Home
বাংলাদেশ কীরূপে পৌঁছলো এ যুদ্ধাবস্থায়? PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Saturday, 21 March 2015 14:09

নির্মূলের হুংকার রাজনীতিতে

বাংলাদেশের রাজনীতিতে সংঘাত যে শুধু দিন দিন বেড়ে চলেছে তা নয়,এ সংঘাত রীতিমত যু্দ্ধে রূপ নিয়েছে। নির্মূলের হুংকার এখন সরকারের কর্তাব্যক্তিদের মুখে। মশামাছি নির্মূলের ন্যায় সরকারের পুলিশ,র‌্যাব ও সরকারি দলের ক্যাডার বাহিনী এখন প্রতিপক্ষ নির্মূলে নেমেছে। সভ্য রাজনীতির নিজস্ব কিছু ভদ্র রীতি-নীতি ও সংস্কৃতি থাকে। কিন্তু সে ভদ্রতা ও সভ্যতা থেকে বাংলাদেশের রাজনীতি বহু দূরে। তবে নির্মূলের ধারাটি হঠাৎ সৃষ্টি হয়নি,বরং পরিকল্পিত ভাবে গড়ে তোলা হয়েছে।সেটি বাংলাদেশের জন্মের প্রথম দিন থেকেই। এমন আত্মঘাতি নীতি কোন দেশেই শান্তি আনে না,বরং আনে রক্তাক্ষয়ী যুদ্ধ। বাংলাদেশ এখন তেমনি একটি যুদ্ধের মধ্য ময়দানে। ক্ষমতাসীন আওয়ামী বাকশালীদের পক্ষে যুদ্ধে অংশ নিতে রাজপথে বিপুল সেনাসদস্য নেমেছে। চারি দিকে গোলাগোলি হচ্ছে,বোমা পড়ছে,গাড়ি-বাড়ি জ্বলছে এবং শত শত মানুষ লাশ হচ্ছে। বহু মানুষ গুমও হচ্ছে। যুদ্ধাবস্থায় মানুষ খুন হয়,কিন্তু কারো বিচার হয় না। নির্মূলমুখি এ রাজনীতির জনক শেখ মুজিব ও তার নেতৃত্বে গড়ে উঠা আওয়ামী-বাকশালী ফ্যাসিস্ট শক্তি।এরূপ ঘাতক রাজনীতির পিছনে যেমন বিপুল বিদেশী বিনিয়োগ আছে,তেমনি দেশধ্বংসের পরিকল্পনাও আছে। লক্ষ্য,বাংলাদেশকে দ্রুত ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিনত করা।

Last Updated on Sunday, 22 March 2015 22:48
Read more...
 
কোন দিকে যাচ্ছে বাংলাদেশ? PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Saturday, 07 March 2015 12:19

চাকর-বাকরের দেশ?

স্বাধীনতা ও অর্থোপার্জনের নামে বাংলাদেশ পরিণত হয়েছে সস্তা চাকর-বাকরের দেশে। মহিলাদের একাকী হজে যাওয়ার অনুমতি নাই। ইসলামে এমন কাজ সুস্পষ্ট হারাম। হজে যেতে হলে মহিলাদের জন্য সাথে চাই স্বামী,পিতা,পুত্র,ভাই বা অন্য কোন মোহরাম পুরুষ -যার সাথে বিবাহ হারাম। অথচ বাংলাদেশের সরকার হাজার হাজার মাইল দূরের দেশে চাকরানীর কাজে নারী-রপ্তানি করছে। সম্প্রতি পত্রিকায় প্রকাশ,সৌদি আরব সরকার বাংলাদেশ থেকে ঘরের কাজের জন্য বহু হাজার নারী শ্রমিক নিবে। সরকার এতে বাহবা নিচ্ছে নিজেদের পররাষ্ট্র নীতির বিশাল সফলতা রূপে।অথচ এমন কাজ বাংলার মুসলিম ইতিহাসে অতীতে কোন কালেই ঘটেনি। প্রতিটি মুসলিম দেশে এরূপ নারী রপ্তানি প্রতিটি যুগেই হারাম গণ্য হয়েছে। কিন্তু এমন হারাম কাজটি প্রথম শুরু করেন শেখ মুজিব। বহুশত নারীকে মুজিবের শাসনামলে গৃহভৃত্য বা চাকরানীর কাজে ইরানে রপ্তানি করা হয়েছিল। ইসলামের মৌল বিধি-বিধান নিয়ে মুজিব যে কতটা জাহেল তথা অজ্ঞ ছিল –এ হলো তার নজির। এমন জাহেল লোককে কোন ক্ষুদ্র মসজিদেরও কি ইমাম বা নেতা করা যায়? এমন ব্যক্তি কোন মুসলিম দেশের ইমাম বা নেতা হয় কি করে? রাষ্ট্রপ্রধানের আসনে বসেছেন খোদ নবীজী (সাঃ)। তাঁর ইন্তেকালের পর সে আসনে বসেছেন খোলাফায়ে রাশেদার ন্যায় শ্রেষ্ঠ সাহাবীগণ। এটিই তো ইসলামের রীতি। সে আসনে কি তাই ইসলামে অঙ্গিকারশূণ্য জাহেল ব্যক্তিকে বসানো যায়? তাতে কি ইসলাম ও মুসলমানদের কোন কল্যাণ হয়? এমন কাজ হতে দেয়া যে হারাম -সেটি বুঝার জন্য কি পন্ডিত হওয়ার প্রয়োজন পড়ে? সে জন্য সামান্য ঈমান ও কান্ডজ্ঞানই কি যথেষ্ট নয়? বাংলাদেশের জনগণের মাঝে সে ঈমান ও কান্ডজ্ঞান কই? ঈমানদারের কাজ শুধু হিংস্র জন্তুজানোয়ারদের চেনা নয়,তাকে ইসলামের শত্রুদেরও চিনতে হয়। মুসলিমকে প্রতিমুহুর্ত বাঁচতে হয় সে জ্ঞানটুকু নিয়ে। নইলে মুসলমান ও ইসলামের যে ভয়ানক ক্ষতি হয়।এক্ষেত্রে ব্যর্থতার কারণেই বাংলাদেশ আজ  ভয়ানক ক্ষতিরই শিকার।

Last Updated on Saturday, 07 March 2015 17:29
Read more...
 
বাংলাদেশে যুদ্ধাবস্থাঃ জনগণ কি আত্মসমর্পণ করবে? PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Tuesday, 17 February 2015 23:13

শুরু হয়েছে যুদ্ধ

বাংলাদেশে এখন লাগাতর যুদ্ধ। দিন দিন এ যুদ্ধ আরো তীব্রতর হচ্ছে। জনগণের উপর চাপিয়ে দেয়া এ যুদ্ধটির মূল লক্ষ্য,বিক্ষুব্ধ জনগণের হাত থেকে অবৈধ সরকারের গদী বাঁচানো। গদীতে আসীন থাকার ফায়দাগুলি তো বিশাল।এতে রাষ্ট্রীয় ভান্ডারের উপর অবাধ লুন্ঠনের লাইসেন্স মেলে। তখন অর্থ লুন্ঠনে ঘরে ঘরে হানা দেয়ার প্রয়োজন পড়ে না। লাইসেন্স মেলে রাজনৈতীক বিরোধীদের হত্যা ও তাদের ঘরবাড়ি,ব্যবসা-বাণিজ্য ও ইজ্জত-আবরুর উপর খেয়ালখুশি মত হামলার।সে সাথে অধীকার মেলে রাষ্ট্রের পুলিশ,প্রশাসন,র‌্যাব,বিজিবী,সেনাবাহিনী ও আদালতের বিচারকদের চাকর-বাকরের ন্যায় ইচ্ছামত ব্যবহারের। এমন অবাধ দখলদারি কি কোন দুর্বৃত্ত সরকার সহজে ত্যাগ করে? তাছাড়া বাংলাদেশের মত দেশে গায়ের জোরে ক্ষমতায় থাকতে কি সংখ্যাগরিষ্ঠের ভোট,সংবিধান বা ন্যায়নীতির সমর্থণ লাগে? তাঁবেদার পুলিশ,বিজেবী,র‌্যাব,সেনাবাহিনী, মিডিয়া ও প্রশাসনই তো সে অবৈধ দখলদারিকে দীর্ঘায়ু দেয়ার জন্য যথেষ্ট।স্বৈরাচারি এরশাদ তো জনসমর্থণ ছাড়াই ১১ বছর ক্ষমতায় থেকে গেছে। শেখ হাসিনার স্বৈরাচারি সরকার তাই গদী ছাড়তে রাজী নয়।

Read more...
 
সরকারের জঙ্গিবাদী সন্ত্রাসঃ জনগণ কী করবে? PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Friday, 27 February 2015 01:41

কেন এতো সন্ত্রাস?

রাজনীতিতে লড়াই থাকবে এবং যুদ্ধ হবে -সেটি শুধু স্বাভাবিকই নয়,অনিবার্যও। লড়াই এখানে ক্ষমতা দখলের।মানুষ শুধু পেটের ক্ষুধা নিয়ে জন্মায় না, জন্মায় ক্ষমতার ক্ষুধা নিয়েও।তাই মানব ইতিহাস জুড়ে লড়াই শুধু খাদ্যপানীয় ও সম্পদের সংগ্রহে নয়,বিপুল আয়োজন যুদ্ধ-বিগ্রহ নিয়েও। এটি এক আদিম বাস্তবতা। কোন দলের নেতা বা নেত্রীকে তাই ফেরেশতা ভাবার সুযোগ নেই। গ্রীক দার্শনিক এ্যারিস্টোটল মানুষকে সংজ্ঞায়ীত করেছেন রাজনৈতিক জীব (পলিটিক্যাল এ্যানিমাল)রূপে।যাদের জীবনে রাজনীতি নাই -এ্যারিস্টোটলের দৃষ্টিতে তারা নিছক পশু,পূর্ণাঙ্গ মানব নয়।এটিই হলো মনুষ্যপ্রাণীর সেক্যুলার পরিচয়। ডারউইনের বিবর্তনবাদ তত্ত্ব এ্যারিস্টোটলের ধারণাকে আরো শক্তিশালী করেছে। কারণ ডারউইনের বিশ্বাস,মানব সৃষ্টির শুরুটি মানব রূপে হয়নি,তার বর্তমান দৈহিক রূপটি এসেছে লক্ষ লক্ষ বছরের বিবর্তনের ধারায়। ডারউইনের ধারণা,অন্যান্য জীবজন্তুর ন্যায় মানুষও এক প্রজাতির পশু। এভাবে স্রষ্টা রূপে অস্বীকার করা হয়েছে মহান আল্লাহতায়ালাকে। দেয়া হয়েছে “struggle for existence and survival of the fittest” এর তত্ত্ব,এবং এভাবে জায়েজ করা হয়েছে অবিরাম যুদ্ধ,যুদ্ধে প্রাণনাশ, এবং দুর্বলের নির্মূলের মধ্য দিয়ে সবলের বেঁচে থাকাকে। জন্ম লাভ করেছে সাম্রাজ্যবাদ,উপনিবেশবাদ ও বর্ণগত নির্মূলের ন্যায় নানারূরিপ ভয়ংকর মতবাদ। এভাবে বিজ্ঞানের নামে মানবের পশুসুলভ হিংস্র আচরণকে বৈধতা দেয়া হয়েছে।

Last Updated on Friday, 27 February 2015 01:54
Read more...
 
The Western Arrogance and the War at Doorsteps PDF Print E-mail
Written by Dr Firoz Mahboob Kamal   
Sunday, 18 January 2015 00:50

The hate campaign

The killings at Charlie Hebdo had sent powerful shock waves all over the West. Now the security threats and fear run very high everywhere. It seems that not only the hateful Islamophobic cartoonists of Charlie Hebdo, but also the politicians and the security officers of the West have turned pathologically paranoid. Even an unattended bag in a railway or underground station is enough to paralyse the traffic system in London, Paris, Berlin, Brussels, Rome and other cities of the West for hours. Now the governments are planning to check every internet mail of every individual. Hence nothing is private for any man or woman. The western imperialists used to take their wars of occupation and plunder to foreign lands; hence their homes were safe. But now the war has arrived to their doorsteps. They have withdrawn troops from Algeria, Afghanistan, Iraq, Mali and other third world countries, but the war is not leaving them. Now they are taking full war preparation to save their own streets. The French President François Hollande has announced that he will deploy 10,500 soldiers all over France to fight the Islamists. Former French President Sarkozi declared “war of civilisation” in response to attack on freedom. Thus, the whole western world is quickly turning into a huge war zone.

Last Updated on Sunday, 18 January 2015 22:21
Read more...
 
<< Start < Prev 1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 Next > End >>

Page 9 of 42
Dr Firoz Mahboob Kamal, Powered by Joomla!; Joomla templates by SG web hosting
Copyright © 2017 Dr Firoz Mahboob Kamal. All Rights Reserved.
Joomla! is Free Software released under the GNU/GPL License.