Home
The US War of Ideological Cleansing PDF Print E-mail
Written by Firoz Mahboob Kamal   
Saturday, 01 November 2014 11:44

The US joins al-Assad

The US-led imperialists now have entered the Syria soil and started a new killing mission to add up more massacres, more destruction and more blood bath along with the killer regime of President Bashar al-Assad. The Syrian tyrant has already killed more than 200 thousands people over the last three years. Most of the victims are children, women and innocent civilians. His army has turned hundreds of cities and villages only to rubbles. The whole country is now a war-field, al-Assad’s army is using barrel bombs, chemical bombs, missiles and heavy artillery shells to cause more killing and destruction.  The devastating war has now entered into its 4th year. More than one-third of the population have been driven out of Syria. So far the USA and its partners did nothing to stop the ongoing genocide and destruction. They haven’t thrown even a single stone at al-Assad’s army to stop the brutality. Rather, what al-Assad’s army have done to Homs, Hama, Aleppo and other Syrian cities, the USA is doing the same to Kobani. It is now using its warships, fighter jets, missiles and thousands of tons of bombs to bring more deaths and devastation. The US-led Western countries have diverted the whole focus of the war from defeating al-Assad’s brutal army to destroying the Islamic State.

 

Last Updated on Saturday, 01 November 2014 17:27
Read more...
 
বাংলাদেশে দুর্বৃত্তশাসন ও জনগণের ব্যর্থতা PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Saturday, 18 October 2014 21:28

মিশন যেখানে দুর্বৃত্তির প্রতিষ্ঠা!

কোন দেশে সবচেয়ে ভয়ংকর বিপর্যয়টি মহামারি,ঘূর্ণিঝড়,অতিবৃষ্টি, অনাবৃষ্টি বা সুনামীতে ঘটে না। এরূপ দুর্যোগের কারণে কোন দেশ বিশ্বজুড়ে কলংকিত বা অপমানিতও হয় না।কারণ,এমন বিপর্যয়ের জন্য দায়ী জনগণ নয়। বরং দেশবাসীর জন্য সবচেয়ে বড় বিপর্যয় ও সবচেয়ে বড় অপমানটি আসে রাষ্ট্র ও সমাজ চোর-ডাকাত,খুনি ও দুর্বৃত্তদের দখলে যাওয়ায়। তবে দুর্বৃত্ত শাসনের অকল্যাণটি আরো ব্যাপক ও ভয়াবহ। তাদের শাসনে শুধু যে সামাজিক সুখশান্তি ও জানমালের নিরাপত্তা বিপন্ন হয় তা নয়, বরং সবচেয়ে বড় বিপদটি ঘটে পরকালে। দুর্বৃত্ত শাসনের কাছে আত্মসমর্পণ ও সে শাসনের সাথে সহযোগিতা যেটি অনিবার্য করে সেটি হলো জাহান্নাম। সমগ্র সমাজ ও রাষ্ট্র জুড়ে জাহান্নামের উম্মুক্ত পথ নির্মাণই হলো এমন দুর্বৃত্ত শাসনের মূল প্রকল্প। চোর-ডাকাতদের হামলায় কিছু লোকের অর্থহানি বা প্রাণহানি ঘটে। কিন্তু রাষ্ট্রের বুকে চোর-ডাকাতদের শাসন জেঁকে বসলে তাতে শুধু জনগণের অর্থহানি বা প্রাণহানিই ঘটে না, ঈমানহানি এবং সে সাথে জাহান্নাম প্রাপ্তি ঘটে কোটি কোটি মানুষের। তাই দুর্বৃত্ত শাসকদের দু্র্বৃত্তির চেয়ে অধিকতর গুনাহর কাজ যেমন নেই,তেমনি তাদের নির্মূলের চেয়ে অধিক ছওয়াবের কাজও নেই।

Last Updated on Saturday, 18 October 2014 21:36
Read more...
 
হজ্বঃ মানব সভ্যতার সর্বশ্রেষ্ঠ অনুষ্ঠান PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Sunday, 28 September 2014 08:53

হজ্ব কেন সর্বশ্রেষ্ঠ অনুষ্ঠান?

মানব সমাজে বহুবিধ ধর্ম। প্রতি ধর্মে রয়েছে ভিন্ন ভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠান। কিন্তু হজ্ব কেন সকল ধর্মের সর্বপ্রকার অনুষ্ঠান থেকে অনন্য ও শ্রেষ্ঠতর? কোন অনুষ্ঠানই শুধু ধর্মীয় হওয়ার কারণে শ্রেষ্ঠতর হয় না। সেসব অনুষ্ঠানে লক্ষ লক্ষ মানুষের জমায়েত হওয়াতেও তা কল্যাণকর বা শ্রেষ্ঠতর হয় না। উলুধ্বনি,শঙ্খা ধ্বনি, আলোক সজ্জা,আতশবাজি ও বিচিত্র বেশধারনেও ব্যক্তির জীবনে কল্যাণ আসে না। ভারতে লক্ষ লক্ষ মানুষ প্রতিবছর গঙ্গাস্নানে হাজির হয়।পাহাড়-পর্বত অতিক্রম করে বহুমানুষ মন্দিরে যায়।মুর্তির পদতলে ভেট দেয়। ক্যাথলিক খৃষ্টানদের বিশ্বাস, শিশুর জন্মই পাপ নিয়ে। তাই বাপ্টিটিজমের নামে শিশুকে গোছল দিয়ে পবিত্র করে।কিন্তু পানিতে কি পাপ দূর হয়? পরিষ্কার হয় কি চেতনা ও চরিত্রের ময়লা? পবিত্র হয় কি মন? বিপ্লব আসে কি আচরনে? চারিত্রিক বিপ্লব তো দেহ ধৌত করায় আসে না।বিচিত্র বেশধারণ বা দেব-দেবী,সাধুসন্নাসী ও ভগবানের নামে নানারূপ রূপকথা,লোককথা বা অলৌলিক কিচ্ছাকাহিনী পাঠেও আসে না।সে জন্য তো চাই এমন এক বিপ্লবী দর্শন যা মানব মনের গভীরে প্রবেশ করে এবং আঘাত হানে চিন্তা-চেতনার মূল ভূমিতে। এবং বিলুপ্ত করে ধর্ম,সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের নামে জমে উঠা অশিক্ষা, কুশিক্ষা ও কুসংস্কারের বিশাল আবর্জনাকে। এভাবেই তো পরিশুদ্ধি ও বিপ্লব আসে চেতনা ও চরিত্রে। তখন বিপ্লব আসে রাষ্ট্রজুড়ে। এভাবেই তো উচ্চতর সভ্যতা নির্মিত হয়।

Comments (1)
Welcome
1 Wednesday, 01 October 2014 04:00
Dr. Samiul hAQUE

Dear Dr. Firoz


Salam. I am proud of you for continuing defending the Islamic dignity. I have posted this article in my web site by your permission. May you be shining in this world and in the resurrection day with all of your relatives, By the grace of Allah SWT, Hazrat Muhammad peace be upon you & his Ahlebait. Thanking regards. - Dr. Md. Samiul Haque, Almustafa international University, Iran.

Read more...
 
The War on Islam & the Agenda of Hegemony PDF Print E-mail
Written by Dr Firoz Mahboob Kamal   
Saturday, 11 October 2014 16:51

Defeating Islam is the issue

The imperialists do politics, fight wars, occupy lands and kill millions not for mere economic exploitation and military or political gains. They want to defeat and destroy their ideological competitors and survive as the sole civilizational force on earth. After the sudden demise of Socialist Soviet Union – the West’s most powerful ideological challenger, the Western imperialists had a great joy of relief and a strong spell of euphoria.  They thought that they have won the final war of ideas and the history of mankind has reached its end with liberal capitalism as the global norm of civilisation. They could really think of a global village with global Western values. The euphoria was so immense that many capitalist gurus like Francis Fukuyama declared it the end of history. Carl Marx too, died with a dream of such euphoria. He believed that the victory of the proletariat and the emergence of classless communist society are inevitable. Marx claimed it the ultimate end of historical determinism. But such Marxist theory proved utter nonsense.

Last Updated on Saturday, 11 October 2014 16:58
Read more...
 
খেলাফত প্রতিষ্ঠার জিহাদ ও সাম্রাজ্যবাদি শক্তির কোয়ালিশন PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Monday, 22 September 2014 17:10

নতুন সম্ভাবনার পথে

ইসলামের সর্বশেষ নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) শুধু পবিত্র কোরআনের প্রচারই করেননি বরং কোরআনী বিধানগুলির প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে একটি শক্তিশালী রাষ্ট্র এবং সে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি ও মজবুত অবকাঠামোও প্রতিষ্ঠা করে যান। সে রাষ্ট্রীয় অবকাঠামোটিই পরবর্তীতে তাঁর মহান সাহাবীদের হাতে খেলাফত নামে পৃথিবীর বিশাল ভূখন্ড জুড়ে প্রতিষ্ঠা পায়।খোলাফায়ে রাশেদার শাসকগণ ছিলেন মূলত নবীজী (সাঃ)র প্রতিষ্ঠিত রাষ্ট্র পরিচালনায় নবীজী (সাঃ)র রাজনৈতীক ও আধ্যাত্মীক প্রতিনিধি তথা খলিফা।খেলাফতী রাষ্ট্রীয় পদ্ধতির উদ্ভব হয়েছে তাই নবীজীর প্রতিনিধিত্বের দায়বদ্ধতা থেকে। মুসলমান যেমন নামাযের সময় হলে নবীজী (সাঃ)র অনুকরণে নামায পড়ে, মাহে রামাদ্বান এলে নবীজী (সাঃ)র ন্যায় রোযা রাখে, তেমনি কোন দেশ বা রাষ্ট্রের উপর দখল জমাতে পারলে সেখানে খেলাফতের আদর্শে রাষ্ট্রও গড়ে। নবীজী (সাঃ)র এ সুন্নত পালন মুসলমানদের জীবনে এক ধর্মীয় দায়ব্ধতা।নবীজী (সাঃ) নিজে রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা না করলে মুসলমানদের সামনে রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সুন্নতই থাকতো না। শরিয়ত, জিহাদ, জিজিয়া, আ’মিরু বিল মারূফ ওয়া নেহীয়ানুল মুনকার তথা ন্যায়ের প্রতিষ্ঠা ও অন্যায়ের নির্মূলের ন্যায় মহান আল্লাহতায়ালার বহু কোরআনী হুকুমই সমাজে পালিত হতো না। ফলে প্রতিষ্ঠা পেত না মহান আল্লাহতায়ালার দ্বীন। তাছাড়া নবীজী (সাঃ)র এ সুন্নতের আনুগত্য ছাড়া কি আল্লাহর হুকুম পালিত হয়? তাতে কি মুসলমান হওয়া যায়? সাহাবাগণ নিজেদের অর্থ,শ্রম,মেধা ও প্রাণ দিয়েছেন তো সে খিলাফত প্রতিষ্ঠা ও সেটিকে প্রতিরক্ষা দেয়ার কাজে। খিলাফত প্রতিষ্ঠা না পেলে খৃষ্টানদের ন্যায় মুসলমানদের সংখ্যা বাড়লেও ইসলাম পরিচিতি পেত এক অপূর্ণাঙ্গ দ্বীন রূপে।ফলে মহান আল্লাহর নির্দেশিত পথে কোথাও শান্তি প্রতিষ্ঠা পেত না। ইসলামি ন্যায়নীতির উপর সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ সভ্যতাও নির্মিত হতো না।

Last Updated on Thursday, 25 September 2014 08:41
Read more...
 
<< Start < Prev 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 Next > End >>

Page 11 of 42
Dr Firoz Mahboob Kamal, Powered by Joomla!; Joomla templates by SG web hosting
Copyright © 2017 Dr Firoz Mahboob Kamal. All Rights Reserved.
Joomla! is Free Software released under the GNU/GPL License.