি অন্যদের জীবন বাঁচানোর বিষয়টি গুরুত্ব পায়? কো-পাইলট এ্যাড্রিয়াস লুবিটজ’য়ের কাছে তাই কে শিশু,কে বালক,কে নারী বা কে নিরীহ যাত্রী -সে ভাবনা গুরুত্ব পায়নি।তার লক্ষ্যটি ছিল নিজের মৃত্যুর সাথে অন্যদের মৃত্যু ও দুঃখকেও বাড়িয়ে দেয়া।

Last Updated on Sunday, 12 April 2015 01:20
Read more...
 
একাত্তরের আত্মঘাত ও আজকের বাংলাদেশ PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Sunday, 05 April 2015 09:32

বাঙালী মুসলমানের জীবনে একাত্তর

নামায-রোযা,হজ-যাকাতে যেমন ফরজ,ওয়াজেব ও সূন্নত আছে,তেমনি ফরজ,ওয়াজেব ও সূন্নত আছে রাজনীতিতেও।আছে বহু হারাম বিষয়ও।অন্যদের কাছে রাজনীতি ক্ষমতাদখলের হাতিয়ার। ফলে সে রাজনীতিতে যেমন মিথ্যাচার ও ভন্ডামী আছে,তেমনি সন্ত্রাস ও ভোটডাকাতিও আছে।আছে শত্রুদেশকে নিজ দেশের অভ্যন্তরে ডেকে আনার ষড়যন্ত্র।বাংলাদেশে সেটি যেমন একাত্তরে ঘটেছে,তেমনি আজও হচ্ছে।কিন্তু ঈমানদারের কাছে রাজনীতি হলো ব্যক্তি,সমাজ ও রাষ্ট্রকে ইসলামিকরণের ইবাদত। তাই এটি পবিত্র জিহাদ। এ জিহাদে যেমন অর্থ,শ্রম,সময় ও মেধার বিনিয়োগ আছে,তেমনি রক্তের বিনিয়োগও আছে।প্রতি পেশা,প্রতি কর্ম ও প্রতি আচরনে পথ দেখায় পবিত্র কোরআন।কিন্তু বেঈমানেরা সে পথে চলতে রাজি নয়। দেশের শিক্ষা-সংস্কৃতি,অর্থনীতি,আদালত,প্রশাসন,পুলিশ ও সেনাদফতরের ন্যায় গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গনে মহান আল্লাহতায়ালার নির্দেশাবলির প্রবেশাধিকার দিতেও রাজি নয়। অথচ মু’মিনের ঈমানদারি হলো,ইসলামের প্রতিটি বিধান মেনে চলায়। তাই শুধু নামায-রোযা,হজ-যাকাতে ফরজ-ওয়াজেব মানলে চলে না,ফরজ-ওয়াজেবগুলি মানতে হয় রাজনীতিতেও।

Comments (1)
‘চাই শরীয়াহ্ নয়ত শাহাদাত’ এর বিকল্প নাই।
1 Thursday, 09 April 2015 06:48
Ramadaan

একাত্তরে রাজাকাররা বুঝেছিল বাংলাদেশ স্বাধীন হলে মুসলিম উম্মাহ দুর্বল হয়ে যাবে। একাত্তরে তারা মুসলিম উম্মার বিভক্ত চায়নি। হায়রে হতভাগা বাঙ্গালী মুসলিমগণ বুঝলিনা কোথায় তোর স্বার্থ? ডা. ফিরোজ মাহবুব কামাল স্যারকে ধন্যবাদ। উনি এ সত্য বিষয়টা খুব সুন্দরভাবে ব্যাখ্যা করেছেন। আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়াতায়ালা উনাকে মুসলিম উম্মাহ্ র স্বার্থে আরো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করার তৌফিক দান করুন। আমীন।

Last Updated on Monday, 06 April 2015 08:51
Read more...
 
কোন দিকে যাচ্ছে বাংলাদেশ? PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Saturday, 07 March 2015 12:19

চাকর-বাকরের দেশ?

স্বাধীনতা ও অর্থোপার্জনের নামে বাংলাদেশ পরিণত হয়েছে সস্তা চাকর-বাকরের দেশে। মহিলাদের একাকী হজে যাওয়ার অনুমতি নাই। ইসলামে এমন কাজ সুস্পষ্ট হারাম। হজে যেতে হলে মহিলাদের জন্য সাথে চাই স্বামী,পিতা,পুত্র,ভাই বা অন্য কোন মোহরাম পুরুষ -যার সাথে বিবাহ হারাম। অথচ বাংলাদেশের সরকার হাজার হাজার মাইল দূরের দেশে চাকরানীর কাজে নারী-রপ্তানি করছে। সম্প্রতি পত্রিকায় প্রকাশ,সৌদি আরব সরকার বাংলাদেশ থেকে ঘরের কাজের জন্য বহু হাজার নারী শ্রমিক নিবে। সরকার এতে বাহবা নিচ্ছে নিজেদের পররাষ্ট্র নীতির বিশাল সফলতা রূপে।অথচ এমন কাজ বাংলার মুসলিম ইতিহাসে অতীতে কোন কালেই ঘটেনি। প্রতিটি মুসলিম দেশে এরূপ নারী রপ্তানি প্রতিটি যুগেই হারাম গণ্য হয়েছে। কিন্তু এমন হারাম কাজটি প্রথম শুরু করেন শেখ মুজিব। বহুশত নারীকে মুজিবের শাসনামলে গৃহভৃত্য বা চাকরানীর কাজে ইরানে রপ্তানি করা হয়েছিল। ইসলামের মৌল বিধি-বিধান নিয়ে মুজিব যে কতটা জাহেল তথা অজ্ঞ ছিল –এ হলো তার নজির। এমন জাহেল লোককে কোন ক্ষুদ্র মসজিদেরও কি ইমাম বা নেতা করা যায়? এমন ব্যক্তি কোন মুসলিম দেশের ইমাম বা নেতা হয় কি করে? রাষ্ট্রপ্রধানের আসনে বসেছেন খোদ নবীজী (সাঃ)। তাঁর ইন্তেকালের পর সে আসনে বসেছেন খোলাফায়ে রাশেদার ন্যায় শ্রেষ্ঠ সাহাবীগণ। এটিই তো ইসলামের রীতি। সে আসনে কি তাই ইসলামে অঙ্গিকারশূণ্য জাহেল ব্যক্তিকে বসানো যায়? তাতে কি ইসলাম ও মুসলমানদের কোন কল্যাণ হয়? এমন কাজ হতে দেয়া যে হারাম -সেটি বুঝার জন্য কি পন্ডিত হওয়ার প্রয়োজন পড়ে? সে জন্য সামান্য ঈমান ও কান্ডজ্ঞানই কি যথেষ্ট নয়? বাংলাদেশের জনগণের মাঝে সে ঈমান ও কান্ডজ্ঞান কই? ঈমানদারের কাজ শুধু হিংস্র জন্তুজানোয়ারদের চেনা নয়,তাকে ইসলামের শত্রুদেরও চিনতে হয়। মুসলিমকে প্রতিমুহুর্ত বাঁচতে হয় সে জ্ঞানটুকু নিয়ে। নইলে মুসলমান ও ইসলামের যে ভয়ানক ক্ষতি হয়।এক্ষেত্রে ব্যর্থতার কারণেই বাংলাদেশ আজ  ভয়ানক ক্ষতিরই শিকার।

Last Updated on Saturday, 07 March 2015 17:29
Read more...
 
বাংলাদেশ কীরূপে পৌঁছলো এ যুদ্ধাবস্থায়? PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Saturday, 21 March 2015 14:09

নির্মূলের হুংকার রাজনীতিতে

বাংলাদেশের রাজনীতিতে সংঘাত যে শুধু দিন দিন বেড়ে চলেছে তা নয়,এ সংঘাত রীতিমত যু্দ্ধে রূপ নিয়েছে। নির্মূলের হুংকার এখন সরকারের কর্তাব্যক্তিদের মুখে। মশামাছি নির্মূলের ন্যায় সরকারের পুলিশ,র‌্যাব ও সরকারি দলের ক্যাডার বাহিনী এখন প্রতিপক্ষ নির্মূলে নেমেছে। সভ্য রাজনীতির নিজস্ব কিছু ভদ্র রীতি-নীতি ও সংস্কৃতি থাকে। কিন্তু সে ভদ্রতা ও সভ্যতা থেকে বাংলাদেশের রাজনীতি বহু দূরে। তবে নির্মূলের ধারাটি হঠাৎ সৃষ্টি হয়নি,বরং পরিকল্পিত ভাবে গড়ে তোলা হয়েছে।সেটি বাংলাদেশের জন্মের প্রথম দিন থেকেই। এমন আত্মঘাতি নীতি কোন দেশেই শান্তি আনে না,বরং আনে রক্তাক্ষয়ী যুদ্ধ। বাংলাদেশ এখন তেমনি একটি যুদ্ধের মধ্য ময়দানে। ক্ষমতাসীন আওয়ামী বাকশালীদের পক্ষে যুদ্ধে অংশ নিতে রাজপথে বিপুল সেনাসদস্য নেমেছে। চারি দিকে গোলাগোলি হচ্ছে,বোমা পড়ছে,গাড়ি-বাড়ি জ্বলছে এবং শত শত মানুষ লাশ হচ্ছে। বহু মানুষ গুমও হচ্ছে। যুদ্ধাবস্থায় মানুষ খুন হয়,কিন্তু কারো বিচার হয় না। নির্মূলমুখি এ রাজনীতির জনক শেখ মুজিব ও তার নেতৃত্বে গড়ে উঠা আওয়ামী-বাকশালী ফ্যাসিস্ট শক্তি।এরূপ ঘাতক রাজনীতির পিছনে যেমন বিপুল বিদেশী বিনিয়োগ আছে,তেমনি দেশধ্বংসের পরিকল্পনাও আছে। লক্ষ্য,বাংলাদেশকে দ্রুত ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিনত করা।

Last Updated on Sunday, 22 March 2015 22:48
Read more...
 
সরকারের জঙ্গিবাদী সন্ত্রাসঃ জনগণ কী করবে? PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Friday, 27 February 2015 01:41

কেন এতো সন্ত্রাস?

রাজনীতিতে লড়াই থাকবে এবং যুদ্ধ হবে -সেটি শুধু স্বাভাবিকই নয়,অনিবার্যও। লড়াই এখানে ক্ষমতা দখলের।মানুষ শুধু পেটের ক্ষুধা নিয়ে জন্মায় না, জন্মায় ক্ষমতার ক্ষুধা নিয়েও।তাই মানব ইতিহাস জুড়ে লড়াই শুধু খাদ্যপানীয় ও সম্পদের সংগ্রহে নয়,বিপুল আয়োজন যুদ্ধ-বিগ্রহ নিয়েও। এটি এক আদিম বাস্তবতা। কোন দলের নেতা বা নেত্রীকে তাই ফেরেশতা ভাবার সুযোগ নেই। গ্রীক দার্শনিক এ্যারিস্টোটল মানুষকে সংজ্ঞায়ীত করেছেন রাজনৈতিক জীব (পলিটিক্যাল এ্যানিমাল)রূপে।যাদের জীবনে রাজনীতি নাই -এ্যারিস্টোটলের দৃষ্টিতে তারা নিছক পশু,পূর্ণাঙ্গ মানব নয়।এটিই হলো মনুষ্যপ্রাণীর সেক্যুলার পরিচয়। ডারউইনের বিবর্তনবাদ তত্ত্ব এ্যারিস্টোটলের ধারণাকে আরো শক্তিশালী করেছে। কারণ ডারউইনের বিশ্বাস,মানব সৃষ্টির শুরুটি মানব রূপে হয়নি,তার বর্তমান দৈহিক রূপটি এসেছে লক্ষ লক্ষ বছরের বিবর্তনের ধারায়। ডারউইনের ধারণা,অন্যান্য জীবজন্তুর ন্যায় মানুষও এক প্রজাতির পশু। এভাবে স্রষ্টা রূপে অস্বীকার করা হয়েছে মহান আল্লাহতায়ালাকে। দেয়া হয়েছে “struggle for existence and survival of the fittest” এর তত্ত্ব,এবং এভাবে জায়েজ করা হয়েছে অবিরাম যুদ্ধ,যুদ্ধে প্রাণনাশ, এবং দুর্বলের নির্মূলের মধ্য দিয়ে সবলের বেঁচে থাকাকে। জন্ম লাভ করেছে সাম্রাজ্যবাদ,উপনিবেশবাদ ও বর্ণগত নির্মূলের ন্যায় নানারূরিপ ভয়ংকর মতবাদ। এভাবে বিজ্ঞানের নামে মানবের পশুসুলভ হিংস্র আচরণকে বৈধতা দেয়া হয়েছে।

Last Updated on Friday, 27 February 2015 01:54
Read more...
 
<< Start < Prev 1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 Next > End >>

Page 9 of 43
Dr Firoz Mahboob Kamal, Powered by Joomla!; Joomla templates by SG web hosting
Copyright © 2018 Dr Firoz Mahboob Kamal. All Rights Reserved.
Joomla! is Free Software released under the GNU/GPL License.